: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার বিক্রয়

বাংলাদেশে হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার বিক্রয়

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার ভারতীয় উপমহাদেশের মোটরসাইকেল মার্কেটে সবচেয়ে সফল ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল। এটা প্রথম বাজারজাত হয় ২০০৫ সালে আর তখন থেকে এটা রাস্তার ওপর রাজত্ব করে চলেছে। এই বাইকটা অনেকটা হিরো হোন্ডা সুপার স্প্লেনডরের মত, তবে চেহারায় একটু আলাদা। এই বাইকটা বাইকপ্রেমীদের নজর কেড়ে নিয়েছিল এটার ইঞ্জিন পারফরমেন্স আর নির্ভরযোগ্য সার্ভিস দিয়ে। বাংলাদেশের মানুষ বাজাজ ডিস্কভার ১২৫ বা ইয়ামাহা গ্ল্যাডিয়েটর থেকে হিরো হোন্ডা গ্ল্যামারই বেশি পছন্দ করেন।

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার বাজারজাত হয় একটি এগ্রেসিভ চেহারার স্মার্ট বাইকের কথা মাথায় রেখে। এটার বিপুল সফলতার পর ২০০৮ সালে হিরো হোন্ডা এই বাইকের আরেকটি ভার্সন উৎপাদন করে: গ্ল্যামার ফি হিরো আর হোন্ডার আলাদা হবার আগে অনেক আপগ্রেড করা হয়েছিল। আলাদা হওয়ার পর হিরো গ্ল্যামারের  উৎপাদন চালু রাখে আর মডেলটাকে ফুয়েল- ইনজেকশন প্রযুক্তি উৎপাদন করে। আগে হিরো হোন্ডা এটলাস বাংলাদেশের সাথে একজোট হয়ে কাজ করতো, কিন্তু এখন নতুন ব্র্যান্ড নেম আসার পর তারা নিটল- নিলয় গ্রুপের সাথে কাজ করে। নিটল- নিলয় গ্রুপ বাংলাদেশে টাটা মটরস আমদানি ও ডিস্ট্রিবিউট করে। এই বাইকটা ৪টি ভ্যারিয়েন্টে উপলব্ধ: গ্ল্যামার, গ্ল্যামার ডিস্ক, গ্ল্যামার ফি এবং গ্ল্যামার ফি ডিস্ক

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার রিভিউ

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার স্পেসিফিকেশন

গ্ল্যামারের নতুন মডেল কার্বুরেটর সহ ১২৪.৭৭ সিসি ইঞ্জিন ব্যবহার করে। এই এয়ার-কুল করা, ৪ স্ট্রোক, ওএইচসি ইঞ্জিন আপনাকে দেয় ৭০০০ আরপিএম এ ৯.১ বিএইচপি পাওয়ার। এটার সর্বোচ্চ টর্ক ৪০০০ আরপিএম এ ১০.৩৫ নিউটন মিটার। এই মোটরসাইকেল এর আছে চার স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স যেখানে সব গিয়ার আপ-শিফট প্যাটার্ন এর। আরও আছে ড্রাম আর ডিস্ক ব্রেক সিস্টেমের সমাহার। সামনের ব্রেকটা ২৪০ মিমি ডিস্ক ব্রেক আর পেছনেরটা ১৩০ মিমি ড্রাম ব্রেক। এই বাইকটা মোটেও স্পোর্টস এর জন্য উপযোগী নয়, আর এটার থ্রোটেল রেসপন্স ধীর এবং অলস। এটার সর্বোচ্চ গতি ৯৫ কিলোমিটার/ ঘন্টা আর এই বাইকের মাইলেজই এটার সবচেয়ে আকর্ষনীয় ফীচার। শহুরে এলাকায় আপনি পাবেন ৬২ কিলোমিটার/লিটার আর মহাসড়ক অবস্থায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার/ লিটার। গড়ে, মাইলেজ প্রায় ৭০ কিমি/লিটার আর নতুন মডেলে এফআই প্রযুক্তির কারণে আপনি ৫-৮ কিমি/লিটার বেশি পেতে পারেন।

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার ডিসাইন

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার কমিউটার মোটরসাইকেল সামনে থেকে দেখতে দারুন। শুধু নামেই না, চেহারাটাও দেখার মত। নতুন ক্রিস্টাল ক্লিয়ার হেডলাইট, ক্লিয়ার লেন্স ইনডিকেটর, রং আর রিয়ার ভিউ আয়না বাইকটাকে আরও আকর্ষনীয় করে তোলে। নতুন গ্ল্যামার ৫টি আকর্ষনীয় ডুয়াল টোন রঙে উপলব্ধ: টর্নেডো গ্রে মেটালিক সহ কালো, লাল সহ কালো, ফ্রস্ত্‌ ব্লু মেটালিক সহ কালো, আর স্পোর্টস রেড ও সিলভার সহ কালো।

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার ফীচার্স

এই বাইকের সীটের নিচে স্টোরেজের জায়গা আছে যা আপনাকে কিছু জিনিসপত্র বহন করতে সাহায্য করব,। রিয়ার ফেন্ডারে ব্যাগ হুকও আছে। এই বাইকের আরও আছে ৫ স্পোকের ১৮ ইঞ্চি এলয় চাকা।

বাংলাদেশে হিরো হোন্ডা গ্ল্যামারের মূল্য

বাংলাদেশে হিরো ৫ বছরের ওয়ারান্টি দেয়। বর্তমানে তারা এদেশের বৃহত্তম ইম্পোর্টারের সাথে একজোট হয়ে কাজ করছে বাংলাদেশে হিরো মোটরসাইকেল উৎপাদন করার জন্য। বাংলাদেশের হিরো প্রোডাকশন লাইনে গ্ল্যামার মডেলটাও আছে। গ্ল্যামার বাংলাদেশের সব জায়গাতেই উপলব্ধ আর এটার মূল্য অবস্থা ও নির্মান সালের ওপর নির্ভর করে। নতুন বাইকে মূল্য সব সময়েই ব্যবহৃত বাইকের চেয়ে বেশি। মার্কেট থেকে ব্র্যান্ড নিউ গ্ল্যামার কিনতে গেলে আপনার প্রায় ১,৫৭,০০০ টাকা খরচ পড়বে। বাংলাদেশে হিরো হোন্ডা গ্ল্যামারের প্রতাশিত মূল্য নিচে দেয়া রইলো।

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার ২০১৪ মূল্য: নতুন - ১,৬০,০০০ টাকা; ব্যবহৃত- ১,৪০,০০০ টাকা

কেন কিনবেন হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার?

হিরো হোন্ডা গ্ল্যামারের হ্যান্ডলিং অনেক হালকা যেটা ঢাকা শহরের ট্রাফিক জামের মধ্যে অনেক দরকার। ভাল বিল্ড আর নিরব, রিফাইনড ইঞ্জিন এবং অসাধারণ ফুয়েল এফিসিয়েন্সি অবশ্যই আপনার খরচ অনেক কমিয়ে দেবে। এটার ওজন অনুযায়ী এটার সাসপেনশন যথেষ্ট আর আপনাকে দেবে খুবই আরামদায়ক যাত্রা।