: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে দায়হাত্সু গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে দায়হাত্সু গাড়ি বিক্রয়

দায়হাত্সু মোটর কো. একটি জাপানী গাড়ি নির্মান কোম্পানি যেটা প্রতিষ্ঠা পায় ১৯০৭ সালে হাত্সুদকি সিজো কো. লিমিটেড নামে যেটার সদর দপ্তর জাপানের ওসাকা তে। ১৯৫১ সালে এটার নাম বদলে দায়হাত্সু মোটর কো. লিমিটেড রাখা হয়। এই কম্পানিটা জাপানের ১০টি শ্রেষ্ঠ অটোমেকার, যারা উচ্চ মানের সাশ্রয়ী ছোট আকারের গাড়ি নির্মান করার জন্য ও অফ-রোড যান নির্মানের জন্য বিখ্যাত, তাদের মধ্যে একটি। ২০১৩ saলে এটার ১৪৮২ টি ইউনিট বিক্রয় হয়। ১৯৯৭ সালে দায়হাত্সু ৯০ বছরের জন্মবার্ষিকী পালন করে আর একই বছর এটার উৎপাদন ফিগার ১০ মিলিয়ন এ পৌছে যায়। এই কোম্পানি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এমন ছোট আকারের গাড়ি উৎপাদন করতে যেগুলো সারা পৃথিবী জুড়ে হবে ব্যবহারযোগ্য ও কাস্টমারদের কাছে প্রিয়। এই ব্র্যান্ডকে “ইনোভেশন ফর টুমোরো” স্লোগান দিয়ে ভালো ব্যাখ্যা করা যায়। দায়হাত্সু বর্তমানে টয়োটা মটরস কর্পোরেশনের একটি সাবসিডিয়ারি। ২টি নির্মাতাই কিচ্ছু একরূপ মডেল তৈরী করেন ওইএম এগ্রীমেন্ট এর আওতায়, যেমন টয়োটা তেরীয়স এবং টয়োটা ক্যামি। কিছু কিছু দেশে টয়োটা ডিলাররা দায়হাত্সু গাড়িও বাজারজাত করে। আপনি সহজেই নতুন ও ব্যবহৃত দায়হাত্সু গাড়ি বাংলাদেশে পেতে পারেন।

দায়হাত্সু গাড়ি রিভিউ

দায়হাত্সুর জন্ম হয় ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা যখন পাওয়ার প্লান্টের জন্য গাসলীন পাওয়ার করা ইঞ্জিন বানাতে যাচ্ছিল। এই কোম্পানির শিকড় গবেষণা ও উন্নয়নে গেথে আছে আর এরা এই ঐতিহ্য বছরের পর বছর সফল ভাবে ধরে রেখেছে। এই ব্র্যান্ড নিজেকে ছোট গাড়ি নির্মানের প্রধান একটি ব্র্যান্ড হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে আর ১২০টিরও বেশি দেশে এদের গাড়ি বিক্রি হয়

দায়হাত্সুই প্রথম অটোনির্মাতা যে ১ লিটার গ্যাসোলিন ইঞ্জিন বানায়, আর ৩ ও ৪ চাকার ডেলিভারি যান এর চাহিদা বুঝতে পারে। তাই এটা বাজারে নিয়ে আসল “মিজেটমিনি যান। এই কোম্পানির আর এন্ড ডি বিভাগ ১৯৬৫ সালে ইলেকট্রিক গাড়ির ওপর কাজ শুরু করে আর ১৯৬৬ সালে একটি প্রটোটাইপ উপস্থাপন করে। আর এইভাবে এরা জাপানে ইলেকট্রিক গাড়ির প্রবর্তন করে আর এখন সব বড় বড় গাড়ি নির্মান কোম্পানিগুলো ইলেকট্রিক গাড়ি বানাচ্ছে, যেগুলো এখন অনেক বিখ্যাত হয়ে চলেছে। তা ছাড়া এরা পরিবেশ বান্ধব যানও নির্মান করে চলেছে, যেগুলোর এয়ার কন্ডিশনিং এ ক্ষতিকর ক্লোরোফ্লোরকার্বন ব্যবহার হয় না। দায়হাত্সু সাশ্রয়ী মূল্যে বিলাসবহুল ফীচার্স আর লেটেস্ট প্রযুক্তিযুক্ত গাড়ির প্রধান নির্মাতাদের মধ্যে একটি

বাংলাদেশে দায়হাত্সুর জনপ্রিয় মডেলগুলো

দায়হাত্সু অনেক ধরনের ভিন্ন ভিন্ন যাত্রী বাহী গাড়ি উৎপাদন করে, যেমন চারেইড, কুরে, চারমানট, ডমিনো, হিজেট, মিজেট, অপটিজেনিয়াদায়হাত্সু ফেরোজা, দায়হাত্সু রকি এবং নিচে উল্লেখ করা মডেল দুইটি বাংলাদেশে বেশ বিখ্যাত এবং বাংলাদেশ রাস্তায় এগুলো প্রায়ই চোখে পরে।

দায়হাত্সু তেরীয়স

দায়হাত্সু তেরীয়স একটি মিনি এস ইউ ভি যেটা দায়হাত্সু ১৯৯৭ সাল থেকে উৎপাদন করে আসছে। ২০০৬ সাল থেকে তেরীয়স তয়তার সাথে মাইল উৎপাদন করা হচ্ছে আর একসাথে মাইল এটাকে বাজারজাত করা হয় টয়োটা কামি নামে। এটা অবস্য টয়োটা রাশ নামেও বিক্রয় হয়। দায়হাত্সু তেরীয়স বাংলাদেশী মার্কেটে অনেক জনপ্রিয় এটার কম্প্যাক্ট ডাইমেনশন ও প্রশস্ত এবং বিলাসবহুল অন্দরের জন্য। এটার মূল্য বাজারের অন্যান্য এস ইউ ভির তুলনায় কম হলেও, রূপে, গুনে ও আরামে এটা একদমই আপোষ করে মূল্য  

দায়হাত্সু মীরা

দায়হাত্সু মীরা একটি কেই গাড়ি যেটা দায়হাত্সু ১৯৮০ সালে বাজারজাত করে দায়হাত্সু ম্যাক্স কুর এর বদলে। এটার জাপানি মডেলে ছিল ছোট ইঞ্জিন আর বাহিরের বাজারের জন্য এটা উৎপাদন হত আরও বড় ইঞ্জিন এর অপশন এর সাথে। এটা অনেক বাজারে কুরে, ডমিনো ও চারেইড নামেও বিক্রয় হয়েছে। যারা বাজেট ধরে এমন গাড়ি কিনতে চাচ্ছেন যেটার মেইনটেনেন্স খরচও কম হবে, তাদের জন্য মীরা অনেক ভালো একটি গাড়ি।

বাংলাদেশে দায়হাত্সু গাড়ির উপলব্ধি

সানার্ক গ্রুপ বাংলাদেশের অধীনে মোটোড্রাইভ লিমিটেড বাংলাদেশে দায়হাত্সু গাড়ির একমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলার। দায়হাত্সু গাড়ি বাংলাদেশের বাজারে আছে ১৯৮২ সাল থেকে। আপনি সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন করা দায়হাত্সু গাড়ি কিনতে পারেন।