: প্রস্তাবিত

BDT 1,200,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Uttara

harun or rashid
  • 100,000 কিলোমিটার

Central A/C HINO Bus 30 Seating Condition: Running & Excellent Manufacturer : Hino Japan Vehicle Name : Hino Bus Model Year : 2002 Registration Year : 2007 Engine : 4.Cylinder Engine Capacity : 4...

BDT 1,200,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Uttara

harun or rashid
  • 100,000 কিলোমিটার

কেন্দ্রীয় একটি / সি HINO বাস 30 আসনবিন্যাস কন্ডিশন: রানিং & চমৎকার প্রস্তুতকর্তা: HINO জাপান যানবাহন নাম: HINO বাস মডেল ইয়ার: 2002 রেজিস্ট্রেশন সাল: 2007 ইঞ্জিন: 4.Cylinder ইঞ্জিন ক্ষমতা: 4000 ...

BDT 1,400,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Uttara

harun or rashid
  • 100,000 কিলোমিটার

Central A/C HINO Bus 30 Seating  Condition: Running & Excellent Manufacturer : Hino Japan Vehicle Name : Hino Bus Model Year : 2002 Registration Year : 2007 Engine : 4.Cylinder Engine Capacity : ...

BDT 1,400,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

Uttara

harun or rashid
  • 100,000 কিলোমিটার

Central A/C HINO Bus 30 Seating  Condition: Running & Excellent Manufacturer : Hino Japan Vehicle Name : Hino Bus Model Year : 2002 Registration Year : 2007 Engine : 4.Cylinder Engine Capacity : ...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
পৃষ্ঠাটি রিফ্রেশ করুন রিসেট
বাংলাদেশে গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে প্রাইভেট গাড়ি

গাড়ি এবং যানবাহন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় বাংলাদেশে প্রতি ১০০০ জনে মাত্র ৩ জনের গাড়ি রয়েছে। কিন্তু আর্থসামাজিক উন্নয়নের সাথে সাথে দেশের মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ঘটছে। ফলশ্রুতিতে দেশে গাড়ির চাহিদা এবং ব্যবহার প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষের কাছে গাড়ি এখন আর স্বপ্ন নয় বরং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে। সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়ন, নগরায়ন এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ প্রভৃতি কারনে বাংলাদেশের গাড়ির বাজার বর্তমানে বেশ চাঙ্গা। রাজধানী শহর ঢাকা, বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম, খুলনা এবং সিলেটের রাস্তায় প্রচুর পরিমাণে গাড়ি দেখা যায়। ধীরে ধীরে গাড়ির ব্যবহার দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলিতেও বেড়ে চলেছে।

বাংলাদেশে গাড়ি বিক্রয়

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে জাপান সহ এশিয়ার কিছু দেশ থেকে গাড়ি আমদানি হচ্ছে। এখানে কিছু ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ডের গাড়িও সহজ লভ্য তবে সংখ্যায় খুবই কম। এর প্রধান কারন হচ্ছে অত্যধিক পরিমাণে ট্যাক্স। দেশের বেশির ভাগ আমদানীকৃত গাড়িই হচ্ছে রিকন্ডিশন। তবে নাভানা গ্রুপ, র‌্যাংগস গ্রুপ, আফতাব অটোমোবাইল, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রি এবং উত্তরা মোটরস কিছু নতুন গাড়ি আমদানি এবং বাজারজাত করে থাকে। কারহাট কিংবা নানা ধরণের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে কিছু গাড়ি ব্যক্তিগত ভাবে বিক্রি হয়ে থাকে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিলারের কাছ থেকে আপনি সহজেই রিকন্ডিশন গাড়ি সুলভ মূল্যে কিনতে পারবেন।

বাংলাদেশে জনপ্রিয় কিছু গাড়ির ব্র্যান্ড এবং দাম

জাপানের তৈরি টয়োটা হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় গাড়ির ব্র্যান্ড। তবে বেশীরভাগ টয়োটা গাড়িই রিকন্ডিশন। নাভানা গ্রুপ টয়োটার কিছু নতুন মডেল বাজারজাত করে থাকে। মডেল গুলো হচ্ছে করল্লা, ক্যাম্রি, আভাঞ্জা, রাভফোর, প্রাডো, ল্যান্ডক্রুইজার, ইয়ারিস, ভায়স, হাইএস এবং হাইলাক্স ইত্যাদি। এছাড়া ডিলারদের কাছ থেকে আপনি অন্যান্য কিছু জনপ্রিয় মডেলের রিকন্ডিশন গাড়ি যেমন এলিওন, প্রবক্স, অ্যাক্সিও, প্রিমিও, নোয়া, ভিটজ এবং ফিল্ডার ইত্যাদি কিনতে পারবেন।

অন্যান্য জাপানী ব্র্যান্ড যেমন হোন্ডা, মিত্সুবিশি, নিসান, লেক্সাস এবং মাজদা গাড়িও বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। আপনি এই ব্র্যান্ড গুলোর নতুন এবং রিকন্ডিশন মডেল ঢাকাসহ অন্যান্য বড় শহরগুলোতে সহজেই পাবেন। গাড়ির দাম সাধারণত মডেল, তৈরির বছর, অবস্থা এবং সুযোগ-সুবিধার উপর নির্ভর করে। নতুন মডেলের গাড়ির দাম ২০ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ২ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আবার ভাল মানের রিকন্ডিশন গাড়ি কিনতে চাইলে আপনাকে খরচ করতে হবে অন্ততপক্ষে ১৩ লক্ষ বা তার বেশি টাকা।

দেশের গাড়ির বাজারে ইউরোপিয়ান দামী গাড়িও বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে। জার্মান ব্র্যান্ড অডি, বিএমডাব্লিউ, মারসিডিজ-বেঞ্জ এবং পোরশে প্রভৃতি বাংলাদেশের বাজারে সহজলভ্য না হলেও খোঁজ করলে অবশ্যই মিলবে। তবে অতিরিক্ত কর আরোপ থাকার কারনে এই গাড়ি গুলোর দাম আকাশ ছোঁয়া এবং সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এই গাড়িগুলোর সর্বনিম্ন দাম ৭০ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

জাপানী এবং ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ড ছাড়াও বাংলাদেশে ভারতীয় টাটা, মাহিন্দ্রা, মারুতি-সুজুকি; চাইনিজ চেরি এবং কোরিয়ান হুন্দাই এবং কিয়া গাড়িও সহজলভ্য।

নতুন, ব্যবহৃত নাকি রিকন্ডিশন গাড়ি কিনবেন?

গাড়ি কেনার আগে সবার একটি সাধারণ জিজ্ঞাসা থাকে আর তা হচ্ছে কি ধরণের গাড়ি কিনবেন? গাড়িটি হতে পারে নতুন অথবা রিকন্ডিশন। আবার কেউ কিনতে চাইবেন ব্যবহৃত বা পুরনো গাড়ি। এখানে নানা ধরণের গাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলোঃ

নতুন গাড়ি – নতুন গাড়ি কিনতে কে না চাই! তবে বাজেটের কথা চিন্তা করে অনেকেই পিছিয়ে পড়েন নতুন গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত থেকে। নতুন গাড়ির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আপনি এতে কোম্পানি প্রদত্ত সবধরনের সুযোগসুবিধা পাবেন এবং আপনিই হবেন এটির প্রথম ব্যবহারকারী।

রিকন্ডিশন গাড়ি – এই ধরণের গাড়িগুলো সাধারণত দামে কম হয় এবং নতুন গাড়ির ন্যায় অনেক সুবিধাই গাড়িতে পাওয়া যায়। নতুন গাড়ি এবং রিকন্ডিশন গাড়ির প্রধান পার্থক্য হচ্ছে শেষোক্ত গাড়িটি পূর্বে ব্যবহৃত এবং কিছুটা পরিবর্তিত অবস্থায় থাকে। গাড়িগুলো সাধারণত যে দেশে তৈরি হয় সেখানেই ব্যবহার হয়ে থাকে।

ব্যবহৃত গাড়ি – এইধরণের গাড়িগুলো সাধারণত ব্যক্তিগত গাড়ি যেগুলো মালিকগণ ব্যক্তিগত ভাবেই বিক্রি করেন। এসব গাড়ি কেনার সময় অনেক সাবধানতা বজায় রেখে এবং দেখে শুনে কিনতে হয়। দাম নির্ভর করে ব্যবহারের সময়, গাড়ির অবস্থা এবং অবশ্যই মডেলের উপর।

সব ধরণের গাড়ির কিছুনা কিছু ভালো এবং খারাপ দিক থাকে। সব দিক বিবেচনা করেই আপানাকে আপনার গাড়িটি কিনতে হবে।