: প্রস্তাবিত

BDT 920,000

মৌলভীবাজার জেলা

Lurfurrahmanliton40 Lurfurrahmanliton40
  • 116,000 কিলোমিটার

Toyota supplies only the best quality vehicles and this vehicle is yet another example from their impressive fleet. This Toyota Lite-Ace kr42 1997 noah comes with a Automatic transmission system ...

BDT 1,300,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

TURBO AUTO
  • 1 কিলোমিটার

All auto option,  HID Headlamps, Optical meter, Retract winker Mirror,  Central lock,  Stylish Panel, Power steering, All original Manufacturers’ parts, Original body color, Fabric seat, Fresh in...

ফলাফল হালনাগাদ করুন

বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ি কিনুন

বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ি বিক্রয়

জাপানী গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা প্রতিনিয়ত বিশ্বজুড়ে অনেক ধরনের গাড়ি উৎপাদন এবং বিক্রয় করে থাকে। এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের গাড়ির বাজারে একচেটিয়া রাজত্ব করে চলেছে অনেক বছর ধরেই। গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে দেশের সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ ক্রেতারাও এই ব্র্যান্ডটিকে তাদের পছন্দের বাইরে রাখতে পারেনা। কেউ কেউ গাড়ির বাইরের লুক কিংবা বৈশিষ্ঠ্যকে প্রাধান্য দেয়, আবার কেউ বাজেটকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। কেউবা আবার চাই উভয়ের সংমিশ্রণ। যেসব গাড়ি প্রেমিকরা গাড়ির দক্ষতা এবং বাজেটের মূল্যায়ন করে থাকে তাদের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে থাকে টয়োটা ব্র্যান্ডটি। এই কারনে বাংলাদেশের বাজারে টয়োটার নতুন, পুরনো এবং বিশেষ করে রিকন্ডিশন গাড়ির কদর খুবই বেশি এবং দিন দিন সেটা বেড়েই চলেছে।

কি আছে টয়োটাতে?

১. টয়োটা গাড়ি তাদের জন্যই যথার্থ যারা কিনা গাড়ির মাইলেজ, দক্ষতা এবং অর্থের সঠিক মূল্যায়ন চান।

২. এই ব্র্যান্ডের গাড়ি সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য কারন বিক্রয় পরবর্তী সেবা ও গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশ সহজলভ্যতা। বাংলাদেশে সাধারণত জ্বালানী খরচ কমানোর জন্য গাড়ি সিএনজিতে পরিবর্তন করা হয়ে থাকে। পরিবর্তনের পর একমাত্র এই ব্র্যান্ডের গাড়িগুলোই সবচেয়ে ভাল সার্ভিস দিয়ে থাকে। এদের মাইলেজ এবং অন্যান্য সুবিধা মোটামুটি সাধারণ জ্বালানীর গাড়ির মতোই থাকে।

৩. বিশ্বব্যাপী টয়োটার যে খ্যাতি রয়েছে সেটাও এই গাড়ি পছন্দের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রায় ৮০ বছর ধরে টয়োটা বিশ্বের সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে একটি বিশ্বস্ততার প্রতীক। অন্যান্য বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান যেমন মার্সিডিজ বেঞ্জ, বিএমডাব্লিউ, হোন্ডা, ফোর্ড, জিএমসি, পোরশে ইত্যাদির সাথে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা করে এখনো সগর্বে  গাড়ির বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে।

প্রসিদ্ধ মডেলসমূহ

বাংলাদেশে রাস্তাঘাটে সাধারণত গাড়ি বলতে টয়োটাকেই দেখতে পাওয়া যায়। এদেশে টয়োটার অনেক মডেল জনপ্রিয় এবং মানুষ প্রতিনিয়ত সেগুলো ব্যবহার করছে। সাধারণ ব্যবহারের জন্য টয়োটা করল্লা, এলিওন এবং প্রিমিও খুবই জনপ্রিয়। জি করল্লা এবং করল্লা ২০০২, ২০০৪ ২০০৫ মডেল, এফ প্রিমিও ২০০৪ এবং ২০০১ মডেল গুলো বেশি চলতে দেখা যায়। কমদামী এবং বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী সাকসিড এবং প্রবক্স অনেকই কিনে থাকেন। এই গাড়িগুলো একদিকে যেমন যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা যায়, তেমনি মালামাল পরিবহণেও অনেক কার্যকর। এছাড়া সমাজের উচ্চ শ্রেণীর মানুষজন ল্যান্ড ক্রুইজার, হ্যারিয়ার, রাভ৪  এবং প্রাডো ইত্যাদি বেশি ব্যবহার করে থাকেন। এগুলো দামের দিক থেকে অন্যান্য গাড়ির তুলনায় একটু বেশি এবং দূরপাল্লার ভ্রমণের জন্য বেশি উপযোগী। বাণিজ্যিক কাজে কিংবা বড় বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ি বিক্রয়পরিবারের ক্ষেত্রে হাইএসনোয়া গাড়ি বেশি ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। রেন্ট-এ-কার ব্যবসায় সাধারণত এই মাইক্রোবাস গুলো ব্যবহার হয়ে থাকে। 

 

বাংলাদেশে টয়োটার অন্যান্য জনপ্রিয় মডেলগুল হল এক্সিয়, আইএসটি, ক্যারিনা, অ্যালফার্দ, আভানজা, পাসো, করোনা, ক্লুগার, ক্রাউন ইত্যাদি। 

টয়োটা এবং দেশের গাড়ির বাজার

দেশের যে স্থানেই যাওয়া যাক না কেন টয়োটা গাড়ি সর্বত্র চোখে পড়বে। সাধারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণী থেকে শুরু করে সমাজের উচ্চ শ্রেণী সবারই গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে এই ব্র্যান্ডটি সর্বপ্রথম পছন্দ। দেশের মানুষের এই চাহিদার উপর ভিত্তি করেই আমদানিকারকরা নানা মডেলের টয়োটা গাড়ি আমদানি করে থাকে। তবে এসব গাড়ির অধিকাংশই হচ্ছে রিকন্ডিশন। এর কারন হিসেবে বলা যায় গাড়ি আমদিনার ক্ষেত্রে প্রচলিত দেশের আইন এবং শুল্ক কাঠামো। চট্টগ্রাম এবং ঢাকার বিভিন্ন শোরুমে টয়োটার বিভিন্ন মডেলের অনেক গাড়ি বিক্রির জন্য দেখা যায়। এসব গাড়ির দাম সাধারণত নির্ভর করে তৈরির বছর এবং পূর্বে গাড়ি কতটা ব্যবহার হয়েছে তার উপর। মধ্যবিত্তের হাতের নাগালেই পাওয়া যায় একটি ভাল মানের রিকন্ডিশন গাড়ি। তবে ব্যবহৃত গাড়ির দাম আরও কম হয়ে থাকে। তবে সেক্ষেত্রে দেখে শুনে কিনতে হবে এবং গাড়ি সম্পর্কে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকা বাঞ্ছনীয়। তবে ঝামেলা এড়িয়ে রিকন্ডিশন গাড়ি কেনাটা প্রথমবারের মত গাড়ি ক্রেতাদের জন্য বেশি উত্তম। যাদের গাড়ি কেনা বাবদ বরাদ্দ একটু বেশি তাদের জন্য তো নতুন গাড়ি আছেই।