: প্রস্তাবিত

BDT 1,250,000 সি আই এফ (কার্গো, আমদানি, ভাড়া)

ঢাকা

German Dream
  • 40,000 কিলোমিটার

We export cars from Germany and England. We sell new and used cars (recondition). All our cars are checked and shipped to Bangladesh. We prefer to sell to dealers in Bangladesh. Private people ha...

BDT 1,250,000 সি আই এফ (কার্গো, আমদানি, ভাড়া)

ঢাকা

German Dream
  • 35,000 কিলোমিটার

We export cars from Germany and England. We sell new and used cars (recondition). All our cars are checked and shipped to Bangladesh. We prefer to sell to dealers in Bangladesh. Private people ha...

BDT 1,800,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Hasan Abdus Samad
  • 28,000 কিলোমিটার

Awesome pickup for a 1200cc and 3 cylinder car and brilliant fuel efficiency. Price is 18 lakhs negotiable. Serviced every year in Volkswagen Kolkata. No brokers please.

BDT 3,850,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Shawnmiah74 Shawnmiah74
  • 16,200 কিলোমিটার

VOLKSWAGEN JETTA 2012 MADE IN GERMANY, Model-2012, Registration-2012, CC: 1400 (Power: 3000 CC), SUNROOF, Serial : 33, Original Gray Color, Mileage: 16200, Run:- Uttara to Gulshan, 2 Seat...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
ভল্কসওয়াগন গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে ভল্কসওয়াগন গাড়ি বিক্রয়

জার্মান গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি ভল্কসওয়াগন ১৯৩৭ সালে ভলফসবুর্গে প্রতিষ্ঠা পায়। ভল্কসওয়াগন গ্রুপ খুবই বড় একটি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং এরা অডি, লাম্বরগিনি, বেন্টালি, বুগাত্তি, পোরশে, স্কোডা এবং সিয়াট প্রভৃতি ব্র্যান্ডের গাড়িও তৈরি এবং বিক্রি করে থাকে। এসব নাম দেখলেই অনুধাবন করা যায় কোম্পানিটি কত বড় মাপের। এইসব নন্দিত ব্র্যান্ড গুলির কারণে গাড়ির বাজারে ভল্কসওয়াগন গ্রুপ অনেক বড় শেয়ার দখল করে আছে। এই ব্র্যান্ডের তৈরি এমন কিছু মডেল রয়েছে যেগুলো ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পর পর চার বছর ভল্কসওয়াগন বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ গাড়ির খেতাব অর্জন করে। এই গাড়ির ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে বাংলাদেশেও এই ব্র্যান্ডের গাড়ি বাংলাদেশের গাড়ি প্রেমিকদের নজর কেড়েছে। এখানে এই ব্র্যান্ডের কোন অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর নেই। যেসব গাড়ি বাজারে পাওয়া যায় সেগুলো হয়তো ব্যবহৃত কিংবা রিকন্ডিশন অবস্থায়। তবে সাম্প্রতিক কালে কিছু কিছু ডিলার নতুন গাড়িও আমদানি করছে।

ভল্কসওয়াগন গাড়ির প্রযুক্তি এবং দক্ষতা

এই কোম্পানিটি গবেষণার কাজে প্রচুর পরিমাণে সময় এবং টাকা ব্যয় করে থাকে। গত সাত দশক ধরে কোম্পানিটি অটোমোবাইল সেকটারে প্রযুক্তির দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে। ভল্কসওয়াগনই সর্বপ্রথম ১৯৬১ সালে উইন্ডশিল্ড ভাইপার এবং ১৯৬৩ সালে প্লাস্টিক হেডলাইনিং প্রযুক্তি গাড়িতে প্রয়োগ করে। এই ব্র্যান্ডের গাড়ির আরেকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্থায়িত্ব যা তাদের বিক্রির পরিমাণ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে বহুগুণে। এই ব্র্যান্ডের বিটলস মডেল হচ্ছে স্থায়িত্বের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এই মডেলটির অনেক গাড়িই এখনো রাস্তায় চলতে দেখা যায় যা এই কোম্পানির গাড়ির স্থায়িত্বের কথায় প্রকাশ করে। এই ব্র্যান্ডের কিছু সাম্প্রতিক মডেল কোম্পানির কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন ইনফোটেইনমেন্ট, পারফরম্যান্স এবং জ্বালানি দক্ষতা ইত্যাদি তার গ্রাহকদেরকে দিচ্ছে।

বাংলাদেশে ভল্কসওয়াগন ব্র্যান্ডের জনপ্রিয় মডেলসমূহ

বর্তমান সময়ে ভল্কসওয়াগনের জনপ্রিয় মডেলগুলি হচ্ছে বিটল, আপ, ফক্স, পোলো, গলফ, জেটটা, পাসাত এবং ফাইটন। তবে বাংলাদেশে সকল মডেল পাওয়া যায়না। তবে তিনটি মডেল এখানে খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

ভল্কসওয়াগন বিটল

ভল্কসওয়াগন ব্র্যান্ডের এই মডেলটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয় এবং সর্বপ্রথম ১৯৩৮ সালে বাজারে আসে। গাড়ির ইতিহাসে এটিই একমাত্র মডেল যা দীর্ঘ সময় ধরে উৎপাদিত হয়েছে। এটি পুনরায় বাজারে আসার পর গ্রাহকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয়। এই দুই দরজা বিশিষ্ট চার সিটের কমপ্যাক্ট গাড়িটি তার স্টাইল এবং পারফরম্যান্সের জন্য সবার কাছে সমাদৃত। বাংলাদেশের উচ্চ বিত্ত শ্রেণীর মানুষের কাছে এটি শখের একটি গাড়ি হিসেবে বেশি পরিচিত।   

ভল্কসওয়াগন পাসাত

ভল্কসওয়াগনের পাসাত হচ্ছে একটি বড় আকারের পারিবারিক গাড়ি যা ১৯৭৩ সালে সর্বপ্রথম বাজারে আসে। ৬টি প্রজন্ম পার করে গাড়িটি বর্তমান অবস্থায় এসেছে। এই গাড়ির ভিতরে রয়েছে বিস্তৃত জায়গা যা আপনার পরিবারের চাহিদা পূরণ করবে। এই মডেলটি বিভিন্ন ইঞ্জিনে পাওয়া যায় এবং এর ডিজেল ইঞ্জিনসহ মডেলটি অনেক বেশি জ্বালানি সাশ্রয়ী। এই মডেলটি মান এবং দামের দিক থেকে খুবই কার্যকরী একটি মডেল হিসেবে সুপরিচিত।

ভল্কসওয়াগন সিসি

এই আরামদায়ক কুপ মডেলটি সর্বপ্রথম বাজারে আসে ২০০৮ সালে। চার দরজার সেডান গাড়িটি ২০১৪ সালে নতুন রূপে এবং আরও শক্তিশালী ইঞ্জিন নিয়ে বাজারে আসে। এই স্টাইলিশ গাড়িটি নানা ধরণের মানসম্পন্ন বৈশিষ্ট্যসহ সুলভ মূল্যে বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে ভল্কসওয়াগন গাড়ির দাম এবং প্রাপ্যতা

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে বাংলাদেশে এই ব্র্যান্ডের কোন অফিসিয়াল ডিলার নেই। সাধারণত ব্যক্তিগত এবং কিছু ডিলারগণ এই ব্র্যান্ডের গাড়ি বাংলাদেশে আমদানি এবং বিক্রি করে থাকে। আপনি দেশের বড় শহরগুলোতে নতুন, পুরনো কিংবা রিকন্ডিশন সকল প্রকারের ভল্কসওয়াগন গাড়িই খুঁজে পাবেন।

আকর্ষণীয় কিছু তথ্য

ভল্কসওয়াগন বিটল হচ্ছে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী গাড়ি এবং এ যাবৎ ২১,৫২৯,৪৬৪টি বিটল গাড়ি বিক্রি হয়েছে।