: প্রস্তাবিত
সঠিক ফলাফল পাওয়া প্রস্তাবিত বিকল্প
ফলাফল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে ক্রিস্লার গাড়ি বিক্রয়

বাংলাদেশে ক্রিস্লার গাড়ি বিক্রয়

ক্রিস্লার একটি মার্কিন গাড়ি নির্মাতা আর মার্কিন যুক্তরাষ্টের “বিগ থ্রী” কোম্পানির একটি, যার বাকি দুটো হচ্ছে ফোর্ড আর জেনারেল মটরস৷ ১৯২৫ সালে ওয়াল্টার ক্রিস্লার এই কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন আর পরে ডেট্রয়েট এর ম্যাক্সওয়েল মোটর কর্পোরেশনকে নিজের কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত করেন যেন কোম্পানির খ্যাতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়৷ ক্রিস্লার আমেরিকার সেই অল্প কয়েকটি কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি, যেগুলো গ্রেট ডিপ্রেশন এর সময়ে টিকে ছিলো৷ ১৯৪০ সালে ক্রিস্লার ফোর্ড কে ছাড়িয়ে গিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্টের এক নম্বর ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়৷ পরে ডজ এই কোম্পানির অংশ হয়ে যায়, আর প্লিমাউথ আর ডে সটো ডিভিশনগুলো ডেভেলপ করে৷ বর্তমানে ক্রিস্লার বিভিন্ন মার্কিন গাড়ির ব্র্যান্ডকে বাজারজাত করে, যেমন ডজ, রাম আর জীপ্, আর ইতালিয়ান গাড়ির ব্র্যান্ড ফিয়াত৷ ২০১৪ সালে ক্রিস্লারকে পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম অটোমোবাইল উৎপাদক মর্যাদাক্রম দেয়া হয়৷ এই গাড়ির ব্র্যান্ডটি এখনো বিলাসবহুল, আধুনিক আর ট্রেন্ডি গাড়ি উৎপাদন করার জন্য বিখ্যাত আর তার সাথে অনেক কাটিং এজ প্রযুক্তিক ফীচার্স যোগ করার জন্যও৷

ক্রিস্লারের প্রযুক্তি আর উন্নয়ন

ক্রিস্লার অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে প্রাযুক্তিক অগ্রগতির দিক থেকে অনেক অবদান রেখেছে৷ ১৯৩০ সালে তারা এয়ারফ্লো প্রযুক্তি ডেভেলপ করে যেটা গাড়ির এরোডাইনামিকস উন্নত করে গাড়িটার লক্ষনীয় গ্রিল আর লাইন দিয়ে৷ এই এয়ারফ্লো প্রযুক্তি শুধু গাড়িটার অন্দরের স্টাইল আর আরামপ্রিয় প্রযুক্তিই না, বরং গাড়ির বাহিরের ডিসাইনও বদলে দিয়েছে৷ তার সাথে তারা আরও গড়েছিল স্যাটার্ন ভি৫- ইঞ্জিন, যেটাকে এখনো বৃহত্তম সিঙ্গেল বুস্টার রকেট ধরা হয়৷ এই প্রযুক্তি ক্রিস্লারের নাম ইতিহাসে লিখে দিয়েছে৷ এই ৩৬ তলা “বৃহত্তম সিঙ্গেল বুস্টার রকেট১৭,৫০০ মাইল প্রতি ঘন্টার অসম্ভব বেগে ছুটে যেতে সক্ষম হয়েছিল৷ ক্রিস্লারের বর্তমান আবিষ্কারগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে তাদের অগ্রসর ভি-এইট আর ভি-সিক্স ইঞ্জিন, যেগুলো অসাধারণ ইঞ্জিন শক্তির পাশাপাশি আপনাকে দেয় চমৎকার ফুয়েল এফিসিয়েন্সি৷

বাংলাদেশে ক্রিস্লারের জনপ্রিয় মডেলগুলো

ক্রিস্লার ৩০০সি

ক্রিস্লার ৩০০সি একটি ফুল-সাইজ বিলাসবহুল গাড়ি যেটার কনসেপ্ট ক্রিস্লার তুলে ধরেছিল ২০০৩ সালে “প্রাযুক্তিক দিক থেকে সবচেয়ে অগ্রসর গাড়ি” বলে৷ এটার উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে, আর প্রায় সাথে সাথেই এটা নিজেকে একটি হাই পারফরমেন্স গাড়ি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলে৷ তাতে সাহায্য করে এটার ৩৫৯৩ সিসি ভি-সিক্স ইঞ্জিন, যেটার ইঞ্জিন শক্তি ২৮৬ হর্সপাওয়ার৷ আধুনিক বডি স্টাইলিং, আকর্ষনীয় আর জাঁকজমকপূর্ণ অন্দরের সাথে সাথে অনেকগুলো অ্যাডভান্সড ফীচার্স এই গাড়িটিকে করে তুলেছে লাগ্জারী গাড়ি প্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে৷ বাংলাদেশে ২০০৫ সালের ক্রিস্লার ৩০০সি এর মূল্য ৯৫,০০,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়, আর এটাব্যবহৃত অবস্থায় উপলব্ধ৷

ক্রিস্লার টাউন এন্ড কান্ট্রি       

ক্রিস্লার টাউন এন্ড কান্ট্রি ক্রিস্লার আরেকটি গাড়ির পাশাপাশি বেশিরভাগ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই বাজারজাত করে। ৩০০সি এর মত একই ৩.৬ লিটার ভি৬ ইঞ্জিন এই বিলাসবহুল মিনিভ্যানকে পাওয়ার করে৷ এই পিকআপ লাইনে একটিভ পেডেস্ত্রিয়ান প্রটেকশন সিস্টেমও যোগ করা হয়৷

ক্রিস্লার পাসিফিকা

ক্রিস্লার পাসিফিকা একটি ৫ দরজার মাঝারি আকারের ওয়াগন বডির ক্রসওভার এসইউভি যেটার প্রবর্তন হয় ২০০৩ সালে৷ এটার ইঞ্জিন ছিল ৪০০০ সিসি এসওএইচসি ভদ-সিক্স অথবা স্ট্যান্ডার্ড ৩৭৯৩ সিসি ইজিএইচ ভি৬. এটার উৎপাদন ২০০৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়৷

বাংলাদেশে ক্রিস্লার গাড়ির উপলব্ধি

ক্রিস্লার সারা পৃথিবীতেই হাই এন্ড গাড়ি হিসেবে ধরা হয়৷ তাই আপনি রাস্তা ঘাটে এটা খুব একটা দেখতে পাবেন না৷ বাংলাদেশে ক্রিস্লার গাড়ির কোনো অফিসিয়াল ডিলার বা আমদানিকারক নেই৷ আপনি নিজে থেকে ক্রিস্লার গাড়ি আমদানি করতে পারেন বা ডিলারকে দিয়ে আমদানি করাতে পারেন৷ড-