: প্রস্তাবিত

BDT 195,000

আলমডাঙ্গা

Rose Forizy
  • 52 কিলোমিটার

সম্পুর্ন নিখুত গাড়ী। একহাতে ব্যবহৃত। গাড়ীর কালার Black with blue stiker. সম্পুর্ন শোরুম কন্ডিশনে আছে। গাড়ীর এখন পর্যন্ত কোন পার্টস্ পরিবর্তন করা হয়নি।

BDT 52,000

যশোর জেলা

Jamal Ahamad
  • 450 কিলোমিটার

৳ 52000 এ সুলভ মূল্যে পাচ্ছেন Green Bajaj Discover discover 2017 discover 125 for sell indin bike call me গাড়িটি । 450 কিমি মাইলেজ এবং Manual ট্রান্সমিশন সিস্টেম সমৃদ্ধ গাড়িটির এর চেয়ে সাশ্রয়ী মূ...

BDT 52,000

যশোর জেলা

Jamal Ahamad
  • 550 কিলোমিটার

Bajaj বহু বছর ধরে ভাল মান রাখার জন্য পরিচিত এবং এই গাড়িটিও তার ব্যতিক্রম নয়। Manual ট্রান্সমিশন সিস্টেম, অনন্য ফিচার এবং 550 কিমি মাইলেজে বিশিষ্ট এই গাড়িটির মূল্য মাত্র ৳ 52000, যা কিনা বাজারে ...

BDT 118,000 ড্রাইভ আও্যে

ঢাকা

Md Abrar
  • 40 কিলোমিটার

Used only for 9,500kms! Adds a special box including helmet, lock, bag holder and bike cover. Includes digital no. Plate along with digital registration certificate! Fitness will expire on 2025. ...

BDT 107,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

খুলনা

Hafiz Islam
  • 52,000 কিলোমিটার

sell bcoz buy a new bike

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাজাজ ডিসকভার মোটরসাইকেল বিক্রয়

বাংলাদেশে বাজাজ ডিসকভার মোটরসাইকেল বিক্রয়

বাংলাদেশ এবং ভারতে ডিসকভার হচ্ছে বাজাজের তৈরি একটি জনপ্রিয় মডেল। এই মডেলটি সর্বপ্রথম ২০০৪ সালে ভারতের বাজারে আসে এবং সেই থেকে সফলতার সাথে দেশে বিদেশে এটি বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বাজাজের এই মডেলটির ৪টি ভিন্ন ভার্শন যেমন- ডিসকভার ১০০ ডিটিএসআই, ডিসকভার ১২৫ ডিটিএসআই, ডিসকভার ১২৫ এসটি এবং ১৫০ ডিটিএসআই ইত্যাদি বাজারে সহজলভ্য। বাজাজ কোম্পানির মতে ডিসকভার দিচ্ছে বাজারে পাওয়া যায় এমন যেকোন ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের তুলনায় সবচেয়ে ভালো মাইলেজ।  

ডিসকভার মডেলের প্রথম সংস্করণের ইঞ্জিনের ক্ষমতা ছিল ১২৫সিসি। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে আরেকটি সংস্করণ বাজারে আসে ১১২সিসি ইঞ্জিন ক্ষমতা নিয়ে যার মাইলেজ ছিল প্রতি লিটার পেট্রোলে ১০১ কিলোমিটার। ২০০৭ সালে আরেকটি ভার্শন বাজারে আসে যার ইঞ্জিন ক্ষমতা হচ্ছে ১৩৫সিসি কিন্তু পরবর্তীতে ২০০৯ সাল থেকে সেটি আর উৎপাদিত হচ্ছে না। একই সময়ে বাজাজ নতুন একটি ভার্শন বাজারে নিয়ে আসে যার ইঞ্জিন ক্ষমতা হচ্ছে ১০০সিসি এবং ডিটিএসআই প্রযুক্তি সমৃদ্ধ। এটি বাজারে ব্যাপক সফলতা লাভ করে এবং মোটরসাইকেল প্রেমিকদের মাঝে সাড়া ফেলে দেয়। বাজাজ বর্তমানে তার পুরনো ভার্সন গুলো নিত্য নতুন প্রযুক্তি সহ আপগ্রেড করে বাজারে নিয়ে আসছে। এরপরও সাম্প্রতিক সময়ে বাজাজের ডিসকভার মডেলের চাহিদা বাজারে কিছুটা কমে এলেও বাংলাদেশের বাজারে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়ে তুলেছে কিছু সফল ব্র্যান্ড যেমন হিরো স্প্লেন্ডর, টিভিএস মেট্রো এবং হোন্ডা শাইন ইত্যাদি এর সাথে।

ডিসকভার ১৫০ এর কর্মদক্ষতা

যেহেতু আগেই বলা হয়েছে ডিসকভারের ৪টি আলাদা ভার্শন রয়েছে তাই এদের কর্মদক্ষতা একটি থেকে অন্যটি আলাদা। বাজাজের তথ্য মতে বাংলাদেশে ডিসকভার মডেলের মাত্র দুইটি ভার্শন পাওয়া যায় যেগুলো হচ্ছে ১৫০ ডিটিএসআই এবং ১২৫ এসটিনতুন ডিসকভার ১৫০ ডিটিএসআই মোটরসাইকেলে আছে ৪-স্ট্রোক বিশিষ্ট ১৪৪সিসি ডিটিএসআই ইঞ্জিন। এই এয়ার-কুলড ইঞ্জিনটি সর্বোচ্চ ১৩পিএস ক্ষমতা নিঃসরণ করতে পারে ৭৫০০ আরপিএম এ। আবার সর্বোচ্চ টর্ক হচ্ছে ১২,৭৫ এনএম যা ৫৫০০ আরপিএম এ অর্জন করা সম্ভব। এর সামনের চাকায় রয়েছে ২৪০ মিলিমিটার ডিস্ক ব্রেক এবং পিছনের চাকায় রয়েছে ১৩০ মিলিমিটার ড্রাম ব্রেক। বাইকটির সর্বোচ্চ গতি হচ্ছে প্রতি ঘণ্টায় ১০২ কিলোমিটার এবং ঘণ্টায় ০-৬০ কিলোমিটার গতি পেতে বাইকটির সময় লাগে মাত্র ৫,৩ সেকেন্ড। মোটরসাইকেলটির এই বৈশিষ্ট্য একই ধরণের অন্যান্য ব্র্যান্ডের বাইকের তুলনায় অনেক ভাল। মোটরসাইকেলটি খুব ভালো জ্বালানি সাশ্রয় করে এবং মাইলেজ হচ্ছে প্রতি লিটার জ্বালানি তেলে ৬০ কিলোমিটার।

বাজাজ ডিসকভার মোটরসাইকেলের ডিজাইন      

সমালোচকদের মতে বাজাজ ডিসকভার ১০০টি হচ্ছে ১০০সিসি মোটরসাইকেল বিভাগে সবচেয়ে সুন্দর মোটরসাইকেলবাজাজ তাদের সাম্প্রতিক ডিসকভার মডেলগুলোতে পাইলট ল্যাম্প যুক্ত করেছে যেগুলো এর সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এছাড়া এই মোটরসাইকেলের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর প্রতিটি ভার্সনে পিছনের ব্রেক লাইট হচ্ছে এলইডি এবং আরও রয়েছে কালো অ্যালোয় হুইল। এই মোটরসাইকেল গুলো বিভিন্ন রঙ এ বাজারে পাওয়া যায় এবং সাধারণত কালোর মধ্যে শেড থাকে। ডিসকভার মোটরসাইকেল গুলোতে সাধারণত বসার সিটটি বড় হয় যে কারণে এটিকে দেখতে বেশ বড় মনে হয়। এর ড্যাশবোর্ডটি ডিজিটাল এবং অ্যানালগের মিশ্রণ।

বাংলাদেশে ডিসকভার মোটরসাইকেলের দাম এবং প্রাপ্যতা

বাংলাদেশে যদিও বাজাজ ওয়েবসাইটে মাত্র দুটি ভার্শন সহজলভ্য, কিন্তু বাজারে বা বিভিন্ন ডিলারের কাছে ডিসকভার মডেলের সবগুলো ভার্শনই বেশ সহজলভ্য। এখানে ১০০সিসি এবং ১২৫সিসি মডেল দুটির সাথে কিছু ১৩৫সিসি মডেলও দেখতে পাওয়া যায়। এসব মোটরসাইকেল গুলির দাম সাধারণত নির্ভর করে ভার্শন এবং অবস্থার উপর। নতুন ১০০সিসি ডিসকভার কিনতে চাইলে আপনাকে খরচ করতে হবে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। আবার নতুন ১৩৫সিসি ডিসকভার কিনতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। নতুন মোটরসাইকেলের পাশাপাশি আপনি ব্যক্তিগত বিক্রেতাদের কাছ থেকে কিছুটা কম দামে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও কিনতে পারবেন।

ডিসকভার সম্পর্কে সামগ্রিক মতামত

বাজাজের তৈরি পালসার মডেলের পর ডিসকভার হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় মডেল। বাংলাদেশের মানুষ এই মোটরসাইকেলের পারফরমেন্স এবং মাইলেজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট এবং এর বড় সিট ব্যবহারকারিদেরকে দেয় আরাদায়ক চলার অনুভূতি। এছাড়া বাজাজ বাংলাদেশে দিচ্ছে ২ বছর বা ৩০,০০০ কিলোমিটার গ্যারেন্টি সুবিধা যা মোটরসাইকেল মালিকদেরকে সস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে সাহায্য করে।  

বাজাজ ডিসকভার সম্পর্কে কিছু তথ্য  

বাজাজের এই মডেলটি সম্প্রতি বিক্রির ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে আর তা হচ্ছে গত ১৫ মাসে প্রায় ১০০ লক্ষ নতুন ডিসকভার বিক্রি হয়েছে।