: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে বাজাজ প্লাটিনা বিক্রয়

বাংলাদেশে বাজাজ প্লাটিনা বিক্রয়

ভারতীয় কোম্পানি বাজাজ অটো ইতিমধ্যেই এক্সেকিউটিভ কমিউটার মোটরসাইকেল নির্মানে নিজের নাম করে ফেলেছে। আর সেই কারণেই বাজাজ তৈরি যেকোনো মোটরসাইকেলই ভারতীয় উপমহাদেশে টপ সেলার হয়ে ওঠে। বাজাজের পুরো স্পেকট্রামে মোটরসাইকেলের সবচেয়ে ঈর্ষনীয় লাইনআপ  হচ্ছে প্লাটিনা২০০৬ সালে লঞ্চ হবার পর, প্লাটিনা প্রতি মাসে ৩০,০০০ এর বেশি ইউনিট বিক্রয় করে রেকর্ড করেছে

বাজাজ প্লাটিনা রিভিউ

বাজাজ প্লাটিনা ইঞ্জিন স্পেসিফিকেশন ও পারফরমেন্স

বাজাজ প্লাটিনা দুইটি ভিন্ন ইঞ্জিন সাইজে উপলব্ধ: ১০০ সিসি বা ১২৫ সিসি, যেটা ২০১২ সালে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। সবচেয়ে প্রচলিত ও সহজলভ্য প্লাটিনাকে পাওয়ার করে এয়ার-কুল্ড ৯৯.২৭ সিসি ৪ স্ট্রোক এস ও এইচ সি ইঞ্জিন যার সাথে আছে ডিজিটাল সিডিআই সিস্টেম যা আপনাকে দেয় ৭৫০০ আরপিএম এ ৮.২ হর্সপাওয়ার, আর ৪৫০০ আরপিএম এ ৮.০৫ নিউটন মিটার টর্ক। এই পাওয়ার আপনার বাইক এর গতিকে নিয়ে যায় সর্বোচ্চ ৯১ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে, আর ৮.০৮ সেকেন্ডে এটা ০ থেকে ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে পৌছাতে পারে। ৪ স্পিড কনস্ট্যান্ট মেশ ট্রান্সমিশন এর সাথে কানেক্ট করা চান ড্রাইভ প্রয়োজনীয় পাওয়ার পেছনের চাকায় পৌছে দেয়। প্লাটিনা ১২৫ এর জন্য বাজাজ এক্সসিডি এর ১২৫ সিসি ইঞ্জিন ব্যবহার করেছে, তাই এটার পাওয়ার আর স্পেসিফিকেশন বাজাজ এক্সসিডির সাথে মেলে।

প্লাটিনার টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক আর স্প্রিং-ইন-স্প্রিং রিয়ার সাসপেনশনের সাথে আছে ৫ স্পোক এলয় চাকা। এটার ট্যাঙ্ক এর ক্যাপাসিটি ১৩ লিটার আর বাজাজ দাবি করে যে মহাসড়ক অবস্থায় এটার ফুয়েল এফিসিয়েন্সি ৯৬ কিলোমিটার প্রতি লিটার। কিন্তু শহুরে অবস্থায়, প্লাটিনা চালকরা নিশ্চিত করেছেন যে সর্বোচ্ছ ফুয়েল এফিসিয়েন্সি ৬২ কিলোমিটার প্রতি লিটারের বেশি নয়। শেষ পর্যন্ত, এটার এখন পর্যন্ত শুধু কিক স্টার্ট অপশনে উপলব্ধ

বাজাজ প্লাটিনা ডিসাইন

কমিউটার মোটরসাইকেল হিসেবে স্টাইলিং আর ডিসাইন এর দিক থেকে প্লাটিনার ডিসাইন প্রেরণা নেয় ২০০৩ সালের বাজাজ কাওয়াসাকি উইন্ড ১২৫ থেকে। এটার সাইড প্যানেল, হেডল্যাম্প, সাইলেনসার আর গ্রাফিক্স এর ডিসাইন সরল ও পরিষ্কার। বাইকটির আছে রিডিসাইন করা আধুনিক ভাইসর ও হেডলাইট, কিন্তু পুরানো ঢং-এর ইন্ডিকেটর। সরল ধরনের রিয়ার কাউল আর গ্রাব রেল, ও তার সাথে নতুন গ্রাফিক্স একসাথে মিলে বাইকটির কমনীয়তা বাড়িয়ে তোলে। ক্রোম রঙের স্টিল প্লেট করা এক্সহস্ট বাইকটাকে দেয় স্লিক লুক। আরো সুবিধার জন্য ফিলার ক্যাপ হিঞ্জ এর সাথে দেয়া আছে পেট্রল ক্যাপ।

এলয় চাকা, ইঞ্জিন, এক্সহস্ট আর গ্রাব রেইল্সের জন্য প্লাটিনার আছে ব্লাক থিম, আর প্লাটিনার বডির জন্য উপলব্ধ কালার কম্বিনেশনগুলো হচ্ছে ব্ল্যাক ক্রোম, ফ্লেম রেড, আর ব্ল্যাক মেরুন। এটার সম্পূর্ণ খাড়াভাবে বসার অবস্থান আর হ্যান্ডেলবার চালককে দেয় আরামদায়ক যাত্রা। অন্যান্য সব বাজাজ মোটরসাইকেল থেকে এটার সীট সবচেয়ে বেশি লম্বা, যেটা চালক এবং যাত্রী, দুইজনকেই দেয় অনেক ভালো ব্যালান্স। এটার ফুট পেগ অনেক ভালোভাবে বসানো, যেন টানা ট্রাফিক জামে বসে থাকতে বা লম্বা সফরে পা বেথা না হয়ে যায়। তবুও উরুকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য এটার ট্যাঙ্কটা ইচ্ছাকৃতভাবে উঁচু জায়গায় রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশে বাজাজ প্লাটিনার মূল্য

বাজাজ প্লাটিনার মূল্য তালিকা নিচে দেয়া রইলো। কারমুডির তালিকার ওপর নির্ভর করে মূল্য বদলাতে পারে. নিচে গড় দাম দেয়া আছে:

বাজাজ প্লাটিনা ২০১৫ মূল্য: নতুন- ১,২৫,০০০ টাকা; ব্যবহৃত- ১,১০,০০০ টাকা  

বাজাজ প্লাটিনা ২০১৫ মূল্য: ব্যবহৃত- ১,০০,০০০ টাকা

বাজাজ প্লাটিনা ২০১৫ মূল্য: ব্যবহৃত- ৮০,০০০ টাকা

বাংলাদেশে বাজাজ প্লাটিনার উপলব্ধি

বাংলাদেশে আপনার অবস্থানের কাছে বাজাজ প্লাটিনা আপনি পেতে পারেন এখানে কারমুডিতে:

 

 

কেন কিনবেন বাজাজ প্লাটিনা?

বাজাজ প্লাটিনা বাংলাদেশে বেশ কিছু সময় ধরে আছে, আর ইতিমধ্যেই অল্প দামে উন্নত মানের স্টাইলিশ বাইকের এক নতুন স্ট্যান্ডার্ড গড়ে তুলেছে। এটার ফুয়েল ইকনমি এটার প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে অনেক ভালো। বাজারে এটার প্রতিযোগিতায় আছে হিরো স্প্লেন্দর প্লাস, টিভিএস ষ্টার সিটি প্লাস, এইচ এফ- ডিলাক্স, হোন্ডা ড্রিম নিও, হিরো এইচ এফ-ডন আর সুজুকি হায়াতে। বাজাজ প্লাটিনা কিনতে পারেন কারণ এর আছে :

 

  • ভালো এরোডাইনামিক
  • উন্নত ফুয়েল এফিসিয়েন্সি
  • মেইনটেইন করা খুব সহজ
  • সাশ্রয়ী মূল্য