: প্রস্তাবিত

BDT 750,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

N B CARS
  • 57,846 কিলোমিটার

Car Name : Mitsubishi Lancer GLX Model : 2007 Registration : 2007 Serial : 19 Engine : 4 Cylinder Engine Capacity : 1600 cc Transmission : Automatic Color : Blue Fuel System : Octane ...

BDT 975,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Mexitex
  • 64,000 কিলোমিটার

MITSUBISHI LANCER GLX Saloon car with all power/auto options. SUN ROOF, Color: Silver, Seating Capacity: 5 persons, Tip Top Condition. Manufactured By:Mitsubishi Motor Corporation, Japan

BDT 400,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Sharifdpl Sharifdpl
  • 208,968 কিলোমিটার

self drive ac running

BDT 550,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Mahmud Shamsi
  • 321,993 কিলোমিটার

Up for sale is a Mitsubishi Lancer GLX 2006 bought brand new from RANGS Motors in 2006. Self-driven, car in good condition; buyer can perform all upgrades and maintenance as per choice, parts rea...

BDT 1,980,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Banani

M. S. M Car center
  • 12,139 কিলোমিটার

Mitsubishi Lancer EX (Elegant Package) Model: 2011 REG: 2011 Nov Mileage: 12838km Rockford fosgate Sound system 4 speakers, 2 tweeters, 1 subwoofer Sunroof Spoiler Dual Exhaust Bodykit...

BDT 380,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

হাটহাজারী

Abdulasif758 Abdulasif758
  • 65,000 কিলোমিটার

this car is fully fresh.just buy and drve.

BDT 700,000

Gulshan Model Town

Vashkar Nazm
  • 30,000 কিলোমিটার

Used recon Lancer GLX very fast acceleration. True sports car with body kitted. This car is the perfect match of your findings. Grab this deal and drive your desired car before it is out of stock...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে মিট্সুবিশি ল্যানসার বিক্রয়

বাংলাদেশে মিট্সুবিশি ল্যানসার বিক্রয়

১৯৭৩ সালে মিট্‌সুবিশি একটি স্বশাসিত গাড়ির সেগমেন্ট, “কম্প্যাক্ট সেডান” তৈরী করে। প্রথম ল্যানসার ছিল ১৯৭৩ সালের ফেব্রুয়ারীতে মুক্তি পাওয়া একটি “এ-৭০”। ১৯৭৩ থেকে ২০০৮ এর মধ্যে মিট্‌সুবিশি প্রায় ৬ মিলিয়ন গাড়ি বিক্রি করে, আর গাড়ির বাজারে নতুন যুগের বিবর্তন তুলে ধরে। ল্যানসারের প্রথম শ্রেনীর অভিজাত আর বিলাসবহুল ডিসাইন মিট্‌সুবিশিকে প্রচুর সাফল্য এনে দেয়। বর্তমান মডেলের পূর্বে মিট্‌সুবিশির আরও ৯টি মডেল বাজারে আসে। ল্যানসারের প্রাযুক্তিক উন্নতি, নতুন ফীচার্স আর স্বল্প রক্ষনাবেক্ষনের খরচের কারণে এটা সহজেই স্থানীয় বাজারে টয়োটা এলিয়ন আর প্রিমীয়র জায়গা নিতে সক্ষম হয়। ২০০৭ এ ল্যানসার ইএক্স মুক্তি পাবার পর বাঙালদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই গাড়ি অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

মিট্‌সুবিশি ল্যানসার রিভিউ

মিট্‌সুবিশি ল্যানসার পারফরমেন্স ও ইঞ্জিন স্পেসিফিকেশন

বর্তমান লাইন-আপের মধ্যে আপনি ২টি ইঞ্জিন অপশন পেতে পারেন: ১.৬ লিটার ১৬ ভাল্ভ, ডিওএইচসি মিভেক গাসলীন ইঞ্জিন যেটা আপনার গাড়িকে দেয় ১১৫ হর্সপাওয়ার আর ১৫৪ নিউটন মিটার টর্ক, আর একই ধরনের ২.০ লিটার ইঞ্জিন যেটাতে করে আপনি পাবেন ১৪৮ হর্সপাওয়ার আর ১৯৯ নিউটন মিটার টর্ক।

১.৬ লিটার ইঞ্জিন যুক্ত গাড়িগুলো ল্যানসার ইএক্স নেমপ্লেটের অধীনে বিক্রয় হয় আর ২.০ লিটার ইঞ্জিনের গাড়ি বিক্র হয় ল্যানসার ইএক্স জিটি-এ নামে। দুইটি গাড়িরই মহাসড়ক অবস্থায় ফুয়েল কনসাম্পশন ১৮ থেকে ২০ কিলোমিটার /লিটার

মিট্‌সুবিশি ল্যানসারের ডিসাইন

মিট্‌সুবিশি এই গাড়ির প্রথম প্রজন্মের সব ভুল ত্রুটি ঠিক করবার পর দ্বিতীয় প্রজন্ম বাজারজাত করে ১৯৭৯ সালে। নতুন গাড়িটার অন্দর ছিল আরও প্রশস্ত , আর এটার চেহারা হয়ে ওঠে আরও এগ্রেসিভ, যেটাতে ছিল “শার্কনোজ” ফ্যাশিয়া। ইঞ্জিনের পাওয়ার আর টর্ক বেড়ে যাওয়ার কারণে এটার হ্যান্ডলিং-ও আরও উন্নত হয়ে ওঠে।

মিট্‌সুবিশি চেয়েছিল যে গাড়িটার রেস করার ক্ষমতার সাথে সামাঞ্জস্য রাখতে আরও “এজি” আর “স্পোর্টি” লাগে দেখতে। ল্যানসার ইএক্স এর বেস মডেলে আছে ইউনিবডি ডিসাইন যার সাথে আছে স্ট্যাবিলাইজার বার সহ ম্যাকফার্সন স্ট্রাট কয়েল স্প্রিং। আর এটার পেছনে আছে মাল্টি-লিংক সাসপেনশন। এর পাশাপাশি ল্যানসার মিটসুবিশির রিইনফোরস্ড ইমপ্যাক্ট সেফটি ইভলুশন ( রাইজ ) গঠনকে আপন করে নিয়েছে।

ল্যানসারের অন্যতম ফীচার্স 

ল্যানসার গাড়ির বাজারে সবচেয়ে আরামদায়ক গাড়িগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া এটার মূল্য অনুযায়ী এটার মান অনেক উন্নত। নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলোনায় এটার ইঞ্জিনের পাওয়ার আর পারফরমেন্স একটু কম হলেও, এটার অন্দর আরও অনেক প্রশস্ত, বিশেষ করে পেছনের সীটের যাত্রীদের জন্য। ল্যানসারের কিছু কিছু ভ্যারিয়েন্ট এই কমতিটুকুও পূরণ করে আপনাকে দেয় শক্তিশালি ইঞ্জিন আর শক্ত সাসপেনশন, যেটা সেগুলোকে রেসিং এর জন্য যথাযথ করে তোলে। মিট্‌সুবিশি ল্যানসার রালিয়ার্টকে স্পোর্টস টিউন করলে এটা অসাধারণ ইঞ্জিন পারফরমেন্স দেয়।

মিট্‌সুবিশি ল্যান্সারের নিরাপত্তা ফীচার্স

এবিএস, ইবিডি আর ব্রেক অস্সিস্টের সাথে মিট্‌সুবিশি ল্যানসার হয়ে উঠেছে অত্যন্ত নিরাপদ। গাড়িতে আরও আছে ডুয়াল স্টেজ ফ্রন্ট এসআরএস এয়ারব্যাগ, আর সামনের আর পেছনের যাত্রীদের জন্য প্রিটেনশোনার সীট বেল্ট সহ ৩পি ইএলআর। আরও আছে সাইড ইমপ্যাক্ট বীম আর চাইল্ড লক।

বাংলাদেশে মিট্‌সুবিশি ল্যানসারের উপলব্ধি এবং মূল্য

ল্যানসার আপনি ৩ রকম অবস্থায় পেতে পারেন: ব্যাবহৃত, রিকন্ডিশন করা এবং নতুন। বিভিন্ন মডেল আর প্রজন্মের ওপর নির্ভর করে ব্যবহৃত বা রিকন্ডিশন করা ল্যানসার পেতে পারেন ৮,০০,০০০ থেকে ২২,০০,০০০ টাকার মধ্যে। ল্যান্সারের সবচেতে জনপ্রিয় মডেল ইএক্স নতুন অবস্থায় কিনতে চাইলে ক্রেতাদের খরচ পড়তে পারে প্রায় ৩০,০০,০০০ টাকার মত

কেন কিনবেন মিট্‌সুবিশি ল্যানসার?

টয়োটা ব্র্যান্ডের বাইরে যাত্রীবাহী গাড়িদের মধ্যে মিট্‌সুবিশি ল্যানসার সবচেয়ে জনপ্রিয় ছোট পারিবারিক গাড়িগুলোর মধ্যে একটি। এটার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে আছে টয়োটা এলিয়ন আর মাজদা এগ্জেলা

ক্রেতারা মিট্‌সুবিশি ল্যানসার ভালবাসেন কারণ:

  • নির্ভরযোগ্যতার লম্বা ইতিহাস
  • অন্যতম সর্বোচ্চ গতি আর ত্বরণ
  • আরামদায়ক, প্রশস্ত অন্দর
  • চমত্কার ড্রাইভিং আর হ্যান্ডলিং অভিজ্ঞতা

ল্যানসারের ব্যাপারে মজার তথ্য

হলিউডের মার্শাল আর্টস তারকা জ্যাকি চ্যান তাঁর ১৯৯৮ সালের ছায়াছবি “হু এম আই?” তে মিট্‌সুবিশি ল্যানসার ইভো ৪ ব্যবহার করেন।