: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে কিয়া রিও বিক্রয়

বাংলাদেশে কিয়া রিও বিক্রয়

দক্ষিন কোরিয়ার অটো নির্মাতা কিয়া ২০০০ সালে কিয়া রিও নামক এই সবকম্প্যাক্ট গাড়ি বাজারজাত করে। আন্তর্জাতিক বাজারে রিও তিনটি ভিন্ন বডি স্টাইলে উপলব্ধ: তিন দরজার হ্যাচব্যাক, চার দরজার সেডান আর পাঁচ দরজার হ্যাচব্যাক। এই সাবকম্প্যাক্ট গাড়িতে ২-৩ সিটিং কনফিগারেশনে ৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ বসতে পারে। রিও কিয়া যানবহনের বিশাল শ্রেনীতে, যার মধ্যে কিয়া অপটিমা আর কিয়া স্পর্টেজ এর মত গাড়ি আছে, সেখানে এটাকে সবচেয়ে সাশ্রয়ী গাড়ি হিসেবে ধরা হয়। এই গাড়িটি বর্তমানে এটার তৃতীয় প্রজন্মে আছে।

কিয়া রিও রিভিউ

কিয়া রিও ইঞ্জিন স্পেসিফিকেশন ও পারফরমেন্স

রিও গাড়ি দুই ধরনের ইঞ্জিনের সাথে পেতে পারেন। একটা হচ্ছে ১.২ লিটার ডিওএইচসি ১৬ ভাল্ভ ইনলাইন-৪ গ্যাসোলিন ইঞ্জিন, যেটার ইঞ্জিন শক্তি ৮৬ হর্সপাওয়ার আর টর্ক ১২০ নিউটন মিটার। আরেকটি হচ্ছে একই ধরনের ১.৪ লিটার ইঞ্জিন যেটার ইঞ্জিন শক্তি ১০৫ হর্সপাওয়ার আর টর্ক ১৩৭ নিউটন মিটার। ইঞ্জিন পারফরমেন্স বৃদ্ধি করার জন্য, রিওর সবচেয়ে নতুন মডেলে আছে কন্টিনুয়াস ভ্যারিয়েবল ভাল্ভ টাইমিং (সিভিভিটি)। দুটি ইঞ্জিনই ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে পৌছাতে পারে গড় ১২.৯ সেকন্ডে আর এটার সর্বোচ্চ গতি ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। একই সাথে ১.২ লিটার আর ১.৪ লিটার, দুটি ইঞ্জিনেই শহুরে অবস্থায় ফুয়েল এফিসিয়েন্সি ১৬ কিলোমিটার প্রতি লিটার আর মহাসড়ক অবস্থায় ১৯ কিলোমিটার প্রতি লিটার। সবচেয়ে নতুন মডেলে আছে ৬ স্পিড ম্যানুয়াল অথবা ৬ স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশন যেটা আপনি পেট্রল বা ডিজেল ইঞ্জিনে পেতে পারেন।

কিয়া রিও বাহিরের ডিসাইন

রিওর বাহিরের ডিসাইন খুবই ব্যবহারিক আর বাহুল্যবর্জিত। এটার ইউনিবডি কনস্ট্রাকশনের সাথে আছে ম্যাকফার্সন ফ্রন্ট আর রিয়ার সাসপেনশন হিসেবে টরসন বীম। ২০১০ সালের ফেসলিফটের পর ডিসাইনের মধ্যে এটার আইকনিক “টাইগার নোজ” যোগ করা হয়েছিল একটি নতুন সামনের ডিসাইন তৈরী করবার জন্য। বাহিরের ডিসাইনটা এখন আগের চেয়ে লম্বা, প্রশস্ত আর খাটো। পুরো ফেসলিফ্টটা রিওকে দিয়েছে একটি এগ্রেসিভ ফ্রন্ট আর রিয়ার এন্ড ডিসাইন, যেটার স্টাইলজ্ঞান একদম অদ্বিতীয়। কিয়া আপনি বেশ কয়েকটি রঙে পাবেন: খয়েরি, গ্রাফাইট, রুপালি আর লাল।

কিয়া রিও অন্দরের ডিসাইন

কিয়া রিও এর অন্দর সরল কিন্তু সুঠাম আর স্টাইলিশ এবং আরামদায়ক। আর সাবকম্প্যাক্ট শ্রেণীতে এই গাড়িই আপনাকে দেয় সবচেয়ে ভালো কার্গো স্পেস। আপনি যদি অন্দরে আরও উন্নত মেটেরিয়াল্স চান, তাহলে আপনাকে এই গাড়ির অন্যান্য ট্রিমগুলোর দিকে খ্যাল করতে হবে: কিয়া রিও ইএক্স আর কিয়া রিও এসএক্স। এটার আছে কিছু উল্লেখযোগ্য ফীচার্স যেমন ব্লুটুথ ফোন কানেক্টিভিটি, স্টিয়ারিং-উইল মাউন্টেড কন্ট্রোলস, বডির রঙের আয়না ও দরজার হ্যান্ডেল, স্প্লিট ফোল্ডিং পেছনের সীট, উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ-যোগ্য চালকের সীট, টেলিস্কপিক স্টিয়ারিং উইল, আর হিটেড সামনের সীট। এটার ড্যাশবোর্ড বোতাম আর কন্ট্রোলস অন্দরের বাকি সাজের তুলনায় অনেক সরল আর সহজ। এটার ব্যবহার অনেক সহজ আর দেখতে ভল্ক্সওয়াগন বিজনেস গাড়ির ড্যাশবোর্ডের মত।

কিয়া রিও ফীচার্স

কিও রিওতে আছে মাল্টি-ইনফরমেশন ডিসপ্লে, পাওয়ার লক, ট্রিপ কম্পিউটার সহ সুপারভিশন ক্লাস্টার, ফগ লাইট, এলইডি পসিশনিং লাইট, এলইডি টেইললাইট, সোলার কন্ট্রোল গ্লাস, স্প্লিট ফোল্ডিং পেছনের সীট, পাওয়ার জানালা, ১৪ বা ১৫ ইঞ্চি এলয় চাকা আর বৈদ্দুতিক আয়না।

ইউরো এনসিএপি রিও গাড়িকে ক্র্যাশ-সেফটি বডির জন্য পুরো ফাইভ ষ্টার দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। এটার নিরাপত্তা ফীচার্সের মধ্যে আছে অন্য়ী-লক ব্রেক, ইলেক্ট্রনিক স্টাবিলিটি কন্ট্রোল, ইমার্জেন্সি ব্রেকিং সহযোগিতা, একাধিক এয়ারব্যাগ আর হিল-হোল্ড কন্ট্রোল।

বাংলাদেশে কিয়া রিও মূল্য

বাংলাদেশে কিয়া রিওর মূল্যতালিকা নিচে দেয়া রইলো। নিচের দামগুলো গড় মূল্য আর কারমুডির বর্তমান লিস্টিং এর ওপর নির্ভরশীল। গাড়ির অবস্থা, মাইলেজ, ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে সময়ের সাথে দাম বদলাতে পারে।

কিয়া রিও ২০০১ মুল্য: ব্যবহৃত- ৬,০০,০০০ টাকা

কিয়া রিও ২০০২ মুল্য: ব্যবহৃত- ৬,০০,০০০ টাকা

কারমুদিতে আপনার শহরে ক্রয়ের জন্য উপলব্ধ কিয়া রিও খুঁজে নিন:

 

  • চট্টগ্রামে নতুন, রিকন্ডিশন্ড এবং ব্যবহৃত কিয়া রিও বিক্রয়

 

কেন কিনবেন কিয়া রিও?

আপনি যদি সাশ্রয়ী মুলা মধ্যে স্টাইল আর আরাম খোঁজেন, তাহলে কিয়া রিও আপনার জন্য পারফেক্ট। বাংলাদেশে কিয়া রিওর অনেক গাড়ির সাথে প্রতিযোগিতা করে। সেগুলোর মধ্যে আছে ফোর্ড ফিয়েস্তা, ফোর্ড ফোকাস, মাজদা এগ্জেলা, হোন্ডা জ্যাজ, নিসান ভারসা, টয়োটা প্রিয়াস আর হ্যুন্দাই অ্যাকসেন্ট কিয়া রিও কিনবেন কারণ:

  • আরামদায়ক যাত্রা
  • প্রশস্ত ও আরামদায়ক অন্দর
  • স্টাইলিশ অন্দর
  • প্রশস্ত বুট স্পেস