: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে হ্যুন্দাই টেরাকান বিক্রয়

বাংলাদেশে হ্যুন্দাই টেরাকান বিক্রয়

২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সাউথ কোরিয়ান অটোনির্মাতা হ্যুন্দাই মাঝারি আকারের হ্যুন্দাই টেরাকান নামক এসইউভি উৎপাদন করে। এটার চেসিস দ্বিতীয় প্রজন্মের মিত্সুবিশি পাজেরোর পর নির্ভর করে বানানো আর এটার বেস কনসেপ্ট এসেছে হ্যুন্দাই হাইল্যান্ড থেকে। টেরাকান নামটি এসেছে “টেরা” (ভূমি) আর খান (রাজা) শব্দগুলো থেকে। ২০০৭ সালে হ্যুন্দাই ভেরাক্রুজ হ্যুন্দাই টেরাকান এর জায়গা নিয়ে নেয়।

হ্যুন্দাই টেরাকান রিভিউ

হ্যুন্দাই টেরাকান স্পেসিফিকেশন আর পারফরমেন্স

টেরাকানের আছে দুই ধরনের ইঞ্জিন: একটি ২.৯ লিটার ইনলাইন চার হ্যুন্দাই যে টার্বো ডিজেল ইঞ্জিন যা আপনাকে দেয় ৩৮০০ আরপিএম এ ১৬০ হর্সপাওয়ার আর ১৭৫০ আরপিএম এ ৩৪৫ নিউটন মিটার টর্ক। আরেকটি ইঞ্জিন হচ্ছে ৩.৫ লিটার ভি৬ হ্যুন্দাই সিগমা পেট্রল ইঞ্জিন যা আপনাকে দেয় ১৯৫ হর্সপাওয়ার ইঞ্জিন শক্তি আর ৩০২ নিউটন মিটার টর্ক। টেরাকান সিআরডিআই (কমন রেল ডাইরেক্ট ইনজেকশন) এ আপনি পাবেন শহুরে অবস্থায় ১৩ লিটার/ ১০০ কিমি ফুয়েল খরচ আর মহাসড়কে ৮ লিটার/ ১০০ কিমি ফুয়েল খরচ। এই গাড়িটা ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে পৌছাতে পারে ১২.৬ সেকন্ডে আর এটার সর্বোচ্চ গতি ১৬৭ কিমি প্রতি লিটার।

হ্যুন্ডাই টেরাকান বাহিরের ডিসাইন  

হ্যুন্দাই গাড়ির মান সবসময় বজিয়ে রাখে আর সময়ের সাথে উন্নত করে, আর তার ভালো উদাহরণ হচ্ছে টেরাকান। বাইরে থেকে দেখতে এটা সুঠাম আর কিছুটা ল্যান্ড ক্রুজার বা টয়োটা প্রাডো এর মত।

টেরাকানের ২০০৫ ভার্সন নিয়ে আসে স্টাইলিষ ফ্রন্ট এন্ড আর স্পোর্টি হুড বডি ফলেয়ারিং এর ওপর আর বড় আধুনিক হেডল্যাম্প। একটি উঁচু উইন্ডশীল্ড, চাকার গাঁট্টাগোট্টা খিলান, কর্মদক্ষ হেডলাইট ডিসাইন, রুফ মাউন্টেড স্পয়লার আর বিশাল ২৫৫/৫৬ আর ১৬ টায়ার মাইল টেরাকানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। অফ রোড ডিউটি পালন করার জন্য এটার আছে যথেষ্ট গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স। টেরাকানের সকল ট্রিমগুলোতে আছে লো রেঞ্জ গিয়ারিং আর আলাদা ল্যাডার ফ্রেম চেসি।

হ্যুন্দাই টেরাকান ভেতরের ডিসাইন

টেরাকানের ৭ সীটারে আছে যথেষ্ট হেডরুম আর লেগরুম সামনে ও পেছনে, দুই সারিতেই। পেছনের সীটগুলো সামনেরগুলো থেকে একটু উঁচু স্থানে যেন পেছনের যাত্রীরা রাস্তার ভিউ থেকে বঞ্চিত না হন। সামনের সীটগুলো যথেষ্ট আরামদায়ক আর সহায়ক। এটার পেছনের সারির সীটগুলো বেশ সরল আর স্পিল্ট ফোল্ড পদ্ধতিতে ভাঁজ করা যায়।

হ্যুন্দাই টেরাকান ফীচার্স

টেরাকান দুইটি বেস আর হাইল্যান্ডার ট্রিম লেভেলে উপলব্ধ। অন্যান্য স্ট্যান্ডার্ড ফীচার্স এর মধ্যে আছে লেদার সীট, কাঠের রঙের অন্দরের ট্রিম, ক্লাইমেট নিয়ন্ত্রণ, এন্টি-লক ব্রেক পদ্ধতি আর ইলেক্ট্রনিক ব্রেক ফোর্স ডিস্ট্রিবিউশন। আরও আছে এয়ার কন্ডিশনিং,  গ্রিলের ওপর ক্রোম ফিনিশ আর অটোমেটিক ফোর-ডাব্লিউ-ডি ডিফারেনশিয়াল।

বাংলাদেশে হ্যুন্দাই টেরাকানের মূল্য

২০০৭ সালে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বাজারে আপনি শুধু ব্যবহৃত হ্যুন্দাই টেরাকান পাবেন। নিচে হ্যুন্দাই টেরাকানের মূল্য তালিকা দেয়া রইলো:

হ্যুন্দাই টেরাকান ২০০৩ মূল্য: ব্যবহৃত- ২৫,০০,০০০ টাকা

কারমুডি সাহায্যে আপনার শহরে ক্রয়ের জন্য উপলব্ধ হ্যুন্দাই টেরাকান খুঁজে নিন:

 

কেন কিনবেন হ্যুন্দাই টেরাকান?

টেরাকানই প্রমান যে মাচো ৪*৪ এখনো আছে আর আপনি যেকোনো টেরেইন এর ওপর ড্রাইভ করতে পারেন কৃষিজাত বা অফ-রোড ব্যবহারের জন্য। এই গাড়িটি অত্যন্ত সক্ষমটো গাড়ি হিসবেও ব্যবহার করা যায়। আপনি যদি ফ্যাশনের ওপর লক্ষ্য না রেখে একটি কাজের গাড়ি চান, তাহলে এই গাড়িটি একেবারে পারফেক্ট। এই শ্রেনীর সব গাড়িগুলোর মধ্যে এটাই সবচেয়ে কমদামী। অন্যান্য দামী গাড়িগুলোর মধ্যে আছে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার, হ্যুন্দাই তুকসন, হ্যুন্দাই সান্তা ফে, আর ল্যান্ড রোভার ডিসকভারি হ্যুন্দাই টেরাকান কিনতে পারেন কারণ এর আছে:

  • অভিজাত এক্সটেরিওর
  • বিশাল অন্দর
  • লম্বা যাত্রায় ভালো ফুয়েল ইকনমি
  • টার্বো ডিজেল ৪*৪ পাওয়ার