: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে হোন্ডা এলিসিয়ন বিক্রয়| বাংলাদেশে হোন্ডা এলিসিয়ন ইমেজ

বাংলাদেশে হোন্ডা এলিসিয়ন বিক্রয়

এলিসিওন শব্দটি আসে গ্রিক শব্দ “এলিসিয়াম” থেকে, যার অর্থ স্বর্গ। হোন্ডা এলিসিওনে চেপে আপনি স্বর্গে না যেতে পারলেও, এই গাড়ি চালানোর অনুভূতিটা স্বর্গীয়। এই ৮ সীটার মিনিভ্যান প্রথম মানুষ দেখতে পায় ২০০৩ এর টোকিও মোটর শো তে। জাপানে এটা উৎপাদন শুরু হয় টয়োটা আল্ফার্ডের প্রতিযোগিতা করবার জন্য, কিন্তু পরে চীন আর পৃথিবীর অন্যান্য দেশে এটার প্রবর্তন হয়।

জাপানে এটার উৎপাদন ২০১২ সালে বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু চীনে তখন এসেম্বল আর বিক্রয় হতে থাকে। অন্যান্য জায়গায় এই গাড়ির জায়গা হোন্ডা অডিসি বাজারজাত করা হয়।

হোন্ডা এলিসিওন রিভিউ

হোন্ডা এলিসিওন স্পেসিফিকেশন আর পারফরমেন্স

অল উইল ড্রাইভ (এডাব্লিউডি) অপশন থাকলেও, এই পেট্রল ইঞ্জিন যুক্ত ৫ দরজার মিনিভ্যান সাধারণত ফ্রন্ট উইল ড্রাইভ হিসেবেই উপলব্ধ। এই গাড়িটি পাওয়া যায় ৬টি ভিন্ন ট্রিমে: ২.৪ লিটার ইঞ্জিনের ৩টি ভ্যারিয়েন্ট, যেগুলোর নাম হচ্ছে এম, জি আর এক্স, আর ৩.০ লিটার ইঞ্জিনের ৩টি ভ্যারিয়েন্ট, যেগুলোর নাম হচ্ছে ভিজি, ভিএক্স আর ভিজেড। এই গাড়ির ২.৪ লিটার আই-ভিটেক কে২৪এ মডেলের সর্বোচ্চ ইঞ্জিনশক্তি ১৬০ এইচপি আর এটার টর্ক প্রায় ২১৮ নিউটন মিটার৩.০লিটার ইঞ্জিনটি উৎপাদন করে ২০০এইচপি পাওয়ার আর এটার সাথে আসে ভিসিএম (ভ্যারিয়েবল সিলিন্ডার ম্যানেজমেন্ট) যেটা ৩টি ইঞ্জিনকে বন্ধ করে দেয় যখন সেগুলোর প্রয়োজন থাকে না, যেমন ঢালু রাস্তায় নিচের দিকে যাওয়ার সময়। এই গাড়ির প্রেস্টিজ ভার্সনের ডিস্প্লেসমেন্ট ৩৪৭১ সিসি আর এটার সর্বোচ্চ টর্ক ৩৪৩ নিউটন মিটার। এই গাড়িতে সাধারণত থাকে ৫ স্পিড অটোমেটিক গিয়ার্বক্স

হোন্ডা এলিসিওনের সর্বোচ্চ গতি ২২০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা আর এটা ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে পৌছাতে পারে ৮.১ সেকন্ডে, যদিও সত্যিকারের শহুরে অবস্থায় আরও বেশি সময় লাগতে পারে। এটার ফুয়েল খরচের হার প্রায় ৮.৩ কিলোমিটার/ লিটার

হোন্ডা এলিসিওনের বাহিরের ডিসাইন

গাড়িটির বাহিরের অংশটি উপবৃত্তাকার, যেন বায়ু রোধ আর শব্দ একদম কমিয়ে আনা যায়। অনেক সেডানে তুলনায় এটার ফুয়েল ইকনমি অনেক ভালো আর ১৮০০ কেজি ওজনের একটি গাড়ি হবার সুবিধে এই যে আপনি অনেক ভালো স্থিতিশীল একটি গাড়ি পান।

এটার দানবাকার চেহারা থাকা স্বত্তেও, এটার আয়তন তেমন কিছু বেশি না। এটা ৪৮৪০ মিমি লম্বা, ১৮৩০ মিমি প্রস্থ আর ১৭৯০ মিমি উচু। এই গাড়ি আপনি পেতে পারেন বিভিন্ন রঙ্গে, যেমন সাদা, কালো, লাল, নীল, রুপালি আর বাদামী।

হোন্ডা এলিসিওন এর অন্দরের ডিসাইন

হোন্ডা এলিসিওন এ আছে চাবি-বিহীন প্রবেশের ব্যবস্থা, চাবি-বিহীন সিকিউরিটি এলার্ম সিস্টেম, অটোমেটিক দরজা লক, এলসিডি ইনফো ডিসপ্লে যেটা চালককে দেয় প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন তাপমাত্রা, দরজা, ফুয়েল খরচ, ইত্যাদি। সাথে আরও আছে ক্লাইমেট কন্ট্রোল, ক্রুজ কন্ট্রোল আর লেদারের আপহলস্টারি।

নিরাপত্তা ফীচার্সের মধ্যে আছে এবিএস (এন্টি-লক ব্রেক সিস্টেম), ইবিডি (ইলেক্ট্রনিক ব্রেকফোর্স ডিস্ট্রিবিউশন) আর সিএমএস (কলিশন মিটিগেশন সেন্সর)।

বাংলাদেশে হোন্ডা এলিসিওন এর মূল্য

বাংলাদেশে আপনি হোন্ডা এলিসিওন এর ব্যবহৃত মডেল কিনতে পারেন। নিচে হোন্ডা এলিসিওন এর মূল্য তালিকা দেয়া রইলো। তালিকাটি তৈরী হয়েছে কারমুডির বর্তমান লিস্টিং এর ওপর নির্ভর করে, আর গাড়ির অবস্থা, ফীচার্স ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে মূল্য বদলাতে পারে।

হোন্ডা এলিসিওন ২০০৪ মূল্য: ব্যবহৃত- ১৭,০০,০০০ টাকা

কারমুদি সাহায্যে আপনার শহরে বিক্রয়ের জন্য উপলব্ধ হোন্ডা এলিসিওন খুঁজে নিন:

 

  • চট্টগ্রামে নতুন, রিকন্ডিশন্ড আর ব্যবহৃত হোন্ডা এলিসিওন বিক্রয়
  • সিলেটে নতুন, রিকন্ডিশন্ড আর ব্যবহৃত হোন্ডা এলিসিওন বিক্রয়

 

কেন কিনবেন হোন্ডা এলিসিওন?

হোন্ডা এলিসিওন একটি অসাধারণ পারিবারিক গাড়ি, যেটার সাথে আছে চমৎকার নিরাপত্তা ফীচার্স। বিশেষ করে যাদের পরিবারে ছোট বাচ্চা আছে, তাদের জন্য খুব নিরাপদ একটি গাড়ি। বাজারে এর প্রতিযোগিতায় আছে হোন্ডা অডিসি, টয়োটা আল্ফার্ড, টয়োটা এস্টিমা আর নিসান এলগ্র্যান্ড। হোন্ডা এলিসিওন কিনতে পারেন কারণ এর আছে:

 

  • আরামদায়ক আর বিলাসবহুল অন্দর
  • বাচ্চাদের উপযোগী সেফটি ফীচার্স
  • অনেক ধরনের ট্রিম, রং আর স্পেসিফিকেশন
  • চমৎকার পারফরমেন্স