: প্রস্তাবিত

BDT 490,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

চট্টগ্রাম

Mskamal031 Mskamal031
  • 60,000 কিলোমিটার

My car update 4 tyre is as like New 4 Rim is newly Install New DVD player Back camera All power AC is smoot All paper up to date July 2018 Registration 2011 Model: 2008

ফলাফল হালনাগাদ করুন
মারুতি সুজুকি গাড়ি কিনুন

বাংলাদেশে মারুতি সুজুকি গাড়ি বিক্রয়

মারুতি সুজুকি হচ্ছে ভারতের অন্যতম বৃহৎ একটি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং জাপানী মোটর কোম্পানি সুজুকি অধীনে কাজ করছে। ভারত সরকার এবং সুজুকি কোম্পানির তত্ত্বাবধানে এই কোম্পানিটি ১৯৮১ সালে মারুতি উদ্যোগ লিমিটেড নামে তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করে। বর্তমানে এই কোম্পানির উপর ভারত সরকারের কোন মালিকানা নেই কারণ তাঁরা তাদের শেয়ার একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। বর্তমানে কোম্পানিটি বিভিন্ন মার্কেটের জন্য নানা ধরণের যান বাহন তৈরি করছে। মারুতি সুজুকি শুধুমাত্র ভারতেই তাদের গাড়ি বিক্রি করছেনা বরং বিশ্বের নানা দেশে তাঁরা তাদের উৎপাদিত গাড়ি রফতানি করছে। বাংলাদেশে উত্তরা মোটরস এই ব্র্যান্ডের গাড়ি আমদানি এবং বাজারজাত করে থাকে।

মারুতি সুজুকির উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি

মারুতি সুজুকিতে কর্মরত বিজ্ঞানীগণ কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছেন এই ব্র্যান্ডের পণ্যকে আন্তর্জাতিক ভাবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মারুতি সুজুকি ইতোমধ্যে ১১০টি প্যাটেন্ট নিবন্ধন করেছে। এগুলো সম্ভবপর হয়েছে শুধুমাত্র এই কোম্পানিতে কর্মরত প্রতিভাবান ইঞ্জিনিয়ারদের কারনে।

শুরুর দিকে এই কোম্পানিটি শুধুমাত্র সুজুকি ব্র্যান্ডের গাড়ি ভারতে আমদানি এবং বাজারজাত করতো। ১৯৮৩ সালে সর্বপ্রথম সুজুকি ৮০০ মডেলটি উৎপাদনের মাধ্যমে কোম্পানি তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করে। বর্তমানে তাদের প্রোডাকশন লাইনে অনেক মডেলের গাড়িই রয়েছে। ভারতীয় এই কোম্পানিটির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে গাড়ির জ্বালানী খরচ কমানো এবং এই কারনেই তাঁরা ভারতে সবচেয়ে সবচেয়ে সাশ্রয়ী গাড়িগুলো বাজারে নিয়ে আসছে। এছাড়া পুরনো মডেলগুলোকে আপগ্রেড করে অধিক মিতব্যয়ী মডেল বাজারে নিয়ে আসছে।

২০১০ সালে মারুতি সুজুকি আই-জিপিআই (i-GPI “intelligent gas port injection”) প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে যা কিনা পরিবেশ বান্ধব গাড়ি তৈরিতে সাহায্য করে। এটি বর্তমানে ৫টি মডেলে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া অল্টো এবং সুইফট মডেল দুটি ইউরোপিয়ান প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশে জনপ্রিয় মারুতি সুজুকি গাড়ি

বর্তমানে কোম্পানিটি ১৪টি মডেল তৈরি করছে যার মধ্যে অর্ধেকই হ্যাচব্যাক ধরণের। বাংলাদেশে মারুতি সুজুকির সকল গাড়ি বাজারজাত করা হয়না। যে গাড়িগুলো বাংলাদেশে জনপ্রিয় সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

মারুতি সুজুকি অমনি – এটি অনেকটা সুজুকির তৈরি মিনিভ্যান ক্যারি এর মতো দেখতে। এটি সর্বপ্রথম ১৯৮৪ সালে বাজারে আসে এবং এখনো উৎপাদিত হচ্ছে। এটি সাধারণত বড় পরিবারের জন্য এবং অল্প পরিসরে পরিবহণের জন্য একটি উত্তম গাড়ি। এর দাম ৩-৮ লক্ষ টাকার মধ্যে।

মারুতি সুজুকি ৮০০ – আগেই বলা হয়েছে এটি হচ্ছে কোম্পানির তৈরি সর্বপ্রথম গাড়ি এবং এটি ২০১৩ পর্যন্ত তৈরি করা হয়েছে। এখন এটি আর নতুন ভাবে তৈরি হচ্ছে না তবে বাংলাদেশে এই গাড়িটি পাওয়া যাচ্ছে ৫ লক্ষ টাকায়।

মারুতি সুজুকি ভেরসা – এটিও একটি ছোট ভ্যান যা কিনা ২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত উৎপাদিত হয়েছিল। যদিও নতুনভাবে এই মডেলটি আর তৈরি হচ্ছে না বাংলাদেশে এটির কিছু পুরনো গাড়ি পাওয়া যায় যা কিনতে আপনাকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে।

মারুতি সুজুকি জেন – এই কমপ্যাক্ট হ্যাচব্যাক গাড়িটি ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৈরি হয়েছিল। এটি মূলত সুজুকি ব্র্যান্ডের সেরভো মডেলের অনুকরণে বানানো হয় এবং বাংলাদেশে এটির পুরনো মডেল পাওয়া যাচ্ছে সাড়ে ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকায়।

বাংলাদেশে মারুতি সুজুকি গাড়ির প্রাপ্যতা

বাংলাদেশে উত্তরা মোটরস লিমিটেড হচ্ছে মারুতি সুজুকি ব্র্যান্ডের একমাত্র পরিবেশক। বর্তমানে তাঁরা এই ব্র্যান্ডের অনেকগুলো মডেল যেমন অলটো ৮০০, এপিভি, এরটিগা, গ্র্যান্ড ভিটারা, রিটজ এবং সুইফট মডেলের নতুন ভার্শন ইত্যাদি বাজারজাত করছে সমগ্র বাংলাদেশে।

মারুতি সুজুকি সম্পর্কিত কিছু তথ্য

ব্লুবাইটস নিউজ নামক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এই ব্র্যান্ডটিকে ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হিসেবে অবিহিত করেছে। এছাড়া এই ব্র্যান্ডটি ভারতে প্রাপ্ত সকল ব্র্যান্ডের মধ্যে নির্ভরযোগ্যতার মাপ কাঠিতে ১১তম স্থান অধিকার করেছে।