: প্রস্তাবিত

BDT 115,000

ঢাকা

Md Alam Hossain
  • 35,000 কিলোমিটার

mohammadpur thaki. smart card, 2 key frist hands. no Internal or external problem. buy and ride. 42+ in city only petrol use always.

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে হিরো হোন্ডা সিবিজেড বিক্রয়

বাংলাদেশে হিরো হোন্ডা সিবিজেড বিক্রয়

হিরো হোন্ডা তার প্রথম হাই পারফরমেন্স মোটরসাইকেল সিবিজেড নামে বাজারে ছাড়ে। এটি ১৯৯৯ সালে ছাড়া হয় এবং প্রমান করে যে ইন্ডিয়ান মোটরসাইকেল বাজারে হাই কনফিগারেশন বাইকের অনেক চাহিদা আছে। এটি জাপানি নির্মাতা হোন্ডা সিবি সিরিজের একটি দুর্বল ভার্শন ছিল। শুরুতে এর ইঞ্জিন মাত্র ১৫৬.৮সিসির ছিল। সাফল্য অর্জন করার পর হিরো হোন্ডা ২০০৪ সালে প্রথম পরিবর্তন আনে এবং এটি সিবিজেড*(স্টার) নামে বাজারে ছাড়ে। নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলোর তাদের রঙ ছাড়া একই রকম বৈশিষ্ট্য ছিল, তাতেও বাইকের বিক্রি বাড়তে থাকে। নতুন মডেলে নতুন বৈশিষ্ট্য বলতে ছিল কেবল সিভি কারবুরেটর।

হিরো হোন্ডা সিবিজেড ২০০৫ সালে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় এবং এর বদলে হিরো হোন্ডা সিবিজেড-এক্সট্রিম নামে ১৫০সিসি ইঞ্জিন দিয়ে নামায়। বাংলাদেশে সিবিজেড তুমুল জনপ্রিয় বাইকপ্রেমিকদের কাছে। হিরো হোন্ডা যেহেতু হাঙ্ক নামের আরেকটি মডেল কাছাকাছি রকমের ইঞ্জিন ব্যবহার করে, তাই মানুষ প্রায়ই দুটোকে একই মোটরসাইকেল মনে করে। এর নানান বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং বডি ডিজাইনের কারনে বাংলাদেশে সিবিজেড এত বিখ্যাত।

হিরো হোন্ডা সিবিজেড রিভিউ

হিরো হোন্ডা সিবিজেড বিস্তারিত

প্রথম প্রজন্মের সিবিজেডের ছিল ৫-স্পিড গিয়ারবক্স সহ ১৫৬.৮সিসি ইঞ্জিন ব্যবহার করতো। এই ৪-স্ট্রোক, সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিনটি ১২.৮ বিএইচপি উৎপাদন করতে পারত ৮০০০আরপিএমে এবং সর্বোচ্চ ১২.৭ এনএম উৎপাদন করতে পারতো ৬৫০০আরপিএমে। ফুয়েল ট্যাঙ্ক ধারণ করতে পারে ১২.৫ লিটার। বাইকটির সর্বোচ্চ গতি হচ্ছে ঘন্টায় ১১৩ কিমি। বাইকটির ছিল সিঙ্গেল ডিস্ক ফ্রন্ট ব্রেক এবং রিয়ার ড্রাম ব্রেক।  

সর্বশেষ সিবিজেড ভ্যারিয়েন্ট মডেলটির ছিল এয়ার-কুল্ড ইঞ্জিন যার ধারণক্ষমতা হচ্ছে ১৪৯.২ সিসি। এই বাইকের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ছিল ৮৫০০ আরপিএমে ১৪.২বিএইচপি উৎপাদন করা। সর্বোচ্চ টর্ক ছিল ১২.৮ এনএম তাও আবার ৬৫০০ আরপিএমে। বাইকটি ৫-স্পিড গিয়ারবক্স এবং ১২.৩ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক সহ পাওয়া যায়। এর সর্বোচ্চ গতি হচ্ছে ঘন্টায় ১১৫ কিমি এবং এর মাইলেজ বেশ ভাল। লিটারে প্রায় ৫৭ কিমি ভ্রমন করতে পারে। এই বাইকের সামনে ২৪০মিমি ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনে ইন্টারনাল এক্সপ্যান্ডিং শু টাইপ ব্রেক আছে। বাইকটি হলুদ, কমলা এবং কালো রঙে পাওয়া যায়।

হিরো হোন্ডা সিবিজেড ডিজাইন

হিরো হোন্ডা সিবিজেডের একটি আগ্রাসী এবং স্পোর্টি লুকের উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রথম প্রজন্মের বাইকগুলো অ্যানালগ স্পিডোমিটার এবং কিকস্টার্ট ব্যবস্থা ব্যবহার করতো।  দ্বিতীয় প্রজন্মের মডেলগুলো এলয় হুইল এবং অ্যানালগ ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করে। এর টেইল ল্যাম্প এবং ইন্ডিকেটরটিও বেশ আকর্ষণীয়। ইন্ডিকেটর লাইটগুলো বডি থেকে আলাদা ছিলনা, বরং শরীরে লাগানো ছিল, যার কারনে এটি দেখতে আরো অনেক আকর্ষণীয় লাগে। ফুয়েল ট্যাঙ্কটি একটি অতিরিক্ত অংশের কারনে দেখতে আরো স্পোর্টি লাগে।

হিরো হোন্ডা সিবিজেডের বৈশিষ্ট্য

বাইকটি চালানোর সময় বেশ আরাম প্রদান করে থাকে। এটির সকল ধরনের প্যাসেঞ্জার সুরক্ষা আছে যেমন প্যাসেঞ্জার ফুটরেস্ট, রাইডার লেগ গার্ড, ভাল মানের সাস্পেনশন এবং স্টাইলিশ স্টেপ-আপ সিট। এই বাইকে কোন ব্যাগ হুক নেই।

বাংলাদেশে হিরো হোন্ডা সিবিজেডের মূল্য

এই মডেলটি যেহেতু আর উৎপাদিত হয়না, তাই নতুন হোন্ডা সিবিজেড পাওয়া যায়না বাজারে। বাংলাদেশের বাজারে কেবলমাত্র ব্যবহৃত সিবিজেড পাওয়া যায়। এই মডেলগুলোর দাম নির্ভর করে উৎপাদন সাল এবং ব্যবহারকালের উপর। দাম ৬০হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সিবিজেড কেনার আগে আপনার উৎপাদন সাল এবং বর্তমান হাল দেখে নেয়া উচিৎ। নিচে বাংলাদেশে হিরো হোন্ডা সিবিজেডের মূল্যতালিকা দেয়া আছে।

হিরো হোন্ডা সিবিজেড ২০১৩ মূল্য: ব্যবহৃত – ১ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা

হিরো হোন্ডা সিবিজেড ২০১২ মূল্য: ব্যবহৃত – ১ লক্ষ ৬০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৭৫হাজার টাকা

হিরো হোন্ডা সিবিজেদ ২০১১ মূল্য: ব্যবহৃত – ৯০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা

হিরো হোন্ডা সিবিজেদ ২০১০ মূল্য: ব্যবহৃত – ১ লক্ষ ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা

কেন আপনি হিরো হোন্ডা সিবিজেড কিনবেন?

হিরো হোন্ডা সিবিজেড ভারতীয় কোম্পানিদের মধ্যে মোটরসাইকেল উৎপাদনে বিপ্লব এনেছে এবং ক্রেতাদের চাহিদার প্রতি প্রস্তুতকারকদের মনোভাব পাল্টিয়েছে। সিবিজেড ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশে হাই-পারফর্মেন্স বাইকের রূপকার ছিল। এটি এর বাজারজাতকরন সময়ের পুরোটি ভালোই বিক্রি করেছে। বাজাজ পালসার এবং ইয়ামাহা এফজেডএসের সঙ্গে কঠোর পাল্লা দেয়াতে এটি এই মডেল বাদ দিয়ে সিবিজেড এক্সট্রিম এবং পরে এক্সট্রিম মডেলটি নাম পাল্টে বাজারে ছাড়ে।