: প্রস্তাবিত

BDT 5,200,000 অন-সাইট লোণ সম্ভব

চট্টগ্রাম

Sumel Rahman
  • 7,000 কিলোমিটার

Mercedes-Benz supplies only the best quality vehicles and this vehicle is yet another example from their impressive fleet. This Mercedes-Benz C180 C180 2016 Touring comes with a Automatic transmi...

BDT 2,200,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Dhaka

Abdur Tasin
  • 42,000 কিলোমিটার

2003 Mercedes Benz C180 Kompressor (W203 Brabus Package) for sale! 1800cc (M271 E 18 ML Red) 16V Inline-4 Supercharged Engine Brabus ECU Brabus Exhaust 175hp 0-100 (8 seconds) Brabus Grille Proj...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে মার্সিডিজ-বেঞ্জ বিক্রয়

বাংলাদেশে মার্সিডিজ-বেঞ্জ বিক্রয়

মার্সিডিজ-বেঞ্জ বিলাসবহুল গাড়ি, কোচ, ট্রাক, বাস উৎপাদনকারী একটি প্রখ্যাত জার্মান অটোমোটিভ ব্র্যান্ড। ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এরা সর্বকালের সেরা কিছু আইকনিক গাড়ি উৎপাদন করেছে। এরা জার্মান ৩টি অটোমেকার জায়ান্টদের অন্যতম(অন্যরা হলো অডি এবং বিএমডব্লিউ) এবং এদের নামের সাথে জড়িত কয়েকটি বিলাসবহুল যান বিশ্বজুড়েই বহুল-বিক্রিত। ২৬ টি দেশে এদের কারখানা থাকায় কোম্পানিটি কয়েকটি আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের গাড়িগুলো বিপণন করে থাকে, যাদের মধ্যে বাংলাদেশও একটি।

র‍্যানকন মোটরস লিমিটেড ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশে মার্সিডিজ-বেঞ্জের অনুমোদিত পরিবেশক। এরা সব ধরণের ব্যক্তিগত, বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত যান এবং এদের বিক্রয়োত্তর সেবা, জেনুইন পার্টস ইত্যাদি বিক্রয় করে থাকে।

মার্সিডিজ বেঞ্জের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন

জার্মান নির্মাতা ডাইমলার এজি, যারা অন্যান্য অটোমেকারদের সাথে যৌথভাবে তাদের যানবাহনের জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, তাদের একটি বহুজাতিক ডিভিশন মার্সিডিজ বেঞ্জ। যেমন, মার্সিডিজ এবং ম্যাকলারেন যৌথভাবে উৎপাদন করেছিল মার্সিডিজ-বেঞ্জ এসএলআর যেটি সে সময়ের দ্রুততম স্পোর্টস কার ছিল। তাছাড়া, মার্সিডিজ বেঞ্জের রয়েছে মার্সিডিজ-এএমজি নামের একটি হাই-পারফরম্যান্স ডিভিশন যারা স্বাধীনভাবে উঁচুমানের মার্সিডিজ যানবাহনগুলো নকশা, নির্মাণ এবং কাস্টমাইজেশনের কাজ করে থাকে।

এই নির্মাতার আর&ডি বিভাগ নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য, পরিবেশ এবং ক্রীড়া ইত্যাদি বিবিধ ক্ষেত্রে উন্নয়ন করে যাচ্ছে, যাতে করে নবতর এবং কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা যায় এবং সেসব প্রযুক্তি দিয়ে ভবিষ্যতে আরো কার্যকর যানবাহন তৈরি করা যায়। আসল কথা হলো, মার্সিডিজ-বেঞ্জ প্রযুক্তিগতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে অগ্রসর অটোনির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম।

বাংলাদেশ মার্সিডিজ-বেঞ্জ এর ফ্ল্যাগশিপ মডেলসমূহ

মার্সিডিজ-বেঞ্জ বিশ্বজুড়ে পরিচিত কয়েক ধরণের লাক্সারি, স্পোর্টস এবং ইউটিলিটি ভিহিকল তৈরি করে থাকে। বাংলাদেশে সর্বাধিক চাহিদাসম্পন্ন মডেলগুলো নিম্নরুপ:

মার্সিডিজ-বেঞ্জ এ-ক্লাস

১৯৯৭ সালে সালে বাজারে আসে এ-ক্লাস প্রিমিয়াম সাবকম্প্যাক্ট হ্যাচব্যাক। বর্তমানে জার্মান অটোনির্মাতাটি তাদের তৃতীয় প্রজন্মের এ-ক্লাস প্রদান করছে, যাতে রয়েছে ২ লিটার টার্বোচার্জড ফোর-সিলিন্ডার ইঞ্জিন এবং সেভেন-স্পিড অটো/ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন। এর তুলনামূলকভাবে কম মূল্য এবং চমৎকার কিছু পারফরম্যান্সের নিশ্চয়তার কারণে এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় বিলাসী হ্যাচব্যাক।

মার্সিডিজ-বেঞ্জ এম-ক্লাস

এম ক্লাস মধ্যম গড়নের বিলাসবহীল ক্রসওভার সিরিজ, যেটির সূচনা হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। এই গাড়িটি চালু করা হয়েছিল সাবকম্প্যাক্ট জিএলকে ক্লাস এবং পূর্ণ গড়নের জিএল ক্লাসের মধ্যবর্তী শুন্যস্থান পূরণের জন্য। তৃতীয় প্রজন্মের এম-ক্লাস ক্রসওভার পাওয়া যাচ্ছে বিবিধ ইঞ্জিন অপশন সহ, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩.৫ লিটার ভি৬, ৪.৭ লিটার ভি৮ ও ৫.৫ লিটার টার্বোচার্জড ভি৮।

মার্সিডিজ-বেঞ্জ এস-ক্লাস

এস-ক্লাস মার্সিডিজের প্রস্তুতকৃত সবচেয়ে দামি বিলাসবহুল সেডানের সিরিজ, যেটির উৎপাদন শুরু হয়েছিল ১৯৫৪ সালে। এদের ষষ্ঠ জেনারেশন (এস ক্লাস ডব্লিউ২২২) ২০১৩ সালে বাজারে আসে, যাতে দুই রকম ইঞ্জিনের অপশন ছিল: ৩ লিটার টার্বোচার্জড ভি৬ ইঞ্জিন এবং ৪.৭ লিটার টার্বোচার্জড ভি৮ ইঞ্জিন। এর উচ্চমূল্য এবং উচ্চ আমদানি শুল্কের কারণে বাংলাদেশের শুধুমাত্র অভিজাত শ্রেণির লোকেরাই এই মডেলের ভোক্তা।

মার্সিডিজ-বেঞ্জ এসএলকে-ক্লাস

১৯৯৬ সালে বাজারে আসে এসএলকে ক্লাস কম্প্যাক্ট রোডস্টার। এটি এই অঞ্চলে পরিবেশিত মার্সিডিজের একমাত্র স্পোর্টস কার। এই স্পোর্টস কনভার্টিবল কয়েক ধরনের পাওয়ার ট্রেইন সহ পাওয়া যায়, যার মধ্যে আছে ১.৮ লিটার টার্বোচার্জড, ৩.৫ লিটার ভি৬, ৫.৫ লিটার ভি৮ ইঞ্জিন। এদের সবগুলো ট্রিমই জনপ্রিয় বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে।

মার্সিডিজের অন্যান্য মডেলগুলো হচ্ছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ সি ক্লাস এবং মার্সিডিজ-বেঞ্জ ই-ক্লাস

বাংলাদেশে মার্সিডিজ-বেঞ্জের প্রাপ্যতা

ঢাকাভিত্তিক র‍্যানকন মোটরস সারা বাংলাদেশেই কার্যকরভাবে মার্সিডিজ-বেঞ্জ গাড়ি পরিবেশন করছে। যদিও তাদের শো-রুমে খুব বেশি ধরণের মডেল রাখা হয় না, কিন্তু ডিলাররা চাহিদামত মডেলের অর্ডার নেয়া এবং অ্যাসেম্বলি লাইন থেকে মডেল ডেলিভারির কাজ করে থাকে। তাছাড়া বাজারে যেসব মার্সিডিজ গাড়ি পাওয়া যায়, ন্যায্য দামে সেগুলোও আপনি ক্রয় করতে পারেন। অতুলনীয় বিলাস,  আনন্দদায়ক পারফরম্যান্স এবং বাংলাদেশে মার্সিডিজ-বেঞ্জ গাড়ির প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে এদের বিক্রয় এবং মার্কেট শেয়ার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মার্সিডিজ-বেঞ্জ এবং মোটরস্পোর্টস সম্পর্কিত কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

বিলাসবহুল গাড়ি উৎপাদন এবং বিপণনের পাশাপাশি মার্সিডিজ-বেঞ্জ মোটরস্পোর্টস শিল্পে অংশ নেয়ার সাহসিকতা দেখিয়েছে।  ১৯৫৪ থেকে এরা ফরমুলা ওয়ান রেসিংএ এরা সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। সত্যি বলতে, এরা এ পর্যন্ত ১৬ টি রেসের ১৩টিতেই তারা অটোনির্মাতা হিসেবে বিজয়ী হয়েছে। এছাড়াও, এ সময়ের সেরা দুই ড্রাইভার, লুইস হ্যামিল্টন এবং নিকো রসবার্গও মার্সিডিজ টীমের অংশ।