: প্রস্তাবিত

BDT 760,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

HILLTEX'S AUTO
  • 27,000 কিলোমিটার

MITSUBISHI HI-JET COVER VAN,MODEL-2012,WHITE COLOR,CC-660,AUTO GEAR,350KG.

BDT 750,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Farhaz Muhammad
  • 45,000 কিলোমিটার

With all up to date Papers. CNG converted. And looking for a quick sell. Feel free to contact for any query.

BDT 1,190,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Chittagong

Auto Trade Link Bd
  • নতুন

AC,PS,PW,MANUAL GEAR,YEAR 1998,4210CC,CAPACITY:2000 KG. This vehicle is the perfect match of your findings. Grab this deal and drive your desired vehicle before it is out of stock. If you want to...

দাম জানুন

Chittagong

3 Star Automobiles
  • নতুন

This vehicle is the perfect match of your findings. Grab this deal and drive your desired vehicle before it is out of stock. If you want to get more detail, please contact the owner through his p...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
মিতসুবিশি গাড়ি কিনুন

বাংলাদেশে মিত্সুবিশি গাড়ি কিনুন

মিত্সুবিশি মোটরস ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠা পায় এবং এটি জাপানের অন্যতম বৃহৎ যাত্রী বাহী এবং বাণিজ্যিক বাহন প্রস্তুতকারক কোম্পানি হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। এই কোম্পানিটি বর্তমানে জাপানের ষষ্ঠ বৃহৎ এবং বিশ্বের ১৬তম বৃহৎ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। যদিও কোম্পানিটি ১৯৭০ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিবন্ধিত হয়, তবে এটি কোম্পানি হিসেবে আঠার শতকের শেষের দিকে প্রতিষ্ঠা পায়। ১৯১৭ সালে প্রথম মিত্সুবিশি জাহাজ নির্মাণ তৈরি শুরু করে। এছাড়া তাঁরা যুদ্ধ বিমানও তৈরি করেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। ২০০৮ সালে মিত্সুবিশি তাদের স্লোগান চালু করে “Drive@Earth” নামে যার অর্থ হচ্ছে পৃথিবীতে গাড়ি চালান। বাংলাদেশে র‌্যাংগস মোটরস মিত্সুবিশি গাড়ি সরাসরি আমদানি এবং বাজারজাত করে থাকে। এখানে মিত্সুবিশি বেশ জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য। এছাড়া অতি সম্প্রতি মিত্সুবিশির তৈরি ফুসো ট্রাক বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে। তাই বলা চলে বাংলাদেশে মিত্সুবিশি বাংলাদেশের অন্যতম প্রচলিত একটি ব্র্যান্ড এবং এর বিভিন্ন মডেলের গাড়ির চাহিদা এখানে রয়েছে।

মিত্সুবিশি গাড়ির দক্ষতা এবং প্রযুক্তি

দীর্ঘ সময় ধরে মিত্সুবিশি অনেক ধরণের নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং প্রয়োগ করেছে তাদের গাড়িতে। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁরা তাদের উদ্ভাবনের তালিকায় যুক্ত করেছে হাইব্রিড প্রযুক্তি যা শক্তি সঞ্চয় এবং জ্বালানির ব্যবহার কমিয়েছে সেই সাথে আরামদায়ক এবং সুরক্ষিত গাড়ি চালনা নিশ্চিত রয়েছে। ১৯৯২ সালে মিত্সুবিশি এমআইভিইসি (Mitsubishi Innovative Value-timing Electronic Control) ইঞ্জিন তৈরি করে যা গাড়িকে দেয় সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং জ্বালানি তেলের ব্যবহার এবং পরিবেশে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করে।

এছাড়া যেসব প্রযুক্তি মিত্সুবিশি গাড়িতে ব্যবহার হচ্ছে সেগুলো হচ্ছে সবুজ প্লাস্টিক, ধীরে বন্ধ হওয়া, টার্বো, টুইন ক্লাচ, সিভিটি ইঞ্জিন, বৃষ্টির জন্য লাইট সেন্সর, এসআরএস ব্যাগ এবং দুর্ঘটনা জনিত আঘাত কমানোর সিট ইত্যাদি।

বাংলাদেশে মিত্সুবিশির জনপ্রিয় কিছু মডেল

বাংলাদেশে নতুন কিংবা ব্যবহৃত মিত্সুবিশি গাড়ি সহজলভ্য এবং বেশ জনপ্রিয়। এখানে বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন কিছু জনপ্রিয় মডেল সম্পর্কে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো

ল্যান্সার – এটি মিত্সুবিশির তৈরি সবচেয়ে জনপ্রিয় সেডান গাড়ি যা ১৯৭৩ সাল থেকে তৈরি হয়ে আসছে। বর্তমানে এই গাড়িটির পঞ্চম প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে এবং নানা ধরণের ইঞ্জিনে বাজারে পাওয়া যায়। এই মডেলটি বাংলাদেশে সরাসরি জাপান থেকে আমদানি করা হয় এবং সেখানে সবধরনের প্রযুক্তি এবং সুবিধা বর্তমান রয়েছে। এই মডেলের হ্যাচব্যাক ভার্সন বাজারে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে খুব একটা সহজলভ্য নয়।

পাজেরো – মিত্সুবিশির তৈরি স্পোর্টস ইউটিলিটি (সাভ) মডেল পাজেরো হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি মডেল। এটা সর্বপ্রথম বাজারে আসে ১৯৮২ সালে এবং সর্বশেষ ২০১৪ সালে এর পঞ্চম প্রজন্ম বাজারে ছাড়া হয়। নতুন ভার্সনে হাইব্রিড প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। এই মডেলটি বর্তমানে ২.৮ লিটার, ৩ লিটার, ৩.২ লিটার, ৩.৫ লিটার এবং ৩.৮ লিটার ইঞ্জিনে পাওয়া যাচ্ছে।

গ্যালান্ট – এটি একটি মাঝারি আকৃতির সেডান যা কিনা বাজারে আসে ১৯৬৯ সালে। বর্তমানে এটি নতুন করে আর তৈরি হচ্ছে না। যদিও ২০১২ সালে এর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে তারপরও বাংলাদেশে এই গাড়িটির পুরনো ভার্সন বেশ জনপ্রিয়। নবম বা শেষ প্রজন্মের গ্যালান্ট ২.৪ লিটার, ৩.৮ লিটার এবং ৩.৮ লিটার এমআইভিইসি ইঞ্জিনে পাওয়া যায়।

আউটল্যান্ডার – এই মাঝারী আকৃতির ক্রসওভার গাড়িটি সর্বপ্রথম বাজারে আসে মিত্সুবিশি এয়ারট্রেক নামে ২০০১ সালে। কয়েক বছর আগে এই মডেলটির তৃতীয় প্রজন্ম বাজারে আসে এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এটি ২ লিটার, ২.২ লিটার, ২.৪ লিটার এবং ২ লিটার পিএইচইভি ইঞ্জিনে পাওয়া যায়।        

বাংলাদেশে মিত্সুবিশি গাড়ির দাম এবং প্রাপ্যতা

বাংলাদেশে সবসময় মিত্সুবিশি অনেক আকর্ষণীয় একটি ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। র‌্যাংগস লিমিটেড শুধুমাত্র নয়টি মিত্সুবিশি মডেল আমদানি এবং বাজারজাতই করে না বরং পাজেরো স্পোর্টস মডেলটি বাংলাদেশে সংযোজন করে থাকে। এছাড়া তাঁরা মিত্সুবিশি গাড়ির আসল খুচরা যন্ত্রাংশও সরবরাহ এবং বিক্রি করে সে সাথে বিক্রয় পরবর্তী সার্ভিসিং সুবিধা দিয়ে থাকে। ঢাকা এবং চট্টগ্রামে অবস্থিত শোরুম গুলিতে আপনি পাবেন আন্তরিক অভ্যর্থনা এবং সার্বিক সেবা। এছাড়া বিভিন্ন ডিলার কিংবা ব্যক্তিগত বিক্রেতার কাছ থেকে আপনি রিকন্ডিশন কিংবা পুরনো গাড়িও কিনতে পারবেন। নতুন গাড়ির দাম তুলনামূলকভাবেই বেশি। রিকন্ডিশন গাড়ি আপনি পাবেন ৩৬ লক্ষ টাকা থেকে ৫৮ লক্ষ টাকায়। এছাড়া আরেকটু কমের মধ্যে চাইলে আপনার জন্য পুরনো গাড়ির অপশন আছে।

মিত্সুবিশি সম্পর্কিত কিছু তথ্য

হলিউড এবং হংকং এর বিখ্যাত অভিনেতা জ্যাকি চ্যান হচ্ছেন মিত্সুবিশির ব্র্যান্ড এম্বেসাডর। তিনি গত ৩০ বছর যাবত তার সকল সিনেমাই মিত্সুবিশি ব্র্যান্ডের গাড়ি ব্যবহার করছেন। এছাড়া ২০০৫ সালে কোম্পানিটি ল্যান্সার মডেলের বিশেষ জ্যাকি চ্যান ভার্সনের ৫০ টি গাড়ি বাজারে ছাড়ে। এই অভিনেতাকে চীনে অবস্থিত মিত্সুবিশি দলের সম্মান সূচক ডাইরেক্টর পদেও নিযুক্ত করা হয়েছে।