: প্রস্তাবিত

BDT 120,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

  • 45 কিলোমিটার

Honda CB Unicorn ঢাকা মেট্রো ১৩-...রেজি ২০০৯,২৩ k + রানিং,মাইলেজ ৪৫ (প্রমানিত),টপ স্পিড ১১০/২০ অবশ্য আমি ৬০ এর উপ্রে উঠি না,এটা মুলত অফিসে আসা যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল, আমি দুই বতসর ধরে চা...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে মোটর সাইকেল বিক্রয়

বাংলাদেশে মোটর সাইকেল বিক্রয়

বর্তমান বিশ্বে ভাল যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নতি এবং আভিজাত্যের প্রতীক। আমরা প্রতিনিয়ত এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাতায়াত করছি। সেটা হতে পারে বাসা থেকে অফিস কিংবা, দোকান অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সাহিত্যিকগণের মতে জীবনটাই হচ্ছে যাত্রাপথ। তাহলে যানবাহন হবে সেই পথের চাকা যেটা আমাদেরকে সবসময় সচল রাখছে। প্রকৃতপক্ষে এই যানবাহনই হচ্ছে আমাদের আধুনিক জীবনের রূপকার। তাঁরা আমাদেরকে সচল রাখছে এবং সহজে এবং আরামদায়ক ভাবে আমাদের গন্তব্যে পৌঁছতে সাহায্য করছে।

কেন কিনবেন মোটরসাইকেল?

ঢাকা শহরের যানজট সমস্যা নতুন কিছু নয়। এটা এখানকার বাসিন্দাদের জন্য একটি নিত্য দিনের অভিজ্ঞতা। যাদের একটি সাধারণ মানের গাড়ি কিংবা খুব দামি গাড়ি আছে তাঁরাও এই যানজটে আটকা পড়ে থাকে দীর্ঘক্ষণ। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপকারী বাহন হচ্ছে মোটরসাইকেল। বর্তমানের যুব সমাজ এই বাহনটিকে আপন করে নিয়েছে যানজট থেকে মুক্তির আশায়।

মোটরসাইকেল হচ্ছে সাশ্রয়ী এবং সুবিধাজনক একটি বাহন যার ব্যবহার নির্ভর করে মানুষের পছন্দের উপর। এটি অবশ্যই গাড়ির চেয়ে সাশ্রয়ী এবং আকারেও ছোট। এই কারনে এটি বড় গাড়ির ফাঁক দিয়ে বের হয়ে এগিয়ে যেতে পারে। এছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর আরেকটি দিক হচ্ছে এর গতি। তবে সবাই এই গতিকে ভালভাবে কাজে লাগাতে পারেনা। যারা করতে পারেন, তাঁরা মোটরসাইকেল ভ্রমণ খুবই উপভোগ করে থাকেন।

দেশের সব এলাকায় মোটরসাইকেল বেশ সহজলভ্য। এর কারন হিসেবে বলা যায় অর্থনৈতিক উন্নতি এবং প্রয়োজনীয়তা। গ্রাম-গঞ্জে সাধারণত পরিবহন বলতে সাইকেল, ভ্যন কিংবা রিকশাকেই বোঝায়। তবে যাদের আর্থিক সক্ষমতা থাকে তাঁরা সাধারণত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে। এতে তাঁদের যাতায়াত যেমন দ্রুত হয়, তেমনি সাশ্রয়ী হয়। এছাড়া মফস্বল এলাকায় মোটরসাইকেল একটি মর্যাদার বিষয়।

একটি মোটরসাইকেল প্রতি লিটার পেট্রোল খরচ করে ৩০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে। তাই বলা চলে এটি পারতপক্ষে অনেক সাশ্রয়ী। এছাড়া গ্রামের অনেক রাস্তাঘাট চার চাকার গাড়ি চলার মত প্রশস্ত নয়। সেক্ষেত্রে মোটরসাইকেলই একমাত্র ভরসা।

বাংলাদেশে বিভিন্ন মোটরসাইকেলের দরদাম

ঢাকায় অনেক ব্র্যান্ডের মতরসাইকেল চলতে দেখা যায়। তবে বেশিরভাগ মোটরসাইকেল হচ্ছে ভারতীয় কোম্পানির। এছাড়া কিছু জাপানী এবং চাইনিজ ব্র্যান্ড ও দেখা যায় রাস্তায়। সবচেয়ে প্রচলিত ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে হিরো (পূর্বের হিরো হোন্ডা), বাজাজ, টিভিএস, হোন্ডা এবং ইয়ামাহা। এছাড়া কিছু স্কুটি মোটরসাইকেলও দেখা যায়।

গ্রাম এলাকায় সাধারণত চাইনিজ মোটরসাইকেল বেশি দেখা যায় কারন এগুলো দামে কম এবং মাইলেজ ও বেশি।

এখানে কিছু মোটরসাইকেলের আনুমানিক দাম দেওয়া হলঃ

  • হিরো হাঙ্ক ২০১২ - ১.৮০ লক্ষ