: প্রস্তাবিত

BDT 195,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

খুলনা

Shahnewaz Ahmed
  • 150,000 কিলোমিটার

Tip top condition. All papers are up to date. Required selling for going abroad.

BDT 1,050,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

ঢাকা

Sadmankhandaker Sk
  • 18,000 কিলোমিটার

Good condition Dual AC 6 gears Luxury seats Led lights

BDT 300,000 ড্রাইভ আও্যে

ঢাকা

rittik basak
  • 10,000 কিলোমিটার

This Chery QQ 2007 is a steal at just BDT350000. It has 10000km on the clock and comes with a Automatic transmission system as well as other great features.

BDT 350,000 মূল্য পরিবর্তনশীল

সিলেট

Rezasalim71 Rezasalim71
  • 50,000 কিলোমিটার

এই সিলভার / গ্রে Chery QQ 11 2007 মাত্র BDT350000 এ ব্যতিক্রমী মান। গাড়ির একটি স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সমিশন সিস্টেম আছে এবং আপনি পেতে 50000km ভ্রমণ করেছেন। আপনি আজকে স্পর্শ পেতে তাই অন্য কোথাও একটি ...

ফলাফল হালনাগাদ করুন
Chery cars for sale

বাংলাদেশে চেরি গাড়ি বিক্রয়

চেরি অটোমোবাইল কোম্পানি লিমিটেড ১৯৯৭ সালে চীন সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠার পায় এবং কয়েক বছরের মধ্যেই বিশ্বে সুপরিচিত হয়ে ওঠে। যদিও এটি সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানি, তারপরও এটি অনেক সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয় কর্মীদের একান্ত প্রচেষ্টা এবং পরিচালক পর্ষদের কর্মপন্থার কারনে। বর্তমানে চেরি গাড়ি বিশ্বের প্রায় ১৫ টি দেশে তৈরি এবং সংযোজিত হচ্ছে। এই কোম্পানিটি অনেক ধরণের গাড়িই তৈরি করে থাকে এর মধ্যে যাত্রীবাহী গাড়ি, স্পোর্টস ইউটিলিটি গাড়ি এবং বাণিজ্যিক গাড়ি প্রধান।

চেরি গাড়ি তৈরি শুরু করে ১৯৯৯ সালে এবং চীনের বাইরে প্রথম রফতানি শুরু করে ২০০১ সালে। ২০০৩ সাল থেকে এই ব্র্যান্ডটি হচ্ছে চীনের সবচেয়ে সফল ব্র্যান্ড যারা দেশের বাইরে গাড়ি রফতানি করছে। ২০১১ সালে তাঁরা তাদের উৎপাদনের শতকরা ২৫% গাড়ি বিদেশে রফতানি করে। বর্তমানে চেরি চীনের দশম বৃহৎ গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। চীনে জাগুয়ার ল্যান্ডরোভার ব্র্যান্ডের গাড়ি তৈরির জন্য ২০১২ সালে চেরি এবং ভারতের টাটা কোম্পানির একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়।

চেরি গাড়ির প্রযুক্তি

আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে চেরি তাদের গাড়ির পরিকল্পনা এবং উৎপাদন করছে। তাঁরা বিশ্বের অনেক নামীদামী গাড়ি নির্মাতা যেমন এসএআইসি এবং নিসান এর সাথে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। এছাড়া জাগুয়ার ল্যান্ডরোভার এবং ইসরায়েল কর্পোরেশন এর সাথেও তাঁরা একযোগে কাজ করছে। তাঁরা চীনে জাগুয়ার এবং ল্যান্ডরোভার ব্র্যান্ডের গাড়ি উৎপাদন এবং বাজারজাত করছে।

কোম্পানির ভাষ্যমতে তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তিগুলো আসছে তাদের স্বপ্নের ইঞ্জিনিয়ার দলের কাছ থেকে যারা কিনা পূর্বে মার্সিডিজ-বেঞ্জ এবং পোরশে কোম্পানিতে কাজ করেছে। গাড়ি তৈরির পাশাপাশি তাঁরা ইঞ্জিন তৈরি করছে যা কিনা অপর একটি প্রসিদ্ধ গাড়ি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ফিয়াট কিনছে এমনকি আমেরিকার বাজারেও বিক্রি হচ্ছে। সম্প্রতি চেরি কিছু হাইব্রিড গাড়ি বাজারে নিয়ে এসেছে সেই সাথে আছে কিছু বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি। বর্তমানে চেরির প্রায় ২১ টি মডেল বাজারে রয়েছে যেগুলোতে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা এবং কম জ্বালানী খরচের বিষয়টি বর্তমান।

চেরি ব্র্যান্ডের কিছু জনপ্রিয় মডেল

এখানে কিছু জনপ্রিয় মডেলের বর্ণনা সংক্ষেপে দেওয়া হলোঃ

চেরি কিউকিউ – এটি চেরি ব্র্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় মডেল। ছোট এই হ্যাচব্যাক গাড়িটি ক্রেতাদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। এটির জ্বালানী সাশ্রয়ী বৈশিষ্ট্য এবং কম দাম মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য উপযুক্ত। এটি দুই ৮০০ সিসি এবং ১১০০ সিসি এই দুই ধরনের ইঞ্জিনে পাওয়া যায়।

টিগো – এই ক্রসওভার ধরণের গাড়িটি সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ৫ তারকা প্রাপ্ত। এর ভিতরে মালামাল পরিবহণের জন্য অনেক জায়গা রয়েছে এবং ক্রেতাগণ এই মডেলটি ব্যবহার করে সন্তুষ্ট।

চেরি রিচ – ৪ দরজা বিশিষ্ট এই ছোট আকৃতির ভ্যানটি ৮ জন যাত্রী পরিবহণে সক্ষম। এর দামও তুলনামূলক ভাবে অনেক কম।

চেরি ই৫ – কম্প্যাক্ট ক্যাটেগরিতে এই গাড়িটি জাপানী মডেলগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করছে বেশ ভালভাবেই। ৪ দরজা বিশিষ্ট এই গাড়িটি ২০১২ সাল থেকে উৎপাদিত হচ্ছে।

বাংলাদেশে চেরি গাড়ির প্রাপ্যতা

বাংলাদেশের গাড়ির বাজারে চেরি ব্র্যান্ডের গাড়ি খুব বেশি দিন হলো আসেনি কিন্তু তারপরও অন্যান্য ব্র্যান্ডের সাথে বেশ ভালোই প্রতিযোগিতা করে চলেছে। সাধারণত ঢাকা শহরে এই গাড়িটি পাওয়া যাচ্ছে তবে ধীরে ধীরে কোম্পানিটি তাদের পরিধি অন্যান্য শহরেও বিস্তার করছে। কম দাম এবং সাশ্রয়ী জ্বালানী খরচের কারনে দেশের মানুষের কাছে ব্র্যান্ডটি দ্রুত পরিচিতি পাচ্ছে। বাংলাদেশে কিউকিউ এবং টিগো মডেল দুইটি বেশি পরিচিত এবং মাত্র ৫ লক্ষ টাকায় আপনি একটি ব্যবহৃত গাড়ির গর্বিত মালিক হতে পারবেন।

চেরি সম্পর্কিত কিছু তথ্য

পূর্বে চেরি গাড়ি চেরি, ক্যারি, রেলি এবং রিচ এই চারটি নামে বিক্রি হতো। তবে ২০১২ সাল থেকে যাত্রীবাহী গাড়ি হিসেবে চেরি এবং বাণিজ্যিক গাড়ি হিসেবে ক্যারি নামে বিক্রি হচ্ছে। অন্য নাম গুলো কোম্পানি আর ব্যবহার করছেনা।