: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে হোন্ডা এয়ারওয়েভ বিক্রয়

বাংলাদেশে হোন্ডা এয়ারওয়েভ বিক্রয়

হোন্ডা এমন একটি নাম যা কিনা যে কোন গাড়ি উৎসাহী শুনলেই চিনবে। হোন্ডা ১৯৪৮ সাল থেকে তাদের কাজ করে যাচ্ছে. এরাই প্রথম জাপানি গাড়ি উৎপাদনকারী যারা ১৯৮০র দশকে বিলাসবহুল গাড়ি তৈরি করতে আরম্ভ করে। ২০১১ সালে এটি বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম গাড়ি উৎপাদনকারীর জায়গা দখল করে।

হোন্ডা এয়ারওয়েভ ২০০৫ সালে একটি সাবকম্প্যাক্ট গাড়ি হিসেবে বাজারে ছাড়া হয়েছিল। গাড়িটি হোন্ডার প্রথম দুই প্রজন্মের হোন্ডা সিটি এবং হোন্ডা ফিট/জ্যাজ (হ্যাচব্যাক) গাড়িগুলোর স্টেশন ওয়াগন ভার্সন ছিল। বৈশ্বিক বাজারে এটি ছোট গাড়িগুলোর প্ল্যাটফর্মে তৈরি সত্ত্বেও জাপানি বাজারে এয়ারওয়েভ এক অনন্য জায়গা দখল করে নেয়। এয়ারওয়েভ বাজারে প্রথম আসে এপ্রিল ২০০৫ এ, এবং ২০১০ সালে এটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

হোন্ডা এয়ারওয়েভ রিভিউ

হোন্ডা এয়ারওয়েভ ইঞ্জিন ও বিস্তারিত

হোন্ডা এয়ারওয়েভের দুটো আলাদা ভার্সন আছে। একটি সাধারন “জি” মডেল এবং আরেকটি আরো উন্নতমানের “এল” মডেল। এই সাবকম্প্যাক্ট জাপানে অগাস্ট ২০০৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত “হোন্ডা পার্টনার (জিজে৩/জিজে৪)” প্যানেল ভ্যান নামে বিক্রি করা হয়েছিল।

এয়ারওয়েভের আছে ১.৫ লিটারের এল১৫এ ইঞ্জিন এবং পার্টনারের ছিল ১.৫ লিটারের এল১৫এআই-ডিএসআই ১৪ ইঞ্জিন। এর রয়েছে দারুন এক্সেলারেশন যা কিনা ০-১০০কিমি মাত্র ১২.৫ সেকেন্ডে তুলতে পারে এবং ১৪৩ নিউটনমিটার টর্ক, ১১০ হর্সপাওয়ার উৎপাদন করে। এর আছে ১৫০০সিসি ইঞ্জিন, ফ্রন্ট হুইল ড্রাইভ-যুক্ত এলয় হুইল এবং অটোম্যাটিক ট্রান্সমিশন আর সর্বোচ্চ গতি হচ্ছে ১৬৭ কিমি। হোন্ডা এয়ারওয়েভের জ্বালানীসাশ্রয়ী ক্ষমতা প্রচুর, কারন এটি ৫.৬লিটারে ১০০কিমি অথবা ৫০.৯ মাইল প্রতি গ্যালনে যেতে পারে। বেশিরভাগ রিকন্ডিশন্ড গাড়ি অক্টেনে চলতে, যেখানে বাংলাদেশে বেশিরভাগ এয়ারওয়েভ গাড়ি সিএনজি রূপান্তরিত।  

হোন্ডা এয়ারওয়েভ ডিজাইন

যেহেতু এয়ারওয়েভ আর উৎপাদনে নেই, তার মানে এই নয় যে ক্রেতাদের কাছে এর আকর্ষণ কমেছে। হোন্ডা এয়ারওয়েভ এখনো হোন্ডা ভক্তদের কাছে তুমুল জনপ্রিয়। গাড়িটি নানান হাল্কা ও গাঢ় রঙে পাওয়া যায়। যেমন – কালো, ছাই, রূপালি, এবং সাদা। এই পাঁচ দরজার স্টেশন ওয়াগন আরামের সাথে সুরক্ষা একসঙ্গে প্রদান করে। এটির সুদর্শন অন্দর এবং আরামদায়ক সিট আপনাকে ভ্রমনের অন্যতম আনন্দময় অভিজ্ঞতা দেবে। এবং এটি আপনাকে রাস্তাতেও সুরক্ষা প্রদান করবে। এটির আছে এয়ারব্যাগ, সিটবেল্ট, এন্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (এবিএস), ফগ লাইট সেফটি, ক্রুজ কন্ট্রোল, নেভিগেশন সিস্টেম, পাওয়ার উইন্ডো, এবং দুর্লভ উইন্ডো ডি-ফ্রস্টার।

বাংলাদেশে হোন্ডা এয়ারওয়েভের মূল্য

বাংলাদেশে রিকন্ডিশন্ড হোন্ডা এয়ারওয়েভের দাম পড়বে ১৭ লাখ থেকে ২১ লাখ টাকা। যদি এর চেয়ে কম দামে খুঁজে থাকেন, তাহলে ব্যবহৃত হোন্ডা এয়ারওয়েভও আছে। ব্যবহৃতগুলো ৮ লাখ থেকে ১২ লাখ টাকায় পাওয়া যায়। নিচে কারমুডির তালিকা অনুযায়ী এয়ারওয়েভের দাম দেয়া আছে।

২০০৫ হোন্ডা এয়ারওয়েভ মূল্য: ব্যবহৃত  – ৮.৫ থেকে ১২ লাখ টাকা

কেন আপনি হোন্ডা এয়ারওয়েভ কিনবেন?

হোন্ডা এয়ারওয়েভ টয়োটা সিয়েন্টা এবং টয়োটা ফিল্ডারের কাছ থেকে ৫-দরজার সেডান/স্টেশন ওয়াগন গাড়ির বাজারে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা পেয়ে থাকে। যদিও হোন্ডার স্পেয়ার পার্টস এ দেশে বেশ দামি, হোন্ডা এয়ারওয়েভের উন্নত ইঞ্জিন এবং প্রশস্ত অন্দর অন্যান্য যেকোনো স্টেশন ওয়াগনের চেয়ে বেশি। হোন্ডা এয়ারওয়েভ ক্রেতাদের জন্য একটি ভাল বাছাই হবে কারন এটির আছে:

  • পর্যাপ্ত জায়গা
  • শক্তিশালি ইঞ্জিন
  • দীর্ঘস্থায়ী মান
  • স্টেশন ওয়াগন ক্যাটাগরিতে অনন্য কিছু বৈশিষ্ট্য