: প্রস্তাবিত

BDT 270,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Dhaka

M.B. International
  • 65,000 কিলোমিটার

Car Detail's Brand Name :- Honda Model Name : - Integra Year of Model :- 1990 Year of Registration :- 1999 SL No : - 13 Present Mileage :- 65000 CC :- 1600 Color : - Grey Fuel :- Octa...

BDT 630,000

ঢাকা

Tahzidk Tahzidk
  • 10,000 কিলোমিটার

1994 Honda Integra DB6 Model: 1994, Reg: 1999. Papers upto date till July 2018. Engine: Originally came with a 1.6L ZC, currently installed 1.5L D15 (1600cc on papers). Always octane drive...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
Honda for sale in Bangladesh

বাংলাদেশে হোন্ডা গাড়ি বিক্রয়

হোন্ডা হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গাড়ি নির্মাণকারী জাপানী প্রতিষ্ঠান যা এখন সারা বিশ্বে অনেক জনপ্রিয়। গাড়ি তৈরির পাশাপাশি হোন্ডা মোটরসাইকেলমেরিন ইঞ্জিনজেনারেটর এবং পাওয়ার সরঞ্জামাদিও তৈরি করে থাকে। এছাড়া তারা আসিমু নামক রোবট নিয়েও গবেষণা করছে। সইচিরো হোন্ডা ১৯৪৮ সালে এই কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন জাপানের হামামাতসু শহরে। শুরুর দিকে কোম্পানির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী হওয়া। ১৯৫৯ সালের মধ্যেই তাঁরা সেই লক্ষে পৌঁছে যায়। ২০১১ সালে তাঁরা বিশ্বের অষ্টম বৃহৎ এবং ২০১৪ সালে পঞ্চম বৃহৎ গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানি হিসেবে পরিচিতি পায়। ২০১৩ সালে হোন্ডা জাপানী কোম্পানি হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গাড়ি আমেরিকার বাজারে রফতানি করেছে। এই ক্ষেত্রে তাঁরা স্বদেশী প্রতিযোগী টয়োটা এবং নিসান কে পিছনে ফেলেছে। বাংলাদেশে হোন্ডা গাড়ি টয়োটার মতো ব্যপক জনপ্রিয় না হলেও এই ব্র্যান্ডের গাড়ির অনেক চাহিদা রয়েছে। এই কোম্পানিটি ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশে ডিএইচএস মোটরস এর সাথে একসাথে কাজ করছে এবং নতুন গাড়ি বাজারে নিয়ে আসছে। এর পূর্বে হোন্ডা গাড়িগুলো সাধারণত রিকন্ডিশন অবস্থায় আমদানি হতো। হোন্ডার তৈরি হাইব্রিড প্রযুক্তির গাড়িগুলো এদেশের মানুষের আকর্ষণ লাভ করতে সক্ষম হয়েছে।

হোন্ডা গাড়ির প্রযুক্তি এবং কার্যক্ষমতা

সৃষ্টির শুরু থেকে হোন্ডা সবসময় নতুন নতুন প্রযুক্তির স্বাদ দিয়েছে তার গ্রাহকদের। হোন্ডাকে বলা হয় প্রযুক্তির দিক থেকে জাপানের অন্যতম সফল কোম্পানি। এই কোম্পানিটি ১৯৯৫ সাল থেকে বিমানের ইঞ্জিন তৈরি করছে এবং ২০১২ সাল থেকে বাণিজ্যিক ভাবে হোন্ডা জেট বিমান বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ২০০০ সালে তারা প্রথম রোবট উৎপাদন করে। শুরুর দিকে হোন্ডা শুধু ইঞ্জিন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান নামে পরিচিত ছিল। সময়ের পরিবর্তনে এবং প্রযুক্তির ব্যপক প্রসারের সাথে সাথে তাদের পণ্যের ধরণেরও পরিবর্তন এসেছে। হোন্ডাই সর্বপ্রথম গাড়িতে জ্বালানী সেলহাইব্রিড প্রযুক্তি এবং সিএনজি সুবিধা বাজারে নিয়ে আসে। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে হোন্ডা তাদের প্রযুক্তি এবং উচ্চমানের যানবাহনের জন্য সুপরিচিতি লাভ করেছে।

জনপ্রিয় কিছু হোন্ডা মডেল

বাংলাদেশে হোন্ডার যেসব মডেলগুলো জনপ্রিয় তার মধ্যে সিভিকসিআরভিঅ্যাকর্ডফিটএয়ারওয়েভ এবং সিটি উল্লেখযোগ্য।   

সিভিকঃ সিভিক হচ্ছে বাংলাদেশে হোন্ডার সবচেয়ে বেশি প্রচলিত মডেল। এটি একটি কম্প্যাক্ট গাড়ি যা হোন্ডা ১৯৭৩ সাল থেকে প্রস্তুত করে আসছে এবং এখনো সফলভাবে বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের গাড়ির সাথে প্রতিযোগিতা করে চলেছে। চার দরজা বিশিষ্ট এই সেডান গাড়িটির যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৫ জন।

সিআরভিঃ এই মডেলটি হোন্ডার তৈরি সবচেয়ে সফল স্পোর্টস ইউটিলিটি গাড়ি এবং বাংলাদেশে এর জনপ্রিয়তাও কম নয়। ১৯৯৫ সাল থেকে হোন্ডা এই গাড়িটি তৈরি করছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় নানা নামে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে গাড়িটি চতুর্থ প্রজন্ম পার করছে এবং দুই ধরণের ইঞ্জিনে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে ২০১২ সালের মডেলটি সহজলভ্য।

অ্যাকর্ডঃ এই মডেলটি সিভিকের মতই সেডান গাড়ি তবে এর চেয়ে আকৃতিতে বড় এবং বিলাশবহুল গাড়ি হিসেবে পরিচিত। এই মডেলটির উৎপাদন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে এবং তখন থেকেই জাপানসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে। হোন্ডার এই মডেলটি ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মত আমেরিকা ব্যতীত অন্য মালিকানাধীন কোন ব্র্যান্ড আমেরিকায় তৈরি হয়ে রফতানি হয়েছিল অন্যান্য দেশে।

ফিটঃ হোন্ডার তৈরি এই কম্প্যাক্ট হ্যাচব্যাক গাড়িটি বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। এটি সর্বপ্রথম বাজারে আসে ২০০১ সালে এবং এখন মডেলটি তৃতীয় প্রজন্ম পার করছে। এটিও বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন নামে পরিচিত। ৪ দরজা বিশিষ্ট এই ছোটো গাড়িটির জ্বালানী খরচ খুবই কম এবং কর্মক্ষমতা অনেক ভালো।

বাংলাদেশে হোন্ডা গাড়ির প্রাপ্যতাঃ

হোন্ডা গাড়ি বাংলাদেশেই সংযোজিত হচ্ছে অনেক সময় ধরে। হোন্ডার নিজস্ব শোরুম ছাড়াও বিভিন্ন ডিলারের কাছ থেকে আপনি খুব সহজেই নতুন বা রিকন্ডিশন গাড়ি কিনতে পারবেন। এছাড়া ব্যক্তিগত বিক্রেতার কাছ থেকে পুরনো গাড়ি কেনার সুবিধাও আছে এখানে। সাধারণত দেশের সকল বড় শহরে হোন্ডা গাড়ি পাওয়া যায়।

হোন্ডা বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

হোন্ডা কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা সইচিরো হোন্ডার প্রযুক্তি কিংবা প্রকৌশল বিষয়ক কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিলনা। তিনি টয়োটা কোম্পানির জন্য পিস্টন রিং তৈরির কাজ দিয়ে শুরু করেন প্রতিষ্ঠানটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে কোম্পানিটি টয়োটা কিনে নেয় এবং বন্ধ করে দেয়। এরপর ১৯৪৬ সালে আবার প্রতিষ্ঠা পায় এবং মোটরসাইকেল তৈরি শুরু করে। কিন্তু এবারও তারা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আবারো হোন্ডা মোটরস কোম্পানি নামে আত্মপ্রকাশ করে এবং গাড়ি প্রস্তুত শুরু করে। এরপর আর কখনই হোন্ডাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।