: প্রস্তাবিত

BDT 950,000

ঢাকা

Md Sarwar Sarker Apu
  • 70,000 কিলোমিটার

This car will be nice looking 1 years date fail

BDT 1,650,000 ড্রাইভ আও্যে

ঢাকা

Md Alimur Rahman
  • 100,000 কিলোমিটার

Lexus Harrier Pearl White Model Toyota Harrier 2000 Registration: 2004 Used with care. CNG converted from NAVANA. All good running condition. HID Headlight. 2200cc. Original picture uploaded Pric...

BDT 3,755,000

ঢাকা

Carsale808 Carsale808
  • 37,355 কিলোমিটার

LEXUS HARRIER MODEL: 2005 ALCANTARA VERSION, (Made in Japan) Reg: 2008, 3 Part SUNROOF, Serial: 11, Octane Drive, Millage- 37355, Original Leather Site, Body kit, Front 2 site Power, Hid and Pro...

BDT 3,650,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Banani

M. S. M Car center
  • 41,000 কিলোমিটার

Lexus Harrier (Lexus RX330 Package) Model : 2006 Registration: 2009 Serial : 13. Engine: V V T-i . Engine Capacity : 2400 cc . Transmission : Automatic, Color : Pearl White Fuel System : ...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে লেক্সাস গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে লেক্সাস গাড়ি বিক্রয়

লেক্সাস জাপানী অটোনির্মান কম্পানি টয়োটা মোটর কোম্পানির লাক্সারী ভেহিকল বিভাগ। এটা স্থাপিত হয় ১৯৮৯ সালে “দ্য রিলেন্টলেস পারসূট অফ পারফেকশন” নীতিবাক্য নিয়ে। এই ব্র্যান্ড এর প্রথম মডেল ছিল লেক্সাস এলএস ৪০০। তখন থেকে লেক্সাস অনেক যানই প্রবর্তন ও উৎপাদন করেছে। বর্তমানে এরা লাক্সারী গাড়ি উৎপাদন করে সেডান, কূপে, কনভার্টিবল এবং এসইউভি বডি ফর্মে। লেক্সাসের জাপান ও কানাডাতে উৎপাদন ও অ্যাসেম্বলি ফেসিলিটি আছে।

অফিসিয়ালভাবে লেক্সাস বাংলাদেশে নেই, কিন্তু অনেক ব্যাক্তিগত ডিলারশিপই আছে যেগুলো বাংলাদেশে নতুন ও রিকন্ডিশন্ড লেক্সাস গাড়ি বিক্রি করে। এই নতুন আমদানিগুলো ছাড়াও অনেক ব্যবহৃত লেক্সাস গাড়ি বিক্রয়ের জন্য উপলব্ধ আর সারা দেশজুড়ে ক্রেতারা এই গাড়ি অনেক আগ্রহ নিয়ে খোঁজেন।

লেক্সাস রিভিউ

লেক্সাসের প্রযুক্তি উন্নয়ন

সারা পৃথিবীজুড়ে লেক্সারের সাফল্যের অন্যতম কারণ হচ্ছে তাদের গবেষণা এবং উন্নয়নের ওপর স্থির লক্ষ্য। বর্তমানে সব মডেলেই আছে অগ্রসর ন্যাভিগেশন সিস্টেম, অগ্রসর ভয়েস কমান্ড সার্ভিস, উন্নত ব্লুটুথ প্রযুক্তি, লেক্সাস এন্ফর্ম রিমোট ক্যাপাবিলিটি, প্রিমিয়াম সারাউন্ড সাউন্ড সিস্টেম, ইভি ড্রাইভিং মোড, ডাইনামিক মেটারের সমাহার, ইলেক্ট্রোলুমিনেসেন্ট ইনস্ট্রুমেন্টেশন, অ্যাডাপ্তিভ ভ্যারিয়েবল সাসপেনশন, রিমোট টাচ সিস্টেম আর পেছনের সীটের ক্লাইমেট এবং অডিও কন্ট্রোল। এই সব নজরকাড়া ফীচার্স সব বয়সের ক্রেতাদের কাছে লেক্সাস গাড়িগুলো আকর্ষণীয় করে তোলে।

গত কিছু বছর ধরে লেক্সাস নিজের নতুন মডেলগুলোর জন্য দ্রুত গতিতে হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন প্রযুক্তি গড়ে তুলছে। এরা অনেক হাইব্রিড ভ্যারিয়েন্ট বাজারজাত করেছে, যাতে করে এদের পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ পায়।

সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া লেক্সাস মডেলগুলো

বাংলাদেশে লেক্সাস গাড়ির সংখ্যা সীমিত হলেও কিছু কিছু মডেল অত্যন্ত জনপ্রিয়। এগুলোর মধ্যে আছে:

  • লেক্সাস জিএস- ১৯৯১ সালে প্রবর্তন হয় এই মাঝারি আকারের লাক্সারী গাড়ি সিরিজের। জিএস সেদানের চারটি প্রজন্ম বের হয়েছে, যার সবচেয়ে নতুনটা বাজারজাত হয় ২০১১ সালে। এটা আপনি বিভিন্ন ইঞ্জিন অপশনে পেতে পারেন: ২.৫ লিটার ভি-সিক্স, ৩.৫ লিটার ভি-সিক্স বা ৩.৫ লিটার হাইব্রিড ভি-সিক্স।
  • লেক্সাস আইএস- এই প্রিমিয়াম কম্প্যাক্ট সেডান এর সিরিজ শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। এটা লঞ্চ হয় এন্ট্রি লেভেল স্পোর্ট মডেল হিসেবে আর স্থান পায় লেক্সাস ইএস এর নিচে, যেটা একটি মাঝারি আকারের লাক্সারী সেডান । নতুন লেক্সাস আইএস ২টি ইঞ্জিন অপশনে উপলব্ধ: ২.৫ লিটার ভি-সিক্স বা ৩.৫ লিটার ভি-সিক্স।
  • লেক্সাস এলএক্স- এটা একটি ফুল সাইজ লাক্সারী এসইউভি যেটা প্রথম উৎপাদন হয় জানুয়ারী ১৯৯৬ সালে। বর্তমান তৃতীয় প্রজন্ম এলএক্স বাজারে আসে ২০০৭ সালে, আর ২০১২ সালে এর পাওয়ার আপগ্রেড ও ফেসলিফ্ট হয়। এই এসইউভি প্রতিযোগীতা করে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজারের সাথে, যেটাকে উৎপাদন করে টয়োটা কোম্পানি।
  • লেক্সাস সিটি- লেক্সাস দ্বারা নির্মিত প্রথম প্রিমিয়াম কম্প্যাক্ট হ্যাচব্যাক। এটা বাজারে নামে ২০১১ সালে বাজারের হাইব্রিড বৈদ্যুতিক যানের সেগমেন্টে। এই প্রথম এরা এই সেগমেন্টে পদার্পণ করে। সিটির আছে ১.৮ লিটার ইঞ্জিন আর ইলেকট্রিক মোটর যা ক্রেতাদের দেয় অসাধারণ মাইলেজ, সৌন্দর্য আর পারফরমেন্স আপোষ করা ছাড়াই।
  • লেক্সাস এফ মার্ক- “এফ” টা বোঝায় “ফ্ল্যাগশিপ”। এই গাড়িটি উন্নতমানের স্পোর্টস ও রেসিং ক্ষমতা সম্পন্ন ইঞ্জিনের জন্য বিখ্যাত। প্রথম মডেল লঞ্চ হয় লেক্সাস আইএস এফ নামে, যেটা বাজারে আসে ২০০৭ সালে। ২০০৯ সালে কোম্পানি আরেকটি মডেল চালু করে এফ স্পোর্ট পারফরমেন্স সহ, যেটার নাম হয় লেক্সাস এলএফএ। এটা একটি ২ সীটার সুপার কার, যার আছে ৪.৭ লিটার ভি১০ ইঞ্জিন আর কার্বন ফাইবার রিইন্ফর্সড পলিমার (সিএফআরপি)। অজানা কারণের জন্য ২০১২ সালে এই গাড়ির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

বাংলাদেশে লেক্সাস গাড়ির উপলব্ধি

বাংলাদেশে কোনো অফিসিয়াল ডিলারশিপ না থাকতে, গাড়ি কিনবার পর আফটার সেল্স সার্ভিস বা জেনুইন লেক্সাস পার্টস ক্রেতারা খুঁজে পাবেন না। এটা একটা নেতিবাচক দিক হলেও, এর কারণে গাড়ির দাম অনেকটা কমে আসে । ব্যবহৃত লেক্সাস গাড়িও যেকোনো সময়ে উপলব্ধ। কারমুডি সাহায্যে আপনার শহরে বিক্রয়ের জন্য উপলব্ধ লেক্সাস গাড়ি খুঁজে নিন: