: প্রস্তাবিত

BDT 1,100,000

ঢাকা

Mahtab_hossain6230 Mahtab_hossain6230
  • 100,500 কিলোমিটার

Urgent sell. Paper 5 month fail. Previously it's driven by petrol now converted to diesel toyota 2L turbo charge engine. Leater interior. 7 seat.

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে স্যাংইয়ং গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে স্যাংইয়ং গাড়ি বিক্রয়

স্যাংইয়ং মোটর কোম্পানি কিংবা স্যাংইয়ং মোটর হচ্ছে দক্ষিন কোরিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম গাড়ি উৎপাদনকারী। এটি প্রথমে দক্ষিন কোরিয়ান কনগ্লোমারেট স্যাংইয়ং গ্রুপের মালিকানাধীন ছিল, যা কিনা বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করতো। ‘স্যাংইয়ং’ শব্দটি কোরিয়ান ভাষায় দাঁড়ায় ড্রাগন যুগল হয়ে।

এটি প্রথমে ডং-এ মোটরস নামে পরিচিত ছিল, কিন্তু ১৯৮৬ সালে স্যাংইয়ং বিজনেস গ্রুপ কিনে নেয় কোম্পানিটি এবং এটির নাম পরিবর্তন করে। অনেকেই এতে আগ্রহ প্রদর্শন করাতেই এটি বিক্রি হয়ে যায়। ডেউ মোটরস ১৯৯৭ সালে কোম্পানির সিংহভাগ শেয়ার কিনে নিয়েছিল, যদিও তারা কয়েক বছর বাদেই আরেক কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেয়। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে মহিন্দ্রা লিমিটেড এই কোরিয়ান কোম্পানির সিংহভাগ শেয়ার কিনে নেয়।

স্যাংইয়ং গাড়ি উৎপাদন

স্যাংইয়ং মোটর কোম্পানির উৎপাদন হয় দক্ষিন কোরিয়া এবং রাশিয়াতে। এই কোরিয়ান কোম্পানি নানান ধরনের গাড়ি উৎপাদন করে, বিশেষ করে এসইউভি। তারা বিভিন্ন ধরনের এসইউভি উৎপাদন করে এসেছে গত কয়েক বছর ধরে। তাছাড়া তারা ভিন্ন ভিন্ন সেডান, বিলাসবহুল গাড়ি এবং বাণিজ্যিক গাড়ি উৎপাদন করে থাকে। এমনকি তারা ডেইমলার-বেঞ্জের সাথে একীভূত হয়ে কয়েক বছর ধরে বাণিজ্যিক ট্রাম উৎপাদন করেছে।

বাংলাদেশে জনপ্রিয় স্যাংইয়ং গাড়ি

স্যাংইয়ং অ্যাক্টন

স্যাংইয়ং অ্যাক্টন হচ্ছে একটি কম্প্যাক্ট স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকল (এসইউভি) যা কিনা ২০১১ সালে উন্মোচিত করা হয়েছিল এবং তার দ্বিতীয় প্রজন্মে আছে।অ্যাক্টন’ নামটি এসেছে “অ্যাকশন” এবং “ইয়ং” শব্দ দুটি জোড়া দিয়ে। গাড়িটি ওয়াগন বা পিকআপ ট্রাক (অ্যাক্টন স্পোর্টস) হিসেবে পাওয়া যায়। এটি ২ হুইলড্রাইভ এবং ৪ হুইলড্রাইভে.৩ লিটার (প্রায় ২২৯৫ সিসি) ওভারহেড ক্যাম ৪-সিলিন্ডার পেট্রল ইঞ্জিনে পাওয়া যায় যা কিনা ১৪৮ হর্সপাওয়ার এবং ২১৪ টর্ক উৎপাদন করে, কিংবা এক তৃতীয় প্রজন্মের কমন রেইল ভিজিটি টার্বো ডিজেল ইঞ্জিন যা কিনা ২০৩ হর্সপাওয়ার এবং ৩৬০ টর্ক উৎপাদন করে থাকে। ৬-স্পিড ম্যানুয়াল কিংবা ৬-স্পিড অটোম্যাটিক ট্রান্সমিশন থেকে বেছে নেয়ার সুবিধা আছে। এই এসইউভি ৭.৯লিটারে ১০০ কিমি ভ্রমন করবার ক্ষমতা দেয়। সবশেষে, স্যাংইয়ং অ্যাক্টনের দাম বাংলাদেশে ৩৫,৫০,০০০টাকা থেকে শুরু হয়।

স্যাংইয়ং কোরান্ডো

কোরান্ডো হচ্ছে স্যাংইয়ং ব্র্যান্ডের আরেকটি স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকল (এসইউভি) যা ১৯৮৩ সালে বাজারজাত করা হয় এবং এর তৃতীয় প্রজন্ম চালাচ্ছে এখন আর কিয়া স্পোর্টেজের মতন এসইউভির সাথে পাল্লা দেয়। এটি ১৯৯৮সিসি ১৬ভি ইনলাইন ৪-সিলিন্ডার টার্বো ডিজেল ইঞ্জিনের সাথে আসে যা ১৪৯ হর্সপাওয়ার উৎপাদন করে ৩৪০০-৪০০০ আরপিএম গতিতে। এটির ৬-স্পিড ম্যানুয়াল অল-হুইল ড্রাইভ এই গাড়িকে ০-১০০কিমি গতি মাত্র ৯.৯ সেকেন্ডে তুলতে সাহায্য করে এবং এর সর্বোচ্চ গতি হচ্ছে ঘন্টায় ১৮৭ কিমি। এটি আরো দিয়ে থাকে একটি প্রশস্ত কেবিন। বাংলাদেশে স্যাংইয়ং কোরান্ডো এর মূল্য শুরু হয় ৪১,৫০,০০০ টাকা থেকে।

স্যাংইয়ং রেক্সটন

স্যাংইয়ং রেক্সটন হচ্ছে একটি মাঝারি আকারের স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকল (এসইউভি) যা ২০০১ সালে বাজারজাত করা হয়। এটি এর দ্বিতীয় প্রজন্মে  আছে এখন, এবং মার্সিডিজ বেঞ্জ এম-ক্লাস ডব্লু-১৬৩ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার জন্য সুপরিচিত। আন্তর্জাতিক বাজারে এটি ২ লিটার (প্রায় ২০০০সিসি) ৪-সিলিন্ডার ডিজেল ইঞ্জিন সহকারে আসে যা কিনা ১৫৪ হর্সপাওয়ার এবং ৩৬০ টর্ক উৎপাদন করে। এসইউভি হিসেবে এটি ৭.৮ লিটারে ১০০ কিমি ভ্রমন করবার ক্ষমতা দেয়। এটি শান্তভাবে চলাচল করে সড়কে এবং কাঁচা বা ভাঙ্গা রাস্তায়ও ভাল পারফর্মেন্স দিয়ে থাকে। এর অন্দর সহজেই ৫-৭ জন প্যাসেঞ্জার বহন করতে পারে।  

বাংলাদেশে স্যাংইয়ং গাড়ির প্রাপ্যতা

মিলেনিয়াম স্যাংইয়ং মোটরস লিমিটেড বাংলাদেশে স্যাংইয়ং গাড়ির পরিবেশক। আপনি নতুন স্যাংইয়ং গাড়ি সহজেই কিনতে পাবেন, যেহেতু স্যাংইয়ং ব্র্যান্ডটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে তার আকর্ষণীয় রূপ এবং মানানসই দামের কারনে।