: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে টিভিএস ভিক্টর বিক্রয়

বাংলাদেশে টিভিএস ভিক্টর বিক্রয়

ভারতী মোটরসাইকেল নির্মাতা টিভিএস মোটর কোম্পানি, সুজুকি সাথে একজোট হবার পর ভিক্টর কে তাদের প্রথম পুরোপুরি নিজেদের তৈরি মোটরবাইক বলে দাবি করে। তাদের এটাও দাবি যে ভিক্টর ভারতের প্রথম ৪ স্ট্রোক বাইক যেটা ভারতেই ডেভেলপ করা হয়েছে। বাজারজাত হবার সময় থেকেই ভিক্টর টিভিএস এর সবচেয়ে বিখ্যাত বাইক হয়ে ওঠে। কিন্তু পরে এই বাইকটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়, আর এটার জায়গায় বাজারে আসে টিভিএস ষ্টার সিটি, যেটা এখনকার বেস্টসেলার। বেশি দেরী হয়ে যাবার আগেই টিভিএস ঘোষণা করে যে তারা তাদের এক কালের বেস্ট সেলিং বাইক ভিক্টর আবার ফেরত নিয়ে আসবে।

টিভিএস ভিক্টর রিভিউ

টিভিএস ভিক্টর ইঞ্জিন স্পেসিফিকেশন আর পারফরমেন্স

ভিক্টর এর ৪ স্ট্রোক ইঞ্জিন এর জন্য ইটা অনেক পুরস্কার জিতে নিয়েছে, আর তার সাথে সাথে আপনি আরও পাচ্ছেন দুই ইঞ্জিন ডিস্প্লেসমেন্ট। এটার ১১০ সিসি ইঞ্জিন ভেজা মাল্টি-প্লেট ক্লাচ অ্যাসেম্বলি ব্যবহার করে, আর তার সাথে থাকে ফোর স্পিড কনস্ট্যান্ট মেশ ট্রান্সমিশন। এটার সর্বোচ্চ টর্ক ৫০০০ আরপিএম এ ৮.৭ নিউটন মিটার আর সর্বোচ্চ ইঞ্জিন শক্তি ৭০০০ আরপিএম এ ৮.৩ হর্সপাওয়ার। এটার আরেকটি ১২৫ সিসি ভ্যারিয়েন্ট, যেটার ইঞ্জিন টিভিএস ফিনিক্স এর মতো, সর্বোচ্চ ইঞ্জিন শক্তি উৎপাদন করে ৮০০০ আরপিএম এ ১০.৮ হর্সপাওয়ার আর সর্বোচ্চ টর্ক ৫৫০০ আরপিএম এ ১০.৮ নিউটন মিটার। একই সাথে, টিভিএস ভিক্টর এর আছে ২.৭৫*১৭ সামনে আর ৯০/৯০*১৭ পেছনে টিউববিহীন টায়ার সহ এলয় চাকা। সামনে আছে তেল দিয়ে ড্যাম্প করা টেলিস্কপিক ফর্ক। এটার সাথে ৭৫ মিমি ট্রাভেল গ্যাস চার্জড টুইন শক এবসর্বার সহ পেছনে ৫ স্টেপ, হাইড্রলিক কো-এগ্জিয়াল স্প্রিং মিলিয়ে তৈরী হয় এটার সাসপেনশন সিস্টেম। এই বাইকটাতে ড্রাম ব্রেক ব্যবহার হয় দুই মাথাতেই। টিভিএস মালিকরা দাবি করেন যে এটার মাইলেজ খুবই ভালো: ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার প্রতি লিটার। এটার গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৪ মিমি আর ফুয়েল ট্যাঙ্ক এর ধারন ক্ষমতা ১৩ লিটার। এটা আপনি কিক বা সেলফ স্টার্ট, দুই অপশনেই পাবেন, আর এই বাইকটা বিভিন্ন রঙে উপলব্ধ।

টিভিএস ভিক্টর ডিসাইন

টিভিএস ভিক্টর আপনার ভালো লাগবে এটার সৌন্দর্যের জন্য। এটার শার্প আর এজি হেডল্যাম্প সাজানো এটার সামনের ফেসিয়াতে আর এর সাথে দুটি অন্তর্ভুক্ত পাইলট ল্যাম্প থাকতে পারে। চালকের বসার সুবিধার জন্য এটার ফুয়েল ট্যাঙ্ক নিখুঁত আর সুন্দরভাবে আকৃতি পেয়েছে। এটার সীটও আরও লম্বা, ভালোভাবে কুশন দেয়া আর আরামদায়ক যেন চালকের বসতে কোনো অসুবিধে না হয়। বাইকের পেছনের অংশে আছে শরীরের রঙের গ্র্যাব রেল আর একটি স্টাইলশ টেইল ল্যাম্প, যেটা দেখতে চমৎকার। এটার সার্বিক বডি ডাইমেনশনের ওপর ভিত্তি করে ডিসাইন করা হয়েছে টিভিএস ফিনিক্স আর টিভিএস সিটি।

ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোলে আছে এনালগ ফুয়েল গজ, লো ফুয়েল ইনডিকেটর, আর স্পিডমিটার যেন চালক সহজেই সব তথ্য হাতের নাগালে পেয়ে যান। এই বাইকটা আবার ইন্ডাস্ট্রির সেই প্রথম বাইকগুলোর মধ্যে যেগুলো নিয়ে এসছিল ইকনমি আর পাওয়ার মডেল ইনডিকেটর (ইকোনোমিটার) আর চতুর্ভুজ সুইং আর্ম।

বাংলাদেশে টিভিএস ভিক্টর এর মূল্য

নিচে বাংলাদেশের বাজারে টিভিএস ভিক্টর এর মূল্যতালিকা দেয়া রইলো। এই তালিকাটি তৈরী করা হয়েছে কারমুডি এর বর্তমান লিস্টিং এর নির্ভর করে, আর সময়ের সাথে বদলাতে পারে।

টিভিএস ভিক্টর জিএলএক্স ২০০৬ মূল্য: ব্যবহৃত- ৬৫,০০০ টাকা

টিভিএস ভিক্টর জিএল ২০০৩ মূল্য: ব্যবহৃত- ৫৮,০০০ টাকা

টিভিএস ভিক্টর আর ২০১৩ মূল্য: ব্যবহৃত- ৬৫,০০০ টাকা

বাংলাদেশে টিভিএস ভিক্টর এর উপলব্ধি

ভারতীয় ব্র্যান্ড হবার কারণে, বাংলাদেশে এই বাইকটি খুবই সহজলভ্য। আপনি আপনার কাছেই ডিলারডের কাছ থেকে, বা ব্যক্তিগত বিক্রেতাদের কাছ থেকে টিভিএস ভিক্টর কিনে নিতে পারেন:

  • ঢাকায় ব্যবহৃত টিভিএস ভিক্টর বিক্রয়
  • চট্টগ্রামে ব্যবহৃত টিভিএস ভিক্টর বিক্রয়

কেন কিনবেন টিভিএস ভিক্টর?

বাজারে টিভিএস প্রতিযোগিতা করে হিরো হোন্ডা স্প্লেন্ডর, হিরো হোন্ডা প্যাশন, ইয়ামাহা লিবেরো, আর বাজাজ প্লাটিনা এর সাথে। তার মধ্যে আপনি টিভিএস ভিক্টর বেছে নিতে পারেন কারণ এর আছে :

  • উন্নত মানের বিল্ড
  • সুলভ মূল্যে ভালো পণ্য
  • চমৎকার মাইলেজ
  • সহজ রিপেয়ার অপশন