: প্রস্তাবিত

BDT 1,400,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

sabbir anwar
  • 153,617 কিলোমিটার

Nissan Patrol, 7 Seater three Rows Seat, Special 4 different (Siren and External PA system Fitted), Tires New, Fitness and Tax up to Date, no accident history or any other problem, new Suspension...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে নিশান পেট্রল বিক্রয়

বাংলাদেশে নিশান পেট্রল বিক্রয়

নিশান পেট্রল একটি ফুল সাইজ এসইউভি যা তার বিরাট আকার এবং অফ-রোডিং সামর্থ্যর জন্য বিখ্যাত। এই বিরাট আকারের সাত-সিট বিশিষ্ট, পাঁচ-দরজার এসইউভি তার নেমপ্লেটে “সুপার সাফারি” যুক্ত করে নিজেকে “হিরো অফ অল টেরেইন” নামের প্রচার করে। নিশান এই পেট্রল সিরিজটি শুরু করেছিল ১৯৫১ সালে তিন দরজার কম্প্যাক্ট এসইউভি এবং দুই দরজার পিকআপ ট্রাক দিয়ে।

বাংলাদেশে নিশান পেট্রল সাধারণত পুলিশের টহল গাড়ি হিসেবে কিংবা অন্যান্য সরকারি কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি বর্তমানে শুধুমাত্র ফোরএক্সফোর ড্রাইভট্রেনবিশিষ্ট ৩ লিটার টার্বো ডিজেল অটোম্যাটিক ইঞ্জিনে পাওয়া যায়। রয়েল এলই ট্রিম ব্যবহার করে একটি ৫.৬ লিটারের ভি৮ এ/টি সুপার সাফারির ভিন্ন মডেল যা কিনা ৪.৮ আই ভি৬ এ/টি ব্যবহার করে, যা এখন কেবল মাত্র পুরনো মডেলগুলোয় পাওয়া যায়।

নিশান পেট্রলের রিভিউ

নিশান পেট্রল পারফর্মেন্স এবং ইঞ্জিনের বিস্তারিত বর্ণনা

নিশান পেট্রল একটি ৩ লিটার টার্বোচার্জড ডিজেল ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হয়, যা ৩৫৪ নিউটন মিটার টর্ক এবং ১৫৮ হর্সপাওয়ার উৎপাদন করে। এই বিশাল যানটি ১৮ সেকেন্ডে ০-১০০কিমি গতিতে পৌছাতে পারে এবং তার এক্সেলারেশন তুলনামুলক কম। নিশান পেট্রলকে জ্বালানীখোর নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে কারন সে লিটারে ৬-৮কিমি পাড়ি দিতে পারবে।

নিশান পেট্রল চালিত হয় একটি ৪ লিটার ডিওএইচসি, ২৪ ভাল্ভ-বিশিষ্ট ভি-সিক্স ডিজেল ইঞ্জিন দ্বারা যা কিনা ২৪৮ হর্সপাওয়ার এবং ৪২০ নিউটন মিটার টর্ক উৎপাদন করে। ৫.৬ লিটারের ডিওএইচসি, ৩২ ভাল্ভ-বিশিষ্ট ভি-এইট ইঞ্জিনের মডেলটি অবিশ্বাস্য ক্ষমতার পরিচয় দেয় ৩১২ হর্সপাওয়ার৫২৬ নিউটন মিটার টর্ক উৎপাদন করে। ইদানীং নিশান এই সিরিজের পাওয়ারট্রেন বাদ দিয়ে দিয়েছে যেন এটি অন্যান্য ৩লিটার এসইউভিদের সাথে আরো ভাল প্রতিযোগিতা দিতে পারে। এটির মান বেশ উন্নত হয়েছে ইঞ্জিন স্টার্টার কাট এবং ইউআইসিকেএন২ এন্টি-থেফট সিস্টেম ব্যবহার করাতে।

নিশান পেট্রলের ডিজাইন

নিশান পেট্রল নির্মাণ করা হয়েছে বডি-অন-ফ্রেম কাঠামো ব্যবহার করে। একটি ৩-লিঙ্ক কয়েল টাইপ ফ্রন্ট সাস্পেনশন ও ৫-লিঙ্ক কয়েল টাইপ রিয়ার সাস্পেনশন তার উপর দেয়া হয়েছে। এটির বিরাট আকার পথেঘাটে একটি অনন্য উপস্থিতির জানান দেয়। এটিকে আরও পৌরুষত্ব দীপ্তিমান করতে পেছনে ১৮ ইঞ্চি রেডিয়াল এলয় চাকা, বিরাট রিয়ার কম্বিনেশন ল্যাম্প, ও কাস্টম ফিট স্পেয়ার টায়ার কাভার আছে।

নিশান পেট্রলের অন্দরসজ্জা

ভেতরে নানা আসনের লেদারের সিট, একটি ৭-ইঞ্চি মনিটর, কাপ-হোল্ডার, অডিও কন্ট্রোল পাওয়ার স্টিয়ারিং হুইল্র, ৬-স্পিকার অডিও সিস্টেম আছে। এটির অভিনব ইন্সট্রুমেন্ট প্যানেল জিপিএস সিস্টেমযুক্ত এবং একটি অপূর্ব সুন্দর কাঠের ড্যাশবোর্ডের সম্মিলন গঠিত।

বাংলাদেশে নিশান পেট্রলের প্রাপ্যতা এবং মূল্য

নতুন নিশাল পেট্রল কেবলমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি হিসেবে পাওয়া যায় বাংলাদেশে। তাই নতুন নিশান পেট্রল পাওয়া বেশ কঠিন। কিন্তু কারমুডিতে আপনি ১৯৯৬ সাল থেকে ব্যবহৃত নিশান পেট্রলের বিভিন্ন মডেল পাবেন। কারমুডিতে বিক্রয়ের জন্য ব্যবহৃত নিশাল পেট্রল গাড়িগুলো ১৬ লাখ টাকা থেকে শুরু হয় এবং দামের পরিবর্তন হয় উৎপাদন সাল, ট্রিম লেভেল, এবং মাইলেজের উপর ভিত্তি করে। নিচে মূল্যের একটি সাধারন তালিকা দেয়া আছে:

নিশান পেট্রল ১৯৯৪ মূল্য: ব্যবহৃত – ১৫ লাখ টাকা  

নিশান পেট্রল ১৯৯৬ মূল্য: ব্যবহৃত – ১৩.৭৫ লাখ টাকা

নিশান পেট্রল ১৯৯৭ মূল্য: ব্যবহৃত – ২১.৫ লাখ টাকা

কেন আপনি নিশান পেট্রল কিনবেন?

নিশান পেট্রল অফ-রোডারদের একটি প্রজন্মকে উৎসাহিত করেছে। এটি প্রচুর জ্বালানী অপচয় করে থাকে, এবং বিগত দশক যাবত তেল-গ্যাসের ও অন্যান্য কাঁচামালের দাম বাড়তে থাকায় এটি সরকারি কাজ ছাড়া আর কোথাও বেশি দেখা যায় না। সড়কে এটির একটি রাজকীয় ভাব আছে এবং এটির ভেতরে বিলাসের নানান সুবিধা আছে। নিশান পেট্রল বেশ কিছু কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী যেমন মিতসুবিশি পাজেরো, টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার, ও জিপ র‍্যাংলার বাংলাদেশ পাওয়া যায়।

বলতে গেলে, যেসব গাড়িপ্রেমিকরা শহরের বাইরে অ্যাডভেঞ্চারে যেতে আগ্রহী, তাদের জন্যই নিশান পেট্রল তৈরি হয়েছে, কারন এর :

  • আরামদায়ক অন্দর
  • জ্বালানী-সাশ্রয়ী ইঞ্জিন
  • অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি
  • অন্য গাড়িকে ‘টো’ করার ক্ষমতা