: প্রস্তাবিত

BDT 720,000

ঢাকা

MD SAYEM
  • 140,000 কিলোমিটার

Toyota Cami jeep Model - 2000, Reg - 2003, Black color, Sunroof, AC, CNG 90 liter, CD sound system, 1300 cc, EFI engine, spoiler, nickel bumper, retake mirror, tyre almost new, battery new, bumpe...

BDT 650,000

ঢাকা

Azharahmedemon Azharahmedemon
  • 42,000 কিলোমিটার

1 ti Toyota cami jeep sell kora hoba... Full fresh condition... Name change kora dawya hoba j gari ta kinba tar nam a... Chobi dakhla e bujhta parban... Gari tay new decoration kora hoyca 1 mash ...

BDT 665,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Arif Mahmood
  • 125,000 কিলোমিটার

Employed in leading Telecom Operator. Car: Toyota Cami Jeep. 1,300CC. Model: 01. Reg: 05. Color: Pearl Golden. Digital number plate. All papers in my name & up to date till Jul'17. Absolutely no ...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে টয়োটা ক্যামি বিক্রয়

বাংলাদেশে টয়োটা ক্যামি বিক্রয়

টয়োটা ক্যামি জাপানী গাড়ি নির্মাতা টয়োটার উৎপাদনকৃত একটি মিনি এসইউভি (স্পোর্টস উইটিলিটি ভেহিকল)। ১৯৯৯ সালে এটা শুধুমাত্র জাপানী বাজারে বাজারজাত করা হয়। টয়োটা ক্যামির সিস্টার মডেলদের মধ্যে আছে দায়হাট্‌সু তেরীয়স, দারিও তেরীয়স এবং দায়হাট্‌সু তেরীয়স কিড। টয়োটা ক্যামির উত্তরাধিকারী টয়োটা রাশ, যেটা দায়হাট্‌সুর সাথে মিলে ডেভেলপ করা হয়। ২০০৫ সালে টয়োটা ক্যামি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

টয়োটা ক্যামি রিভিউ

টয়োটা ক্যামি স্পেসিফিকেশন

টয়োটা ক্যামির আছে ফ্রন্ট ইঞ্জিন অল উইল ড্রাইভ (AWD)। আরও আছে ৪ সিলিন্ডার ১৬ ভাল্ভ (ইনলাইন), ডিওএইচসি (ডাবল ওভারহেড ক্যামশ্যাফট, টুইন ক্যাম) ১.৩ লিটার টার্বো ইঞ্জিন যেটা আপনাকে দেয় ১৪০ হর্সপাওয়ার আর ১২৩ নিউটন মিটার টর্ক। ক্যামির ইঞ্জিন ক্ষমতা ১৪৯৫ সিসি। ক্রেতারা নিজের পছন্দ মত ৫ স্পিড ম্যানুয়াল অথবা ৪ স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশন বেছে নিতে পারেন। এটার ইঞ্জিন ভলিউম ১২৯৭ কিউবিক সেনটিমিটার আর ফুয়েল ট্যাঙ্ক ক্ষমতা ৪৬ লিটার। এটা শুধু পেট্রল ইঞ্জিন এ উপলব্ধ আর শহুরে অবস্থায় এটার ফুয়েল কনসাম্পশন প্রতি ১০০ কিমি তে ৭.৪ লিটার

টয়োটা ক্যামি বাহিরের ডিসাইন

টয়োটা ক্যামি ৫ দরজার জীপ্ টাইপ কূপ গাড়ি। বাহিরে আছে ঘর্ষণ-প্রতিরোধক পলিপ্রপাইলিন বাম্পার। কোনো দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এটার বনেটের ডিসাইন উন্নত করা হয়েছে। এর হেডলাইট আর ফগলাইট পলিকার্বনেট থেকে তৈরী, যেন ফেইড বা ক্রেকিং না হয়। এটার রিয়ার স্টপ লাইট অনেক উঁচুতে বসানো, যেন গাড়ি থামানোর সময় পেছনের জায়গাটা আরও ভালোভাবে দেখা যায়। বুট এরিয়া আরও প্রশস্ত করার জন্য এক্সট্রা চাকাটা যানের বাহিরে রাখা হয়েছে।

টয়োটা ক্যামি অন্দর ডিসাইন

টয়োটা ক্যামির অন্দরটা বিলাসবহুল আর অত্যন্ত আরামদায়ক, আর ভেতরে ইলেক্ট্রনিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা একটি এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম আছে। ইঞ্জিন এর যখন বেশি পাওয়ার এর প্রয়োজন হয় তখন এয়ার কন্ডিশনিং আপনা আপনিই বন্ধ হয়ে যায়। আরও অন্যান্য ফীচার্স এর মধ্যে আছে স্টোরেজ কম্পার্টমেন্ট, কাপ হোল্ডার, আর সিডি/রেডিও সিস্টেম। পেছনের সীটগুলোকে ভাঁজ করে সামনে আনা যায়। এটার দরজাগুলো অনেক চওড়া ভাবে খোলে, যেন যাত্রী ওঠা নামা করতে কোনো অসুবিধে না হয়।

টয়োটা ক্যামি নিরাপত্তা ফীচার্স

যাত্রী এবং চালকের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য টয়োটা ক্যামির আছে এবিএস ব্রেক সিস্টেম, ফিটেড ডুয়াল এয়ারব্যাগ, স্টিয়ারিং উইল যেটা ব্রেক করলে রিকয়েল ব্রেক প্যানেল দেখা যায়।

বাংলাদেশে টয়োটা ক্যামির মূল্য

বাংলাদেশে ব্যবহৃত বা সেকেন্ড হ্যান্ড ক্যামি কিনতে পারেন। ব্যবহৃত ক্যামির মূল্য ৯,০০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। নিচে কারমুডির লিস্টিং অনুযায়ী নির্মান সালের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে টয়োটা ক্যামির মূল্য নিচে দেয়া রইলো। এই দাম ভেতর আর বাহিরের অবস্থা, মাইলেজ এবং অ্যাড-অনস এর ওপর নির্ভর করে বদলাতে পারছ।

টয়োটা ক্যামি ২০০৫ মূল্য: ব্যবহৃত - ১০,৫০,০০০ টাকা

টয়োটা ক্যামি ২০০১ মূল্য: ব্যবহৃত - ৯,১০,০০০ টাকা

টয়োটা ক্যামি ২০০০ মূল্য: ব্যবহৃত - ৯,৮৫,০০০ টাকা

কেন কিনবেন টয়োটা ক্যামি?

ক্যামির একটা স্পোর্টি লুক আছে যেটা তরুণ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে ডিসাইন করা হয়েছিল। এটা ডিসাইন আর উৎপাদন করা হয় আরাম আর নিরাপত্তা মাথায় রেখে। দুরত্ব যতই হোক না কেন, ক্যামি একটি আরামদায়ক ও নিরাপদ যাত্রার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই মিনি এসইউভি ক্যাটাগরির অন্যান্য গাড়িগুলো হচ্ছে হোন্ডা সিআর-ভি, কিয়া স্পোর্টেজ, আর টয়োটা রাশ। টয়োটা ক্যামি কিনবেন কার এর আছে:

  • ভালো ফুয়েল এফিসিয়েন্সি
  • অতি প্রশস্ত অন্দর
  • স্পেয়ার পার্টস সহজেই উপলব্ধ
  • উন্নত নিরাপত্তা ফীচার্স
  • নির্ভরযোগ্যতা আর উন্নত পারফরমেন্স এর প্রতিশ্রুতি