: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে গ্রেট ওয়াল গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে গ্রেট ওয়াল গাড়ি বিক্রয়

নামেই বোঝা যায় যে এই গাড়ি নির্মাতার নাম এসেছে চীনের গ্রেট ওয়াল থেকে, আর তাই কোম্পানির নাম হয়ে গেল গ্রেট ওয়াল মটরস। চীনের অটোমোটিভ শিল্প ২০০৮ সাল থেকে প্রোডাকশন ইউনিট এর দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম হয়ে উঠেছে এদের গাড়ি অনেক করা প্রতিযোগিতা করেছে ডংফেং বা চেরি মত স্থানীয় কোম্পানির আর ভক্সওয়াগন, হ্যুন্দাই, নিসান, মিত্সুবিশি ইত্যাদি কোম্পানির সাথে মার্জ করেছে।

গ্রেট ওয়াল গাড়ির ইতিহাস

এই গাড়ি নির্মান কোম্পানির জন্ম হয় ১৯৭৬ সালে। প্রথমে তারা শুধু চীনের ট্রাক উৎপাদন করতো। তারপর ১৯৯৮ সাল থেকে তারা পিকআপ ট্রাক উৎপাদন করা শুরু করে। এই বিশাল গাড়ি নির্মাতা সেলুন গাড়ি উৎপাদন শুরু করে ২০০৮ সাল থেকে আর তখন থেকে সফলভাবে সেলুন গাড়ি নির্মান চালিয়ে যাচ্ছে।

শুরুর সময় লোকাল কোম্পানি হলেও, সময়ের সাথে গ্রেট ওয়াল সারা পৃথিবী জুড়ে প্রতিষ্ঠিত গাড়ি রপ্তানিকারক হয়ে উঠেছে। তার ওপরে, তারা বেশ কিছু দেশে নিজেদের প্রোডাকশন ফেসিলিটিও গড়ে তুলেছে। সেই দেশ গুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো ইন্দোনেসিয়া, ইরান, বুলগেরিয়া, একুয়েডর, ভিয়েতনাম, আরও বেশ কয়েকটি। তারা যে শুধু উৎপাদন করছে তাই নয়, বরং নিজেদের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগেও অনেক মনোযোগ দিয়েছে যেন পৃথিবীর বাজারের প্রতিযোগিতায় এদের স্থান আরও উঁচুতে পৌছে যায়।

বাংলাদেশে গ্রেট ওয়ালের জনপ্রিয় মডেলগুলো

এই চাইনিজ নির্মাতা এদের স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল (এস ইউ ভি) এর জন্য বেশ জনপ্রিয়। অন্যদিকে তাদের পিকআপ ট্রাক আর সেলুন গাড়ির উৎপাদনও তাদেরকে এনে দিয়েছে সাফল্য। বাংলাদেশের বাজারে গ্রেট ওয়ালের গাড়ি খুব অল্প সময়েই বেশ নাম করে ফেলেছে, আর কিছু নাম করা আমদানিকারক সারা বছর এদের গাড়ি দেশে আমদানি করছে। বাংলাদেশের বাজারে এদের প্রবর্তন বেশি দিন হয়নি। কারমুডিতে আপনি গ্রেট ওয়ালের যেই গাড়িগুলো পাবেন, সেগুলো হচ্ছে গ্রেট ওয়াল হাভাল এইচ৬, গ্রেট ওয়াল ভলিকস সি ১০ আরও বেশ কয়েকটি।

গ্রেট ওয়াল হাভাল এইচ ৫

এই গাড়িটাকে হভার এইচ৫ ও বলা হয়ে থাকে। গ্রেট ওয়াল মটরস এই কম্প্যাক্ট স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল (এস ইউ ভি) উৎপাদন শুরু করে ২০০৯ সাল থেকে। গাড়িটির মার্কেট নাম এক্স২৪০ আর এটা ৪*২ এবং ৪*৪, দুই ধরনের ড্রাইভট্রেনেই উপলব্ধ, আর গ্যাসোলিন অথবা ডিজেলের ইঞ্জিন। এটা হাভাল এইচ৩ এর বদলে এসেছে আর সামনের ডিসাইন ছাড়া দুইট গাড়ি প্রায় একই। মডেলের ওপর নির্ভর করে, হাভাল এইচ৫ পাঁচ স্পিড বা ছয় স্পিড ট্রান্সমিশন এ উপলদ্ভ, এবং ডিস্ক ব্রেক ব্যবহার করে। গাড়িটির ৩টি ভিন্ন ট্রিম রয়েছে, জিডাব্লিউ৪জি১৫বি ইঞ্জিন ।

গ্রেট ওয়াল উইন্গেল

এটার বিল্ডটা কম্প্যাক্ট পিকআপ ট্রাকের আর এটা বাজারে আছে ২০০৬ সাল ধরে। এটা ২ দরজা বা ৪ দরজার কম্প্যাক্ট পিকআপ হিসেবে উপলব্ধ, যেটার ৪টি ভিন্ন ভেরিয়েশন আছে জিডাব্লিউ ২.০ টিসিআই ১৪ ডিজেল আর পেট্রল ইঞ্জিনের। এই পিকআপ ট্রাকটি বেশ বিলাসবহুল হতে পারে। এর আছে লেদার সীট, সুন্দর অন্দর, ব্লুটুথ হ্যান্ডস ফ্রি মোবাইল কানেক্টিভিটি ও আপোষহীন নিরাপত্তা ফীচার্স যেমন বিল্ট-ইন এয়ারব্যাগ, ইলেক্ট্রনিক ব্রেক ফোর্স ডিস্ট্রিবিউষণ আর এন্টি-লক ব্রেকিন্গ সিস্টেম। বাংলাদেশে গ্রেট ওয়াল উইন্গেলের দাম আসা করা হয় ৩৭,৫০,০০০ টাকায়।

বাংলাদেশে গ্রেট ওয়াল গাড়ির উপলব্ধি

গ্রেট ওয়াল বাংলাদেশে গাড়ি ডিস্ট্রিবিউট করে গ্রেট ওয়াল বাংলাদেশ নামের কোম্পানি হয়ে। এমনকি গ্রেট ওয়াল বাংলাদেশে নতুন গাড়ির ওয়ারানটিও দেয়। যাত্রার শুরুতে গ্রেট ওয়াল একটি স্থানীয় কোম্পানি ছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এরা সারা পৃথিবীতে গাড়ির রপ্তানিকারক হিসেবে নিজদের নাম প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। তার ওপর এরা সফল ভাবে বিভিন্ন দেশে উৎপাদন ফেসিলিটি গড়ে তুলছে। ক্রেতাদের নজর থেকে লক্ষ্য করতে গেলে বলা যায় যে নিকট ভবিষ্যতে এরা বাংলাদেশের গাড়ির বাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

কারমুডি সাহায্যে আপনার শহরে বিক্রয়ের জন্য উপলব্ধ গ্রেট ওয়াল গাড়ির কালেকশন খুঁজে নিন:

 

  • চট্টগ্রামে নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গ্রেট ওয়াল গাড়ি বিক্রয়