: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে জাগুয়ার গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে জাগুয়ার গাড়ি বিক্রয়

জাগুয়ার একটি ব্রিটিশ বিলাসবহুল আর স্পোর্টস গাড়ি যেটা উত্পাদন করে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার। এই কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২২ সালে কভেন্ট্রির উইটলী তে আর নিজের যাত্রা শুরু করে শুধুমাত্র মোটরসাইকেল এর সাইডকার নির্মান করে। পরে এরা অটোমোবাইল সেকটরে পা রাখে। ২০০৮ সালের পর, এই কোম্পানির বেশিরভাগ নিয়ন্ত্রক স্টেক এখন ভারতীয় গাড়ি নির্মান কোম্পানি টাটা মটরস এর হাতে।

জাগুয়ার এর প্রতিষ্ঠাতা স্যার উইলিয়াম লাইঅন্স একজন পারফেকসনিস্ট ছিলেন আর তিনি অনেক পরিশ্রম করেছেন অটোমোটিভ ইন্ডাস্ট্রিতে নাম করবার জন্য, আর এমন একটি যান নির্মান করার জন্য যেটা সৌন্দর্য আর অত্যাশ্চর্য ডিসাইনের সাথে শক্তিশালী গঠন একত্র করে আনে। ৯০ বছরেরও বেশি সময়ের পরিশ্রমের ফলে জাগুয়ার পুরনো দিনের ব্রিটিশ বিলাসিতার সাথে সমার্থক হয়ে উঠেছে। জাগুয়ার এখন ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এটা নিজের ঐতিহ্যগত ইংরেজ ফাইন-টিউনিং হারায়নি।

জাগুয়ার এর প্রযুক্তি আর নতুনত্বের প্রবর্তন

অনেক বছর ধরেই জাগুয়ার গবেষণা আর উন্নয়নের ওপর যতটুকু বিনিয়োগ করেছে তা অন্য কোনো গাড়ি নির্মান কোম্পানি করেনি। আর এই প্রচেষ্টার কারণেই জাগুয়ার গাড়িগুলোর আছে কাটিং এজ প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও ডিসাইন, যার সবগুলোই বছরের পর বছরের জাগুয়ারের সাফল্যের গল্প রচনা করে আসছে।

বর্তমানে, জাগুয়ার পরিবেশের ওপর নিজের গাড়ির ও গাড়ি নির্মানের প্রভাব কমিয়ে আনার ওপর লক্ষ্য করছে। ঘোষণা হয়েছে যে গাড়ির এফিসিয়েন্সি কমিয়ে আনা ছাড়া যানগুলোর কার্বন ডাইঅক্সাইড এমিশন কমিয়ে আনার জন্য প্রাযুক্তিক উন্নয়নের ওপর ৮০০ মিলিয়ন পাউনড খরচ করবে। জাগুয়ার এর খুব কম গাড়িই হাইব্রিড, লাইটওয়েট, ফ্লাইউইলস বা রিসাইকেল করা মেটেরিয়াল দিয়ে তৈরী।

নতুন উন্নত নিরাপত্তা ফীচার্স এর সাথে সাথে জাগুয়ার এখন শক্তিশালী বডি শেল এর ওপর মনোযোগ দিছে যেন গাড়িগুলো অনায়েসে চালক ও যাত্রীদের রক্ষা করতে পারে। যেখানে অন্যান্য কোম্পানি গাড়ির ওজন কমানোর জন্য গাড়ির বাহিরের অংশকে হালকা আর ঠুনকো বানিয়ে ফেলছেন, জাগুয়ার কেমিকালই বন্ডেড অ্যালুমিনিয়াম বডি প্যানেল ব্যবহার করছে যেটা অসাধারণ রকম শক্তিশালী আর ইনইলাস্টিক এবং যেকোনো সংঘর্ষের সময় যাত্রীদের সহজেই রক্ষা করতে পারে।

বাংলাদেশে জাগুয়ার গাড়ির জনপ্রিয় মডেলগুলো

জাগুয়ার এক্স এফ

এই মাঝারি আকারের এক্জেকিউটিভ গাড়িটি জাগুয়ার-এস কে প্রতিস্থাপন করে ২০০৮ সালে। গ্লোবাল মার্কেটে এক্স এফ বিভিন্ন ইঞ্জিন অপশনে উপলব্ধ যেমন ২.২ লিটার আই৪ আর ৩.০ লিটার বি৬ ডিজেল ইঞ্জিন যেগুলোর থ্রাস্টিং রেঞ্জ যথাক্রম ১৬১ থেকে ২৯৬ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত আর টর্ক ২৮০ থেকে ৭০০ নিউটন মিটার পর্যন্ত । যদি আপনি পেট্রল ভার্সন খুঁজে থাকেন তাহলে আপনার জন্য রয়েছে ৩.০ লিটার ভি৬ আর ৫.০ লিটার ভি৮ পেট্রল ইঞ্জিন, যেগুলোর পাওয়ার রেঞ্জ যথাক্রমে ২৪১ হর্সপাওয়ার থেকে ৩৮১ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত আর টর্ক ৩৪০ থেকে ৪৫০ নিউটন মিটার পর্যন্ত। এক্স-এফ এর সুপারচার্জড ভার্সন এর নাম আসে এটার ৫.০ লিটার ইঞ্জিন এর সাথে। পরে ২০১২, ২.২ লিটার ডিজেল ইঞ্জিন একটি ফেসলিফ্ট পায় আর ইঞ্জিন আসে ল্যান্ড রোভার ফ্রিল্যান্ডারের কাছ থেকে। ২০০৮ সালে এটা বাজারজাত হবার পর এই গাড়িটা বিভিন্ন পুরস্কার জিতে নেয়, যেমন “কার অফ দ্য ইয়ার”, “এক্জেকিউটিভ কার অফ দ্য ইয়ার”, ইত্যাদি। বাংলাদেশে জাগুয়ার এক্সএফ এর প্রত্যাশিত মূল্য ৯৯,৯০,০০০ টাকা

জাগুয়ার এক্সযে

জাগুয়ার এক্সযে একটি ফুল সাইজ বিলাশবহুল সেলুন যেটা গ্লোবাল মার্কেটে ১৯৬৮ সাল ধরে আছে। এই গাড়ির প্রথম প্রজন্মে ক্রিয়াত্রিভ ইনপুট ছিল সয়ং স্যার উইলিয়াম লাইঅনস এর, যিনি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই গাড়ির তৃতীয় প্রজন্ম বাজারজাত হয় ২০০৩ সালে সম্পূর্ণ নতুন ইঞ্জিন আর প্রযুক্তি নিয়ে, কিন্তু ভেতরের আর বাইরের ঐতিহ্যগত চেহারা একই রেখে। গাড়িটা নিজের পুরনো লুক ধরে রাখায় অনেক মন্তব্যের স্বীকার হলেও শেলের নিচের অত্যন্ত উন্নত অ্যালুমিনিয়াম কনস্ট্রাকশন এক্সযে কে একেবারে নিজের শ্রেনীর শীর্ষে পৌছে দেয়। সমালোচনার শিকার হবার পর জাগুয়ার নিজের চতুর্থ প্রজন্মে নিয়ে আসে আরো তারুন্যে ভরপুর আধুনিক লুকএক্স যে সুপারস্পোর্ট ভার্সন আসে ৩.০ লিটার ডিজেল ইঞ্জিন এর সাথে যেটা ২৭৫ হর্সপাওয়ার আর ৬০০ নিউটন মিটার টর্ক দেয়, অথবা ৫.০ লিটার ভি৮ ইঞ্জিন এর সাথে যেটা দেয় ৪৭০ হর্সপাওয়ার আর ৫৭৫ নিউটন মিটার টর্ক আর ৪.৭ সেকন্ডে ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার/ঘন্টা গতিতে পৌছে যেতে পারে।

বাংলাদেশে জাগুয়ার গাড়ির উপলব্ধি

মিলেনিয়াম মটরস লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র কোম্পানি যারা ব্র্যান্ড নিউ জাগুয়ার আর রেঞ্জ রোভার গাড়ি আমদানি করে।