: প্রস্তাবিত

BDT 725,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Howlader Md. Khokonuzzaman (Khokon)
  • 91,000 কিলোমিটার

গাড়ির নাম: টয়োটা ব সেলুন মডেল 1997 রেজ বছর 2002 ইঞ্জিন VVTI রঙ> <পার্ল জ্বালানি সিএনজি ও Octane (সিএনজি 60 LTR) উইন্ডো Automatick ট্রান্সমিশন Automatick এয়ার ConditionSuper কুল ফিটনেস 11-12-20...

BDT 685,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Howlader Md. Khokonuzzaman (Khokon)
  • 89,000 কিলোমিটার

Car Name: Toyota SE Sallon AE 110 Model 1996 Reg year 1998 Engine EFI Color Whait Puarl Fuel Cng & Octane (Cng 60 Ltr) Window Automatick Transmission Automatick Air ConditionSuper Cool Fitness 19...

BDT 1,250,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Fahim Emporium
  • 53,000 কিলোমিটার

Ford has delivered quality for years and this vehicle is no exception. This is one of my favorite car. This Ford Fiesta 2011 has travelled a total of 53000km and features a Automanual transmissio...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
পৃষ্ঠাটি রিফ্রেশ করুন রিসেট
বাংলাদেশে ফোর্ড গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে ফোর্ড গাড়ি বিক্রয়

১৯০৩ সাল থেকে ফোর্ড যানবাহন প্রস্তুত করে বিক্রি করে আসছে ফোর্ড ব্র্যান্ডের নামে এবং এটির লিঙ্কন ব্র্যান্ড সবচেয়ে বিলাসবহুল গাড়ি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ১৯১৩ সালে ফোর্ড প্রথম চলমান অ্যাসেম্বলি লাইন তৈরি করে তাদের মডেল টি গাড়ির ব্যাপক উৎপাদনের জন্য। ২০১০ সালে একটি বৈশ্বিক সেলস রিপোর্ট অনুযায়ী ফোর্ড কম্পানি আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম গাড়ি প্রস্তুতকারক এবং পৃথিবীতে পঞ্চম বৃহত্তম

ফোর্ড কোম্পানির লক্ষ্য হচ্ছে সুলভ দামে গাড়ি প্রস্তুত করে সাধারণ আমেরিকানদের কাছে পৌঁছে দেয়া। ফোর্ড নিকট ভবিষ্যতে তাদের গাড়িগুলোর ইলেক্ট্রিক হাইব্রিডকরন করার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ফোর্ড সবুজ প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যেতে কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) ব্যবহারকারী ইঞ্জিনের বিকাশে বিরাট অবদান রেখেছে, যা কিনা জীবাশ্ম জ্বালানীর এক বিকল্প যা তুলনামূলক কম গ্যাস নির্গমন করে থাকে। ২০১১ আর ২০১২ সালে ফোর্ডর জ্বালানীসাশ্রয়ী ইকোবুস্ট ১লিটার ইঞ্জিন ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিন অফ দা ইয়ার অ্যাওয়ার্ড জয় করেছে। এই ইঞ্জিন বর্তমানে তাদের নতুন সুলভ মূল্যের ফোর্ড ফিয়েস্তা সাবকম্প্যাক্ট গাড়িতে অন্তর্ভুক্ত।

ফোর্ড কোম্পানির ইতিহাস

ফোর্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে গাড়ির টাইকুন হেনরি ফোর্ড। ১৯১৪ সালে ফোর্ড প্রখ্যাত হয়ে উঠেছিল ফোর্ডিসম নামের তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়ার জন্য। এই উৎপাদন প্রক্রিয়ায় জটিল কৌশলে প্রস্তুতকারক প্রক্রিয়াটি নানান ধারায় ভাগ করে এক চলমান আসেম্বলি লাইনে চড়িয়ে দেয়া হত। ফোর্ডিসম গাড়ির বিরাট আকারের উৎপাদন এবং বিরাট আকারের শিল্প-শ্রমিক ম্যানেজ করার ক্ষেত্রে তুমুল দক্ষতা এবং কার্যকারিতার পরিচয় দেয়। এই কারনের জন্য ফোর্ড গুটিকয়েক কোম্পানির মধ্যে যারা ১৯৩০ দশকের গ্রেট ডিপ্রেশন টিকে থাকতে পেরেছিল। ফোর্ড আধুনিক গাড়ি বাণিজ্যে অনেক ধারার প্রচলন ঘটিয়েছে, যেমন রিমুভেবল সিলিন্ডার হেড সহ ইঞ্জিন, রিয়ার সিট বেল্ট, চাইল্ড-প্রুফ ডোর লক

ফোর্ড তার প্রাক্তন ব্রিটিশ সাবসিডিয়ারি জাগুয়ার কম্পানিকে ১৯৮৯ সালে কিনে নিয়েছিল, এবং ২০০০ সাল নাগাদ ল্যান্ড রোভার ব্র্যান্ডটিও কিনে নিতে পেরেছিল, এবং দুটোই ২০০৮ মার্চে টাটা মোটরস এর কাছে বিক্রি করে দেয়। ১৯৯৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ফোর্ড সুইডিশ গাড়ি প্রস্তুতকারক ভলভোর মালিক ছিল। ২০১১ সালে ফোর্ডের মার্কারি ব্র্যান্ড, যা কিনা উত্তর আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করত, উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। এরপরও ফোর্ড তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী সাবলীলভাবে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ২০০৮ সালে তারা ৫৫ লাখেরও বেশি গাড়ি উৎপাদন করেছে।

বাংলাদেশে জনপ্রিয় ফোর্ড মডেল

ফোর্ড মাসট্যাং

ফোর্ড কোম্পানির সবচেয়ে জনপ্রিয় গাড়ি হচ্ছে গিয়ে এই স্পোর্টস কার ফোর্ড মাসট্যাং। ১৯৬৪ সালে প্রথম ছাড়া এই গাড়িটি বর্তমানে তার ষষ্ঠ প্রজন্মে আছে। ফোর্ড মাসট্যাং প্রথম গাড়ি যা টিফানি গোল্ড মেডাল জিতেছে আমেরিকান ডিজাইনে উৎকর্ষতার জন্য। এটি অন্যান্য কূপ ডিজাইনের গাড়ি যেমন টয়োটা সেলিকা উৎপাদনে উৎসাহ দেয়ার কৃতিত্বের ভাগীদার। ফোর্ড মাসট্যাং প্রচুর গাড়ি প্রতিযোগিতা জিতেছে ১৯৬০এর দশকে ট্রান্স-এম চ্যাম্পিয়নশিপগুলোতে। ফোর্ড মাসট্যাং নিরবচ্ছিন্ন মাসল কার হিসেবে তাদের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করেছে।

ফোর্ড রেঞ্জার

এই আমেরিকান ব্র্যান্ডের আরেকটি নির্ভরশীল গাড়ি হচ্ছে গিয়ে ফোর্ড রেঞ্জার পিকআপ ট্রাক যা আমেরিকান এবং আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে ছাড়া হয়ে থাকে। আমেরিকান ভার্সনটি ১৯৮৩তে প্রথম ছাড়া হয় এবং এর তৃতীয় প্রজন্মে আছে, যার চতুর্থ প্রজন্ম কয়েক বছরের মধ্যেই ছাড়া হবে। এটি বিশ্ববিখ্যাত তার টেঁকসই মান এবং ভারবহনকারী ক্ষমতার জন্য।

ফোর্ড ইকোস্পোর্ট

এই মিনি স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল (এসইউভি)২০০৩ সালে প্রথম ব্রাজিলে তৈরি হয়েছিল, এবং ল্যাটিন আমেরিকায় এখনও বেশ জনপ্রিয়। এটি তার দ্বিতীয় প্রজন্মে আছে এখন। ফোর্ড ইকোস্পোর্ট একটি ক্যাস্ট আয়রন ১ লিটার, ৩-সিলিন্ডার, এবং টার্বোচার্জড ইঞ্জিনে দুটো ভার্সনে পাওয়া যায় – ৭৪ কিলোওয়াট, এবং ৮৮-৯২ কিলোওয়াট। এটির মাইলেজ হচ্ছে লিটারে ২২.৭কিমি। এটি নানান নিরাপত্তা এবং বিলাসী ফিচার-সংবলিত যেমন ফোর্ড এসওয়াইএনসি ড্রাইভার কানেক্ট সিস্টেম নামের ভয়েস কমান্ড সিস্টেম, অ্যাডভান্সড ক্লাইমেট কন্ট্রোল সহ এলসিডি স্ক্রিন, ইলেক্ট্রিক পাওয়ার এসিস্টেড স্টিয়ারিং, ইত্যাদি।

বাংলাদেশে ফোর্ড গাড়ির প্রাপ্যতা এবং মূল্য

আনোয়ার গ্রুপ অটোমোবিল হচ্ছে বাংলাদেশে ফোর্ড গাড়ির পরিবেশক। তারা ফোর্ড এস্কেপ এসইউভি, ফোর্ড ইকোস্পোর্ট এসইউভি, ফোর্ড রেঞ্জার পিকআপ ট্রাক, ফোর্ড ট্রান্সিট মাইক্রোবাস এবং ফোর্ড সিয়েস্তা সেডান পরিবেশন করে থাকে। বর্তমানে কারমুদিতে শুধুমাত্র ফোর্ড ইকোস্পোর্ট এসইউভি পাওয়া যায় যার দাম কিনা ৩০লাখ থেকে ৩২লাখ টাকা হয়ে থাকে।

ফোর্ড গাড়ির ব্যাপারে কিছু মজার তথ্য

ফোর্ড বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পারিবারিক মালিকানার কোম্পানি যা কিনা বর্তমানে হেনরি ফোর্ডের নাতির ছেলে চালাচ্ছেন। হেনরি ফোর্ড বিখ্যাত ছিলেন কর্মশীলতার ব্যাপারে তার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ধারণাগুলোর জন্য। তিনি তার কর্মচারীদের দৈনিক পাঁচ ডলার মজুরি দিতেন, যা ১৯১৪ সালে গড় মজুরির দ্বিগুণ এবং পাঁচ ঘণ্টার কর্মদিবস। ফোর্ড চাইতেন তার কর্মচারীরা যেন শুধুমাত্র বেঁচে না থাকে, তারা যেন জীবনযাপন করতে পারে।